বিসিবির একজন পরিচালক তদন্ত কমিটিতে নির্বাচনে অনিয়মের আদ্যোপান্ত লিখিতভাবে দিয়ে এসেছেন। গত পাঁচ মাস বিসিবিতে কাজ করার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন তিনি। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নেতা নির্বাচনেও নিজের মতামত দিয়েছেন সাক্ষাৎকারে।
ওই পরিচালক গতকাল ফোনে জানান, তদন্ত কমিটিকে নির্বাচনে অনিয়মের পাশাপাশি বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিরুদ্ধে বলেছেন বেশির ভাগ পরিচালক। কেউ যে একেবারে বিসিবির পক্ষে ছিলেন না তেমন নয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) কর্তৃক গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি থেকে ডাক পাওয়া ক্রিকেট কর্মকর্তারা নির্বাচনে অনিয়মের তথ্যপ্রমাণ স্বেচ্ছায় দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তদন্ত কমিটির প্রধান সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান কোনো কিছু খোলাসা করতে চান না। দ্রুত কাজ শেষ করে ব্রিফিং করবেন বলে জানান তিনি।
তদন্ত কমিটির একজন সদস্য নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, ‘আমরা ৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার পরিকল্পনা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিবেদনে কমিটির সদস্যরা মতামত দেবেন না। যেসব তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে, সেগুলো উপস্থাপন করা হবে। কারণ আমাদেরকে বিচার করার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিসিবির কাউন্সিলরদের একাংশ আবেদন করেছিলেন। সে প্রেক্ষাপটে এনএসসি তদন্ত কমিটি গঠন করে।’
স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রধান আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা কাউকে ডাকিনি। কারও সাক্ষাৎকারও নিচ্ছি না। যে যার মতো এসে লিখিত দিচ্ছেন, আমরা সেগুলোকে মেলানোর চেষ্টা করছি। কোনো কিছু হলে আপনাদের জানানো হবে।’
তবে কমিটির অন্য এক সদস্য বলছেন ভিন্ন কথা, ‘বিসিবির নির্বাচনে সম্পৃক্ত সবাইকেই ডাকা হয়েছে এবং হচ্ছে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সঙ্গে একবার যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি বিদেশে থাকায় আলোচনা বেশি দূর এগোয়নি। তাঁর সঙ্গে কথা বলা হবে।’
এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ইভেন্ট নিয়ে সভা শেষ করে গত রাতে জাপান থেকে দেশে ফেরার কথা বিসিবি সভাপতির। ১১ মার্চ পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে এনএসসি। এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এমডি সেলিম ফকির, মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, এ টি এম সাঈদ উজ্জামান ও ব্যারিস্টার সালেহ আকরামকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
