নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে একাধিক বাংলাদেশি ক্রিকেটার আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন। ওয়ানডেতে এগিয়েছেন শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। টি-টোয়েন্টিতে তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) হালনাগাদ করা বোলারদের ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা সর্বোচ্চ ১৬, ফিজ ১৪ ও শরিফুল ১১ ধাপ এগিয়েছেন। যদিও ক্রম অনুযায়ী সবার আগে শরিফুল (২৮তম স্থানে), এরপর ফিজ (৪১তম) ও নাহিদ (৪৮তম)। নিউজিল্যান্ডের উইল ও’রুর্ক ২১ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ৫১ নম্বরে।
বাংলাদেশে, বিশেষ করে মিরপুরে স্পিনাররাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন। গত দুই সিরিজ ধরে চিত্র বদলেছে। পাকিস্তান সিরিজের পর নিউজিল্যান্ড সিরিজেও পেসাররাই মূল প্রভাবক হিসেবে কাজ করছেন। কিউইদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে নাহিদ-ফিজ-শরিফুল ত্রয়ী মোট ১৮ উইকেট নিয়েছিলেন। ফাইফারসহ ৮ উইকেট নিয়ে নাহিদ তো হয়েছেন সিরিজসেরাই।
২-১ ব্যবধানে জেতা ওয়ানডে সিরিজে শান্ত একটি সেঞ্চুরি ও একটি ফিফটি করেছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচে ৫০ ও তৃতীয় ম্যাচে ১০৫ রান করার সুবাদে ১১ ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৩২-এ উঠেছেন তিনি। তিন ম্যাচে ১২৯ রান করা লিটন ১৫ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ৬৫ নম্বরে। তবে ৯৬ নম্বরে নামা সাইফ হাসানের ৭ ও ৪৩ নম্বরে নামা তানজিদ হাসানের ৩ ধাপ অবনতি হয়েছে।
কিউইদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটের জয়টা টাইগারদের দেশের মাটিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ড। মিডলঅর্ডারের ব্যাটারদের ঝড়ের কল্যাণে শেষ ১০ ওভারে টাইগাররা তুলেছিল ১০৫ রান। এর অন্যতম কুশীলব তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। হৃদয় ২৭ বলে ৫১ রনে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। ইমন চার নম্বরে নেমে ১৪ বলে তুলেছিলেন ২৮ রান। ব্যাটারদের টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এই দুজনের স্থান আগে-পরে, ৯ ধাপ এগোনো হৃদয় উঠেছেন ৩৯-এ, ৩ ধাপ এগোনো ইমন ৪০-এ।
শেখ মেহেদী এই ম্যাচে ৩১ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়েছিলেন। বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগিয়ে ১৮ নম্বরে এসেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
