ঢাকাMonday , 20 April 2026
  1. NSC
  2. world cup cricket t20
  3. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  4. অ্যাথলেটিক
  5. আইপিএল
  6. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আরচারি
  9. এশিয়া কাপ
  10. এশিয়ান গেমস
  11. এসএ গেমস
  12. কমন ওয়েলথ গেমস
  13. কাবাডি
  14. কুস্তি
  15. ক্রিকেট

নাহিদের গতির পর তানজিদের ব্যাটে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ

BDKL DESK
April 20, 2026 7:18 pm
Link Copied!

প্রবল চাপেই ছিল বাংলাদেশ। হারলেই এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হারতে হতো।
এমন পরিস্থিতিতে মাঠে নেমে টস হেরে শুরুতেই কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায় স্বাগতিকরা। তবুও নাহিদ রানার গতিময় বোলিংয়ে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ।
তার গতির সামনে টিকতে না পেরে নিউজিল্যান্ড অলআউট হয় ১৯৮ রানে। এরপর মিরপুরে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তানজিদ হাসান তামিম।
তার ইনিংসেই ৮৭ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। এই জয়ে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটি অলিখিত ফাইনালে রূপ নিয়েছে।

কিউইদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটির গুরুত্ব ছিল অনেক। শুধু সিরিজ জয়ের জন্যই নয়, ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার লক্ষ্যে এই জয়ও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড।

শুরুতেই দারুণ ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ। ২৮ রানের মধ্যে নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম মিলে দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলে নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় উইকেটে টম ল্যাথাম ও নিক কেলি যোগ করেন ২৪ রান। এরপর চতুর্থ উইকেটে কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন।

তবে এই জুটি বড় হওয়ার আগেই ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। সেঞ্চুরির পথে এগোচ্ছিলেন কেলি, কিন্তু ১৭ রান দূরে থাকতে আউট হন তিনি। যদিও ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক তুলে নেন এই ব্যাটার। ১০২ বলে ১৪টি চারে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি, যার ওপর ভর করেই ১৯৮ রান তোলে নিউজিল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডকে এই সংগ্রহে থামানোর মূল কৃতিত্ব নাহিদ রানার। আগের ম্যাচে যেখানে ১০ ওভারে ৬৫ রান দিয়ে নিয়েছিলেন মাত্র ১ উইকেট, সেখানে এবার ছিলেন একেবারে ভিন্ন রূপে। শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখেন। পুরো ইনিংসজুড়ে রান তোলার গতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন তিনি।

তার পাঁচ উইকেটই আসে দুর্দান্ত গতিতে—১৪৪.৭, ১৪৬.৮, ১৪৬.১, ১৪৪.১ ও ১৪১.৬ কিলোমিটার গতির ডেলিভারিতে। ১০ ওভারে ৩২ রান খরচ করে তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার। এর আগে পাকিস্তান সিরিজেও পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

নাহিদ ছাড়াও শরিফুল ইসলাম নেন ২টি উইকেট। সৌম্য সরকার, তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ হোসেন নেন একটি করে উইকেট।

১৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় রান দুই অঙ্কে পৌঁছানোর আগেই আউট হন সাইফ হাসান। এরপর সৌম্য সরকারও হতাশ করেন। ১১ বলে ৮ রান করে ফেরেন তিনি। তখন দলের রান ২১।

এরপরই শুরু হয় তানজিদের ঝড়। কিছুটা অনিশ্চিত উইকেটে ৫৮ বলে ৭৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তার সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১১০ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। এই জুটিতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে আসে বাংলাদেশের হাতে।

লং-অফে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তানজিদ। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ১০ চার ও ৪ ছক্কায়।

এরপর দ্রুত আউট হন লিটন দাস। নিজের শততম ওয়ানডেতে ১১ বলে ৭ রান করেন তিনি। পরে অর্ধশতক পূরণের পর অবসর নেন শান্ত। মিডউইকেটে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে কিছুটা খোঁড়াতে দেখা যায় তাকে। ৭১ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫০ রান করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করতে আর বেগ পেতে হয়নি বাংলাদেশকে। যদিও মেহেদী হাসান মিরাজের ধীরগতির ব্যাটিংয়ে জয় কিছুটা বিলম্বিত হয়। তিনি ২৫ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে তাওহীদ হৃদয় ৩১ বলে ৫ ছক্কায় ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।