বিপিএলে নিজের প্রথম আসর খেলতে এসেই নজর কেড়েছেন ইংলিশ তরুণ ইথান ব্রুকস। বিশেষ করে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে বাউন্ডারি লাইনে তার নেয়া চোখ ধাঁধানো ক্যাচটি এখন টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সতীর্থের এমন ফিল্ডিং নৈপুণ্যে মুগ্ধ সিলেট টাইটান্সের ম্যাচসেরা তারকা মঈন আলি।
মঈন আলির বলে ছক্কা হাঁকাতে চেয়েছিলেন শামীম পাটোয়ারী। কিন্তু বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে থাকা ব্রুকস শরীরী ভারসাম্যের দারুণ প্রদর্শনীতে বলটি তালুবন্দি করেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মঈন বলেন,‘ব্রুকসের ক্যাচটি ছিল এককথায় দুর্দান্ত। মাঠের ওই জায়গায় একমাত্র ওর পক্ষেই হয়তো এমন ক্যাচ ধরা সম্ভব ছিল। সে অনেক প্রতিভাবান একজন ক্রিকেটার। এটিই তার প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট এবং সে প্রমাণ করেছে যে সে বড় মঞ্চে পারফর্ম করার ক্ষমতা রাখে।’ একজন ইংলিশ ক্রিকেটার হিসেবে ব্রুকসের এই সাফল্যে তিনি গর্বিত বলেও জানান।
ইথান ব্রুকসকে বিপিএলে নিয়ে আসার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল মঈন আলির। তিনি জানান, ব্রুকস ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে নিয়মিত ভালো খেলছেন এবং অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেন। মঈন বলেন,‘সিলেট যখন তার ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, আমি সানন্দে সুপারিশ করেছি। সে হয়তো অনেক বড় নাম নয়, কিন্তু সে অসাধারণ একজন কার্যকরী খেলোয়াড়। আমি আগেও তাকে নেপাল লিগে পাঠানোর চেষ্টা করেছি। আমার ভাই (কোচ) ওকে খুব কাছ থেকে দেখেছে এবং ওর মাঝে দারুণ সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছে।’
বাংলাদেশের স্পিন-সহায়ক উইকেটে মানিয়ে নেয়া বিদেশি ব্যাটারদের জন্য সবসময় চ্যালেঞ্জিং। তবে ব্রুকস সেই চ্যালেঞ্জ ভালোভাবেই সামলাচ্ছেন বলে মনে করেন মঈন। তিনি যোগ করেন, “বাংলাদেশের কন্ডিশনে খেলা সহজ নয়, তবে সে নিজেকে প্রমাণ করছে। ব্যাট-বলের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও সে দারুণ।” ব্রুকসের মতো ক্রিকেটাররা ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতেও নিয়মিত সুযোগ পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।
মঈন আলির অলরাউন্ড নৈপুণ্য ও ইথান ব্রুকসের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের ওপর ভর করেই ঢাকা ক্যাপিটালসকে ২০ রানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে উঠে এসেছে সিলেট টাইটান্স।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
