ঢাকাFriday , 9 January 2026
  1. world cup cricket t20
  2. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  3. অ্যাথলেটিক
  4. আইপিএল
  5. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরচারি
  8. এশিয়া কাপ
  9. এশিয়ান গেমস
  10. এসএ গেমস
  11. কমন ওয়েলথ গেমস
  12. কাবাডি
  13. কুস্তি
  14. ক্রিকেট
  15. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে শেষ বলে রাজশাহীকে কাঁদিয়ে চট্টগ্রামের জয়

BDKL DESK
January 9, 2026 6:39 pm
Link Copied!

মাত্র ১২৯ রানের লক্ষ্য। এই রান তাড়া করতে নেমেও ঘাম ছুটে গেছে চট্টগ্রাম রয়্যালসের। শেষ ওভারে ১০ রানের সমীকরণ মেলাতে শেষ বলে ২ রান দরকার হয় রয়্যালসের। রোমাঞ্চকর সেই ম্যাচে হাসান নওয়াজ দুই রান সংগ্রহ করে ২ উইকেটের জয় এনে দিলেন চট্টগ্রাম রয়্যালসকে।

শেষ ওভার করতে আসা এসএম মেহেরবের প্রথম দুই বলে দুইবার করে প্রান্ত বদল করে ৪ রান নেন হাসান নওয়াজ। তৃতীয় বলে মারেন ৪। জয়ের জন্য ৩ বলে দরকার ২। কিন্তু পরের দুই বল ডট দিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন মেহেরব। কিন্তু ম্যাচ শেষ পর্যন্ত আর বাঁচাতে পারেননি। শেষ বলে হাসান নওয়াজ লন অফে ঠেলে দিয়ে দ্রুত দুইবার প্রান্ত বদল করে ২ উইকেটের জয় এনে দেন চট্টগ্রামকে। ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এর আগে বোলিংয়ে ১৩ রানে শিকার করেছেন ১ উইকেট। ফলে হয়েছেন ম্যাচসেরাও।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহীর ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে চট্টগ্রাম।

অ্যাডাম রসিংটন (১৭), জয় (৪), নাইম (৭) ও সাদমান (০) সাজঘরে ফিরলে লক্ষ্য তাড়া করা কঠিন হয়ে যায় চট্টগ্রামের জন্য। এই ৪ উইকেটের দুটি করে শিকার করেন এস এম মেহেরব ও বিনুরা ফার্নান্দো।

৪০ রানের জুটি গড়ে কিছুটা চাপ সামাল দেন ম্যাচের নায়ক হাসান নওয়াজ ও অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। কিন্তু ম্যাচ কাছাকাছি নিতে পারেননি। সন্দিপ লামিচানের বলে ২৮ রান করে মাহেদি বোল্ড হলে ৬৮ রানে ৫ উইকেট হারায় রয়্যালস। জুটির অধিকাংশ রানই করেন মাহেদি।

এরপর আরেকটি জুটি গড়েন হাসান নওয়াজ। ৩৫ রানের সেই জুটিতে তার সঙ্গী হন আসিফ আলী। কিন্তু বিনুরার তৃতীয় শিকারে পরিণত হন ২৫ বলে ২৭ রান করা আসিফ। জুটির বেশিরভাগ রান তিনিই করেন। চট্টগ্রামের বোর্ডে তখন ৬ উইকেটে ১০৩।

১১৬ ও ১১৯ রানে আমের জামাল ৮ ও ১ রান করে আবু হায়দার বিদায় নিলে ৮ উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে রাজশাহী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। ২ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম।

রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন বিনুরা ফার্নান্দো। দুটি এসএম মেহেরব ও একটি করে রিপন, তানজিম ও লামিচানে।

এর আগে, টানা তিন জয়ে ভালো সময় পার করা রাজশাহী দাঁড়াতে পারেনি চট্টগ্রামের বোলারদের সামনে। পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে তাদের সংগ্রহ মাত্র ১২৮ রান।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। তার সিদ্ধান্ত যথার্থ প্রমাণ করেন দলের বোলাররা।

তানজিদ হাসান তামিম ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের ২১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তানভীর ইসলাম। ১৯ রান করা ওয়াসিম হন বোল্ড। তিনে নামা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭ রান করে হাসান নওয়াজের বলে ক্যাচ দেন আমের জামালের হাতে। ৩৩ রানে ২ উইকেট হারায় রাজশাহী।

ওপেনার তানজিদ তামিম মাত্র ৫ রান করে আমের জামালের শিকার হলে ৪৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ওয়ারিয়র্স। সেই বিপদ আরও বাড়ে ১৫ রান করা মুশফিককেও আমের জামাল এবং ১১ রানে রায়ান বার্লকে চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান বিদায় করলে ৭২ রানে তারা হারায় ৫ উইকেট।

রাইজিং এশিয়া কাপে এসএম মেহেরব দ্যুতি ছড়ালেও রাজশাহীর হাল ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাকে ফেরান তানভীর। ১৯ রান করেন তিনি। ৯১ রানে ৬ উইকেট হারানো শান্তর দলের তখন বড় স্কোর অসম্ভব হয়ে পড়ে।

আমের জামাল আবারও তুলে নেন উইকেট। আকবর আলী ১৭ রানে ফিরলে ১০৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রানের সম্ভাবনাও ফিকে হয়ে যায়। দলের বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই ফেরেন রিপন মন্ডলও। ১ রান করেন তিনি। তাকে ফিরিয়ে নিজের প্রথম উইকেট তুলে নেন শরিফুল ইসলাম।

৫ রান করে সন্দিপ লামিচানে। ১২৩ রানে ৯ উইকেট হারানো রাজশাহী শেষ পর্যন্ত ১২৮ রান করতে সমর্থ হয় পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করে। ১৪ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন তানজিম হাসান সাকিব।
চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট আমের জামাল পেয়েছেন। সমান দুটি শরিফুল ও তানভীর। একটি করে পান মাহেদি ও নওয়াজ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।