রাত ৩:৫২, বুধবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং

এক নজরে

বিমান বন্দর থেকে কিশোর ফুটবলারদের বহনকারী বাসটি বাফুফে ভবনের পেছনের ফটকের সামনে আসতেই গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়। সবার আগ্রহে ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও দীপক রায়। তাদের গোলেই তো রোববার দোহায় ইতিহাস রচিত হয়েছে। যে কোনো পর্যায়ের ফুটবলে কাতারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ফুল আর মিষ্টি নিয়ে তখন ভবনে ঢোকার প্রধান দরজায় দাঁড়িয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ। ফাহিম, দীপকরা একজন একজন করে বাফুফে ভবনে প্রবেশ করছেন এবং আবু নাঈম সোহাগ তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন রজনী গন্ধার তোড়া, মুখে তুলে দিচ্ছেন মিষ্টি। হেড অব ডেলিগেশন হয়ে কাতার ভ্রমণ করে আসা ফজলুর রহমান বাবুলও তখন ব্যস্ত। খেলোয়াড়দের মিষ্টি খাওয়ালেন, নিজেও খেলেন। তিনি খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করলেন, নাকি নিজে সংবর্ধিত হলেন বোঝা গেলো না।

ভবনে প্রবেশ করেই মিডিয়ার সামনে হাস্যজ্জ্বল দুই গোলদাতা ফাহিম ও দীপক। তাদের ঝুলিতে কী জাদু ছিল তা জানার আগ্রহই বেশি ছিল মিডয়ার। প্রথম গোলদাতা দীপক রায় মনে করেন ‘২০২২ সালে যে দেশে বিশ্বকাপ হবে সেই দেশে গিয়ে ম্যাচ খেলাটা বিশাল ব্যাপার। ওখানে শক্ত দলের সঙ্গে খেলেছি। তারপরও আমাদের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পেরেছি। প্রমাণ করেছি, আমরাও পারি।’

সাফল্যের পেছনে বড় কারণ হিসেবে তিনি দেখছেন তাদের প্রতিজ্ঞা, পরিশ্রম ও ফেডারেশনের ভূমিকাকে, ‘আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি। ফেডারেশনও আমাদের প্রতি নজর রেখেছিল। তাই এই ফলাফলটা ভালো করতে পেরেছি। ইয়েমেনের সঙ্গে লড়াই করে হারের পর মনে হয়েছিল কাতারকে হারাতে পারবো। আমরা তাই প্রতিজ্ঞা করে নেমেছিলাম কাতারকে হারাবোই।’

দ্বিতীয় গোলদাতা ফাহিম বলেছেন, ‘প্রথম থেকেই খেয়াল করেছিলাম ওদের গোলরক্ষক বারবার এগিয়ে আসে। বলটা যখন পেলাম তখন সেটাই আমার মাথায় ছিল। গোলরক্ষক এগিয়ে আসবে সে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। সুযোগ পেয়েই কাজে লাগিয়েছি।’

দোহায় প্রবাসী বাঙ্গালি দর্শকদের প্রশংসা করেছেন ফাহিম, ‘আমার ভালো লাগছে দোহায় বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য। প্রথম ম্যাচে হারার পরও দ্বিতীয় ম্যাচে আরো দর্শক এসেছিল মাঠে। সারাক্ষণ তারা গ্যালারি থেকে আমাদের উৎসাহ দিয়েছেন। ওদের সমর্থন দেখে মনে মনে ভাবলাম শেষ ম্যাচ জিততেই হবে।’

আপনি গোল করে ব্যবধান বাড়িয়েছেন। দীপক তার আগে করেছেন প্রথম গোল। দুই জনের গোলই গুরুত্বপূর্ণ। তো গোলের পর আপনার অনুভূতিই কেমন ছিল? ম্যাচের পর পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছিলন কি না? ‘না, ম্যাচের পর কারো সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। সে সুযোগও ছিল না। দেশে এসে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি’- বলছিলেন স্ট্রাইকার ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।

ভিন্ন কন্ডিশনে মানিয়ে নে‌ওয়ার অভিযান কাল শুরু মুশফিকদের

ভিন্ন কন্ডিশনে নিজেদের মানিয়ে নিতে সিরিজের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ বেশ গুরুত্বপূর্ন বলে মনে করেন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। প্রস্তুতি ম্যাচের আগে নিজেদের অনুশীলন শেষে একথা বলেন তিনি। বেনোনিতে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় দুপুর দু’টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড কিংবা শ্রীলঙ্কার মতো টেস্ট খেলুড়ে ঐতিহ্যবাহী দলগুলোর সঙ্গে জেতা হলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এখনও জয়হীন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ঘরের মাটিতে সমীহ জাগানো প্রতিপক্ষ হয়ে উঠলেও বিদেশে এখনও সেভাবে নিজেদেরকে প্রমান করতে পারে নি টাইগাররা। এবার সেটা প্রমানের পালা। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বেনোনিতে অনুশিলন শেষে তেমনটাই জানালেন। বললেন, ‘বেশ কিছুদিন যাবত ঘরের মাঠে আমরা বেশ ভালো করছি। সুতরাং সেই অভিজ্ঞতা আমরা বিদেশের মাটিতেও কাজে লাগাতে চাই। অন্তত নিজেদের ভালো খেলার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্যও সেটা আমাদেরকে করতে হবে।’
মুশফিক আরো জানান, ‘দেশের মতো বিদেশেও আমাদের ভালো খেলার সার্মথ আছে। সেই সার্মথের পরিচয় দিতে পারলেও কেবল বড় দল হয়ে ওঠার পথে এগিয়ে যেতে পারবে বাংলাদেশ। আমাদের লক্ষ্য সেটাই।’

ঘরের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটেও প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্কে পরিনত হয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর ইংল্যান্ডকে এক সেশনেই উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের সামর্থের জানান দিয়েছিলো মুশফিক বাহিনী। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়াও দেখেছে টাইগারদের গর্জে ওঠা। ঢাকা টেস্টে পিছিয়ে পড়েও একদিন বাকি থাকতেই হারায় অজিদের।
তবে ক্রিকেটের পরাশক্তি হয়ে উঠতে হলে দাপটের ধারাবাহিকতা রাখতে হবে বিদেশের মাটিতেও। ভিন্ন কন্ডিশনে নিজেদের মানিয়ে নিয়ে স্বাগতিক দলকে আতঙ্কে ডোবাতে পারলেই শক্তিশালী দল হয়ে উঠবে টাইগাররা। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এবার তেমন কিছুই করে দেখাতে চায় মুশফিকবাহিনী। তাই একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচটি বেশ গুরুত্বের সাথেই দেখছেন টেস্ট অধিনায়ক।

এমনিতেই ভিন্ন কন্ডিশনে খেলা। তার ওপর বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দলে না থাকায় এবার বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জটা আরও কঠিন। কঠিনকে জয় করতে পারলেই বড় দল হয়ে উঠবে টাইগাররা। তাই এই সিরিজে নতুনদের সাথে নিয়ে দলগত পারফরমেন্স উপহার দিতে চান বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। মুশফিকুর রহিম বলেন, ‘পুরো শক্তি নিয়ে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকায় আসতে পারি নি। তবে নতুন পুরণোদের নিয়ে বাংলাদেশ এখন বেশ ব্যালান্সড দল। কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারলে ভালো ফল পা‌ওয়া সম্ভব।’

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত খেলা ১০ টেস্টে এখন পর্যন্ত জয়ের স্বাদ পায়নি বাংলদেশ। দুটি টেস্ট ড্র করেছে, তা‌ও আবার বৃষ্টির আশীর্বাদে। তবে এবার জয়ের সেই সুমধুর স্বাদ পেতে প্রত্যয়ী টাইগাররা।

ক্রিকেট

চট্টগ্রাম-রাজশাহীর বিগ স্কোরিং ম্যাচ ড্র

প্রথমদিন বৃষ্টির কারণে ম্যাচ হয়েছিল অর্ধেক। মাত্র ৪৩ ওভার। এই ৪৩ ওভার ব্যাট করে চট্টগ্রাম বিভাগ রান তুলেছিল মাত্র ৬৭। স্লো ব্যাটিংয়ের চরম পরাকাস্ট্রা প্রদর্শণ করলো তারা। কিন্তু দ্বিতীয় দিন এসে উল্টে গেলো পুরো চিত্র। ঝড়ো ব্যাটিং করে চট্টগ্রাম রানের পাহাড় দাঁড় করিয়ে দিল স্বাগতিক রাজশাহীর সামনে।

অলআউট হলেও চট্টগ্রামের রান ছিল ৪৩২। ইয়াসির আলি ৯৪, ইরফান শুকুর ৬৫, সাজ্জাদুল হক করেন ৬৮ রান। জবাব দিতে নেমে রাজশাহীও কম যায়নি। তৃতীয়দিন এবং আজ শেষ দিনেও প্রায় শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করলো তারা। যেন চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা ব্যাটিং অনুশীলন করেছে বলে রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরাও ব্যাটিং অনুশীলন করা প্রতিজ্ঞা করেছিল।

শেষ পর্যন্ত অলআউট হয়েছে রাজশাহী। অলআউট হওয়ার আগে রান করেছে ৪১৫। যদিও প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রামের চেয়ে তাদের রান ছিল ১৭ কম। কিন্তু ততক্ষণে ম্যাচের ফল হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ। কারণ, দিনের সময় খুব বেশি বাকি ছিল না। শেষ দিকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১ ওভার খেলেছে চট্টগ্রাম।

প্রথম ইনিংসে রাজশাহীর হয়ে দারুণ ব্যাটিং করেছেন জহুরুল ইসলাম অমি। ৭৯ রান করেন তিনি। ৭৭ রান করেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। ৬০ রান করে আউট হন ফরহাদ হোসেন। এছাড়া ৩৬ রান করেন মায়শুকুর রহমান, ২৯ রান করেন ফরহাদ রেজা।

ফুটবল

কাতারকে হারানোর প্রতিজ্ঞা করেই নেমেছিলেন ফাহিম-দীপকরা

বিমান বন্দর থেকে কিশোর ফুটবলারদের বহনকারী বাসটি বাফুফে ভবনের পেছনের ফটকের সামনে আসতেই গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়। সবার আগ্রহে ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও দীপক রায়। তাদের গোলেই তো রোববার দোহায় ইতিহাস রচিত হয়েছে। যে কোনো পর্যায়ের ফুটবলে কাতারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ফুল আর মিষ্টি নিয়ে তখন ভবনে ঢোকার প্রধান দরজায় দাঁড়িয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ। ফাহিম, দীপকরা একজন একজন করে বাফুফে ভবনে প্রবেশ করছেন এবং আবু নাঈম সোহাগ তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন রজনী গন্ধার তোড়া, মুখে তুলে দিচ্ছেন মিষ্টি। হেড অব ডেলিগেশন হয়ে কাতার ভ্রমণ করে আসা ফজলুর রহমান বাবুলও তখন ব্যস্ত। খেলোয়াড়দের মিষ্টি খাওয়ালেন, নিজেও খেলেন। তিনি খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করলেন, নাকি নিজে সংবর্ধিত হলেন বোঝা গেলো না।

ভবনে প্রবেশ করেই মিডিয়ার সামনে হাস্যজ্জ্বল দুই গোলদাতা ফাহিম ও দীপক। তাদের ঝুলিতে কী জাদু ছিল তা জানার আগ্রহই বেশি ছিল মিডয়ার। প্রথম গোলদাতা দীপক রায় মনে করেন ‘২০২২ সালে যে দেশে বিশ্বকাপ হবে সেই দেশে গিয়ে ম্যাচ খেলাটা বিশাল ব্যাপার। ওখানে শক্ত দলের সঙ্গে খেলেছি। তারপরও আমাদের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পেরেছি। প্রমাণ করেছি, আমরাও পারি।’

সাফল্যের পেছনে বড় কারণ হিসেবে তিনি দেখছেন তাদের প্রতিজ্ঞা, পরিশ্রম ও ফেডারেশনের ভূমিকাকে, ‘আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি। ফেডারেশনও আমাদের প্রতি নজর রেখেছিল। তাই এই ফলাফলটা ভালো করতে পেরেছি। ইয়েমেনের সঙ্গে লড়াই করে হারের পর মনে হয়েছিল কাতারকে হারাতে পারবো। আমরা তাই প্রতিজ্ঞা করে নেমেছিলাম কাতারকে হারাবোই।’

দ্বিতীয় গোলদাতা ফাহিম বলেছেন, ‘প্রথম থেকেই খেয়াল করেছিলাম ওদের গোলরক্ষক বারবার এগিয়ে আসে। বলটা যখন পেলাম তখন সেটাই আমার মাথায় ছিল। গোলরক্ষক এগিয়ে আসবে সে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। সুযোগ পেয়েই কাজে লাগিয়েছি।’

দোহায় প্রবাসী বাঙ্গালি দর্শকদের প্রশংসা করেছেন ফাহিম, ‘আমার ভালো লাগছে দোহায় বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য। প্রথম ম্যাচে হারার পরও দ্বিতীয় ম্যাচে আরো দর্শক এসেছিল মাঠে। সারাক্ষণ তারা গ্যালারি থেকে আমাদের উৎসাহ দিয়েছেন। ওদের সমর্থন দেখে মনে মনে ভাবলাম শেষ ম্যাচ জিততেই হবে।’

আপনি গোল করে ব্যবধান বাড়িয়েছেন। দীপক তার আগে করেছেন প্রথম গোল। দুই জনের গোলই গুরুত্বপূর্ণ। তো গোলের পর আপনার অনুভূতিই কেমন ছিল? ম্যাচের পর পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছিলন কি না? ‘না, ম্যাচের পর কারো সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। সে সুযোগও ছিল না। দেশে এসে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি’- বলছিলেন স্ট্রাইকার ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।


ভিডিও
ICC #WT20 England Women vs Bangladesh Women Match Highlights
New Zealand vs Bangladesh world T 20 2016 Highlights HD
More Video
ফেইসবুক

হ্যান্ডবল
গলফ
দাবা
হকি
লন-টেনিস
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্