ঢাকাFriday , 17 April 2026
  1. NSC
  2. world cup cricket t20
  3. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  4. অ্যাথলেটিক
  5. আইপিএল
  6. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আরচারি
  9. এশিয়া কাপ
  10. এশিয়ান গেমস
  11. এসএ গেমস
  12. কমন ওয়েলথ গেমস
  13. কাবাডি
  14. কুস্তি
  15. ক্রিকেট

মাঠে জাতীয় সংগীত বাজলে প্রতিপক্ষ চীন না কোরিয়া মাথায় থাকে না: আফঈদা

BDKL DESK
April 17, 2026 8:15 pm
Link Copied!

চলতি বছর ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপ এবং এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে অংশ নেয় বাংলাদেশ। দুই দলেই নেতৃত্বের দায়িত্বে ছিলেন ডিফেন্ডার আফঈদা খন্দকার। সাফ চ্যাম্পিয়ন থেকে এশিয়ার বড় মঞ্চে বাংলাদেশের যাত্রা, অভিজ্ঞতা এবং শেখার দিকগুলো নিয়ে একান্ত আলাপে কথা বলেন তিনি।

আফঈদা জানান, এশিয়ান মঞ্চে খেলাটা সাফের চেয়ে একেবারেই আলাদা অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমবার এশিয়ান কাপে খেলেছি। সাফে আমরা অনেক বছর ধরে খেলছি, কিন্তু এশিয়ার মঞ্চে এসে বুঝেছি দলগুলোর ট্যাকটিকস, টেকনিকস একদম ভিন্ন। চীন, উত্তর কোরিয়া, উজবেকিস্তান, আবার অনূর্ধ্ব-২০ এ থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম; সব দলের বিপক্ষেই আমার খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে। ওদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি আছে।’

চীনের খেলাকে বিশেষভাবে আলাদা করে দেখেন আফঈদা। তার ভাষায়, ‘চীন খুব পরিকল্পনা করে খেলে। ওরা ম্যাচে একেক সময় একেক ফরমেশন ব্যবহার করে, খেলার ধরণ বদলায়। এগুলো দেখে আমরা অনেক কিছু শিখেছি।’

তবে মাঠে নামার সময় প্রতিপক্ষের বড় নাম বা অর্জন আর মাথায় থাকে না বলে জানান এই ডিফেন্ডার। বিশেষ এবার বেশ কিছু বড় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলেছে বাংলাদেশ। যাদের অনেকেই নিয়মিত বিশ্বকাপে খেলছে।

আফঈদা বলেন, ‘মাঠে নামার আগে চিন্তা ছিল ওরা বিশ্বকাপ খেলে, অনেক বড় দল। বিশেষ করে চীন, যারা এশিয়ান কাপে ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু যখন মাঠে নামি, জাতীয় সংগীত বাজে, তখন আর প্রতিপক্ষ মাথায় থাকে না। তখন শুধু ভাবনায় থাকে দেশের জন্য খেলতে হবে, ভালো কিছু করতে হবে, জিততে হবে।’

বড়দের কিংবা অনূর্ধ্ব-২০, এশিয়ান কাপের দুই আসরে গ্রুপপর্বে তিনটি করে ছয়টি ম্যাচ খেললেও কোনোটিই জিততে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে অনূর্ধ্ব-২০ আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ের খুব কাছাকাছি ছিল লাল সবুজরা। স্বাগতিক থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ৬৮ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল পিটার বাটলারের শিষ্যরা। কিন্তু মুহূর্তের ভুলে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ৩-২ ব্যবধানে হেরে যায় মেয়েরা।

জয়ের খুব কাছাকাছি থেকেও হাত থেকে ম্যাচ ফসকে যাওয়ার ব্যাখ্যা নিয়ে আফঈদা বলেন, ‘সাফে আমরা লিড নিলে সাধারণত ম্যাচ শেষ করি, কিন্তু এশিয়ান পর্যায়ে সেকেন্ডের মধ্যে খেলা বদলে যায়।’

তার মতে, এশিয়ান মঞ্চে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো মনোযোগ ধরে রাখা। তিনি বলেন, ‘একটা ভুলেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। যখন মনোযোগ নষ্ট হয় বা ভুল নিয়ে বেশি চিন্তা করি, তখনই বেশি ভুল হয়। তাই মানসিকভাবে আরও শক্ত হতে হবে।’
এশিয়ান আসর থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতাকে ভবিষ্যতের জন্য বড় সম্পদ হিসেবে দেখছেন আফঈদা খন্দকার। তার বিশ্বাস, এই লড়াই ও শেখার পথই বাংলাদেশ নারী ফুটবলকে আরও এগিয়ে নেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে।

 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।