ঢাকাTuesday , 10 February 2026
  1. world cup cricket t20
  2. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  3. অ্যাথলেটিক
  4. আইপিএল
  5. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরচারি
  8. এশিয়া কাপ
  9. এশিয়ান গেমস
  10. এসএ গেমস
  11. কমন ওয়েলথ গেমস
  12. কাবাডি
  13. কুস্তি
  14. ক্রিকেট
  15. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ক্রিকেটে বাংলাদেশের কাছে প্রথম রাজনৈতিক পরাজয় ভারতের

BDKL DESK
February 10, 2026 10:45 pm
Link Copied!

ক্রিকেট সাধারণত ব্যাট-বলের খেলা। কিন্তু উপমহাদেশে এই খেলাটাই বহু বছর ধরে হয়ে উঠেছে শক্তি প্রদর্শনের এক নীরব যুদ্ধক্ষেত্র। এখানে স্কোরবোর্ডের সংখ্যার চেয়ে বড় হয়ে ওঠে রাষ্ট্রীয় অহংকার, জাতীয়তাবাদ আর ক্ষমতার রাজনীতি। এই খেলায় সবচেয়ে দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে ভারত নিজেকে বহু আগেই প্রতিষ্ঠিত করেছে ব্যাট হাতে নয়, প্রভাব খাটিয়ে।

ক্রিকেটকে রাজনৈতিক অস্ত্রে রূপ দেওয়ার অভিযোগ নতুন নয় ভারতের জন্য। কূটনৈতিক টেবিলে যেখানে বারবার ধাক্কা খেয়েছে, সেখানে ক্রিকেটকে সামনে রেখে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করার পথটাই বেছে নিয়েছে দিল্লি। আর সেই পথে এতদিন প্রতিরোধ বলতে কিছুই দেখা যায়নি। কারণ খুব সাধারণ, ক্রিকেট রাজনীতিতে ভারতের বিপক্ষে দাঁড়ানোর সাহস কারও ছিল না।

একাধিক ঘটনাই তার প্রমাণ। কাশ্মীর প্রিমিয়ার লিগে খেলতে চাওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়েছিল, ভারতে আর কাজ করতে দেওয়া হবে না। সেই হুমকিতে টুর্নামেন্ট ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন হার্শেল গিবসের মতো পরিচিত মুখও। মাঠে নয়, মাঠের বাইরেই ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে গেরুয়া জার্সির বিতর্ক। ক্রিকেট ম্যাচকে ধর্মীয় আবেগে মোড়ানোর প্রচেষ্টা। প্রতিপক্ষ শুধু আরেকটা দল নয়, ‘অন্যপক্ষ’ হিসেবে হাজির করার আয়োজন। রাজনীতির খেসারত দিতে হয়েছে খেলোয়াড়দেরও। ফিলিস্তিনের পতাকা হেলমেটে লাগানোয় কাশ্মীরি এক ক্রিকেটারকে মুখোমুখি হতে হয়েছিল পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের। খেলোয়াড়ের অবস্থান, মত বা মানবিক সংহতি সবই এখানে অপরাধ।

সবচেয়ে আলোচিত দৃশ্যটি আসে এশিয়া কাপে। পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মেলানো, এমনকি পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন ভারতের ড্রেসিংরুমে গেলে মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। কূটনৈতিক শিষ্টাচার সেখানে জায়গা পায়নি।

সর্বশেষ বাংলাদেশের মুস্তাফিজকে নিয়ে নাটক টানে ভারতের উগ্রবাদী একটি গোষ্টি। যার কারণ দেখিয়ে, আইপিএল থেকে ফিজকে বাদ দিয়ে থাকে খোদ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। অবশ্য এর কোনো যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেনি তাদের পক্ষ থেকে। এরপর পুরো ঘটনায় যেনো বদলে যায়। বাংলাদেশের নিরপত্তা ইস্যু কয়েক দফায় আইসিসির সঙ্গে বৈঠক। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে থাকে আইসিসি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।