দুপুর ২:০৪, রবিবার, ২২শে জানুয়ারি, ২০১৭ ইং

এক নজরে

কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে নেইমারের দেওয়া একমাত্র গোলে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে স্বস্তির জয় পেয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। তবে এই জয়ে রাতে হলুদ কার্ড পেতে হয়েছিলো নেইমারকে। এবার সেই হলুদ কার্ডের বিপক্ষে আপিল করেছে বার্সেলোনা।

ম্যাচটিতে নেইমারকে ডাইভ দেওয়ার অভিযোগে হলুদ কার্ড দেওয়া হয় বলে জানা যায়। ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের ৬২ মিনিটে। এই সময় বল নিয়ে সোসিয়েদাদের ডি বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন লুইস সুয়ারেজ। আর সুয়ারেজের পাস দেয়া বল নেইমার দ্রুত তার দখলে নিতে এগিয়ে আসেন।

সেই সঙ্গে  সোসিয়েদাদের গোলরক্ষকও এগিয়ে আসেন। আর তখন পড়ে যায় নেইমার। আর রেফারির মনে হয়েছিল নেইমার ইচ্ছা করে ডাইভ দিয়েছেন পেনাল্টি পাওয়ার জন্য। আর তখন তিনি পেনাল্টি না দিয়ে বিপরীতে নেইমারকে হলুদ কার্ড দেখান।

অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে পরে বেশ সমালোচনাও হয়। বার্সার দাবি নেইমার ইচ্ছে করে ডাইভ দেয়নি। হঠাৎ ডান পায়ের সঙ্গে হাত লেগে পড়ে যায়। তাই বার্সেলোনা নেইমারের হলুদ কার্ডের বিপক্ষে আপিল করেছে। তার হলুদ কার্ডের বিষয়টি স্পেনের কম্পিটিশন কমিটির কাছে তুলে ধরেছে তারা। সে সঙ্গে তারা তাদের সকল প্রমাণ জমা দিয়েছে।

এগিয়ে থেকেই দিন শেষ করলো বাংলাদেশ

সকালটা ছিল ঝলমলে রোদ। দুপুর থেকেই আকাশ মেঘলা। বিকেলে টুপটাপ বৃষ্টি। শরীর জমিয়ে দেওয়া হিম বাতাস; ‘টিপিক্যাল’ নিউ জিল্যান্ড আবহাওয়া। কিন্তু হ্যাগলি ওভালে তখন শুধুই বাংলাদেশ! ২২ গজে চলছে সাকিব-রাজত্ব। কে বলবে, কন্ডিশন বিরুদ্ধ আর উইকেট সিমিং ও বাউন্সি! যেন বাংলাদেশেরই আপন আঙিনা।

তিন পেসার আগুন ঝরালেন দিনভরই। বিবর্ণ প্রথম স্পেলের পর মেহেদী হাসানও মিরাজও উজ্জল। বোলাদের এমন দিনেই কিনা প্রায় উধাও হয়ে ছিলেন সাকিব আল হাসান। শেষ বিকেলে হয়তো ভাবলেন, এবার কিছু না করলেই নয়!

ক্রাইস্টচার্চের আকাশের কান্না যখন শুরু; সাকিবের হাত ধরেও এল ছোটখাটো উইকেট বৃষ্টি। ৯ বলের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে এলোমেলো করে দিলেন কিউই ব্যাটিং। বিকেল পর্যন্ত সমতায় থাকা দিনটি হয়ে গেল শুধুই বাংলাদেশের।

বৃষ্টির বেগ বাড়ায় থামল বাংলাদেশের ছন্দ। নিউ জিল্যান্ড তখন ৭ উইকেটে ২৬০। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে পিছিয়ে ২৯ রান। ১৯ ওভার আগে শেষ হয়েছে দিনের খেলা।

দিনটি বাংলাদেশের, সাক্ষী স্কোরকার্ড। তবে স্কোর তো আর সবসময়ই বলতে পারে না পুরোটা! এদিনও যেমন স্কোরকার্ডে লেখা নেই, ভালো দিনটি হতে পারতো অসাধারণ, যদি না পড়তো একের পর এক ক্যাচ। যদি না ভুল করতেন আম্পায়ারও। কে জানে, হয়ত বেশ একটা লিড নিয়ে দ্বিতীয় দিনেই বাংলাদেশ শুরু করতে পারত দ্বিতীয় ইনিংস।

সাকিব ঝলকের আগে দিনজুড়ে আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশের তিন পেসার। এখানেও বোলিং ফিগার বলছে না পুরোটা। বলছে না বাংলাদেশের তিন পেসারই কতটা ভুগিয়েছেন কিউই ব্যাটসম্যানদের।

অসাধারণ প্রথম স্পেলে দিনের সুরটা বেঁধে দিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। ৭ ওভারের প্রথম স্পেলে ২৫ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। কিন্তু ভাগ্যকে একটু পাশে পেলে পেতে পারতেন গোটা দুই-তিন উইকেট।

আরেকপাশে আবার শুরু মিরাজের স্পিনে এবং যথারীতি ক্যাচ মিস। জিত রাভাল ২ রানে বেঁচে যান স্লিপে মাহমুদউল্লাহর হাতে। ১২ রানে বেঁচে যান আরও দুবার। একবার হতে পারতেন রান আউট। পরে স্লিপে সহজ ক্যাচ হাতছাড়া সাব্বিরের।

তাসকিনের দারুণ বোলিং দেখেও আরেকপাশে মিরাজকে চালিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তোলা যায়। কামরুল ইসলাম রাব্বি এসেই সেটি পুষিয়ে দিয়েছেন বটে, আবার প্রশ্নটিও উচ্চকিত করেছেন।

তিন বার বেঁচে গিয়েও রাভাল ফিরেছেন ১৬ রানে। কামরুল আগের ম্যাচে নিজের প্রথম বলেই নিয়েছিলেন উইকেট। এবার দ্বিতীয় বলে। এক বল বেশি লাগল বলেই কিনা, পুষিয়ে দিলেন জোড়া শিকারে। দ্বিতীয়টি আবার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত শিকার। অফ স্টাম্পে পিচ করে বেরিয়ে যাওয়া নিখুঁত আউট সুইঙ্গারে বিদায় কেন উইলিয়ামসন।

১ রানে রস টেইলরকেও ফেরাতে পারতেন কামরুল। ক্যাচ ছেড়েছেন সেই মাহমুদউল্লাহ। রুবেল উইকেট না পেলেও বল করছিলেন দারুণ। ততক্ষণে থিতু হওয়া টম ল্যাথামকে নাড়িয়ে দেন বাউন্সারে বল হেলমেটের গ্রিলে লাগিয়ে।

ল্যাথাম ও টেইলর মিলে তবু কাটিয়ে দেন প্রথম সেশনের বাকিটা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে একটু যেন কমলো বোলিংয়ের ধার। তাতে আলগা কিউইদের ফাঁস। তৃতীয় উইকেটে ল্যাথাম ও টেইলরের ১০৬ রানে জুটি।

উইকেট নেওয়ার মত অসংখ্য সুযোগ সৃষ্টি করেও না পাওয়া তাসকিন শেষ পর্যন্ত পেলেন আপাত নিরীহ এক বলে। অফ স্টাস্পের বাইরে কাট করতে গিয়ে একটু বাড়তি লাফানো বলে ৬৮ রানে আউট ল্যাথাম।

শুরুতে জীবন পাওয়া টেইলর আবার ৭৫ রানে বেঁচে যান মিরাজের বলে কামরুলকে ক্যাচ দিয়ে। তৃতীয় কিউই ব্যাটসম্যান হিসেবে পূর্ণ করেন ৬ হজার টেস্ট রান। তবে মার্টিন ক্রোর ১৭ সেঞ্চুরি ছোঁয়া হয়নি এদিনও। সেই মিরাজই ফিরিয়েছেন তাকে ৭৭ রানে।

থিতু দুই ব্যাটসম্যানকে হারানোর ধাক্কাও কিউইরা সামলে উঠেছিল হেনরি নিকোলস ও মিচেল স্যান্টনারের জুটিতে। বেশ কবার আউট হতে হতেও বেঁচে গিয়ে দুজন গড়েন ৭৫ রানের জুটি। মনে হচ্ছিলো ভালোভাবেই লিড নিয়ে নেবে নিউ জিল্যান্ড। তখনই দৃশ্যপটে সাকিব। আর তিনি নায়কের ভূমিকায় মানে রাজত্বও বাংলাদেশের!

প্রথম স্পেলে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য। দিন শেষে ৩২ রানে ৩ উইকেট! চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটাররা বুঝি এমনই। গোটা দিনটা নিজের করে নিতে লাগে মাত্র কয়েকটি মুহূর্ত!

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৮৯

নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৭১ ওভারে ২৬০/৭ (রাভাল ১৬, লাথাম ৬৮, উইলিয়ামসন ২, টেইলর ৭৭, নিকোলস ৫৬*, স্যান্টনার ২৯, ওয়াটলিং ১, ডি গ্র্যান্ডহোম ০, সাউদি ৪*; তাসকিন ১/৬৪, মিরাজ ১/৫১, রুবেল ০/৫৪, কামরুল ২/৪৮, সাকিব ৩/৩২, সৌম্য ০/১০)

ক্রিকেট

রাব্বির জোড়া আঘাত

কামরুল ইসলাম রাব্বির দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। ক্যাচ মিসের মহড়ায় শনিবার নিজেদের প্রথম ইনিংসের শুরুটা দারুণ করেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে ১৫তম ওভারে জোড়া আঘাত হেনে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে টাইগাররা।

ইনিংসের ১৫তম ওভারে বল হাতে নেন রাব্বির। দ্বিতীয় বলেই রাভালকে ফেরান তিনি। রাব্বির করা খাটো লেন্থের বলটি পুল করতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে ব্যাটের কানায় লেগে বোল্ড হয়ে যান রাভাল।

এরপর এক বল পড়ে কিউই শিবিরে আবারও বড় আঘাত হানেন রাব্বি। দলের সেরা ব্যাটসম্যান অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহানের তালুবন্দি করেন তিনি।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৪৮ রান। ২৯ রান নিয়ে ব্যাটিং করছেন প্রথম টেস্টের ম্যান অব দ্যা ম্যাচ টম লাথাম। আর নতুন ব্যাটসম্যান রস টেইলর ব্যাটিং করছেন ০ রানে।

তবে এদিন শুরুতেই কিউইদের চাপে ফেলতে পারতো বাংলাদেশ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই রাভালের ক্যাচ মিস করেন মাহমুদউল্লাহ। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে দ্বিতীয় স্লিপে সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

এরপর ১১তম ওভারে তাসকিনের বলে একই জায়গায় আবার জীবন পান রাভাল। তবে এবার ছেড়েছেন দেশসেরা ফিল্ডার সাব্বির রহমান। আর টাইগারদের ক্যাচ মিসের মহড়ার ফলে ভালো সূচনা পেয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।

ফুটবল

নেইমারের হলুদ কার্ডের বিপক্ষে বার্সার আপিল

কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে নেইমারের দেওয়া একমাত্র গোলে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে স্বস্তির জয় পেয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। তবে এই জয়ে রাতে হলুদ কার্ড পেতে হয়েছিলো নেইমারকে। এবার সেই হলুদ কার্ডের বিপক্ষে আপিল করেছে বার্সেলোনা।

ম্যাচটিতে নেইমারকে ডাইভ দেওয়ার অভিযোগে হলুদ কার্ড দেওয়া হয় বলে জানা যায়। ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের ৬২ মিনিটে। এই সময় বল নিয়ে সোসিয়েদাদের ডি বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন লুইস সুয়ারেজ। আর সুয়ারেজের পাস দেয়া বল নেইমার দ্রুত তার দখলে নিতে এগিয়ে আসেন।

সেই সঙ্গে  সোসিয়েদাদের গোলরক্ষকও এগিয়ে আসেন। আর তখন পড়ে যায় নেইমার। আর রেফারির মনে হয়েছিল নেইমার ইচ্ছা করে ডাইভ দিয়েছেন পেনাল্টি পাওয়ার জন্য। আর তখন তিনি পেনাল্টি না দিয়ে বিপরীতে নেইমারকে হলুদ কার্ড দেখান।

অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে পরে বেশ সমালোচনাও হয়। বার্সার দাবি নেইমার ইচ্ছে করে ডাইভ দেয়নি। হঠাৎ ডান পায়ের সঙ্গে হাত লেগে পড়ে যায়। তাই বার্সেলোনা নেইমারের হলুদ কার্ডের বিপক্ষে আপিল করেছে। তার হলুদ কার্ডের বিষয়টি স্পেনের কম্পিটিশন কমিটির কাছে তুলে ধরেছে তারা। সে সঙ্গে তারা তাদের সকল প্রমাণ জমা দিয়েছে।

ফেইসবুক

গলফ
দাবা
লন-টেনিস
হকি
হ্যান্ডবল
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্