বড় দলগুলোর বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজ হাতেগোনা। সেদেশের মাটি হলে সেটি আরও বিরল ঘটনা। তবে ২০২৬ সালে নিজেদের সেই ঝুলি বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ থাকছে টাইগারদের সামনে। আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে সেদেশে যাচ্ছেন টাইগাররা।
২০২৬ সালের শুরুর দিকটাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ব্যস্ত থাকবেন বিপিএল নিয়ে। ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে শুরু হবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ততা। সেই টুর্নামেন্টে ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও নেপাল। গ্রুপের প্রথম তিন ম্যাচে টাইগাররা খেলবে কলকাতায়, পরেরটি মুম্বাইয়ে।
বিশ্বকাপ শেষ করে মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। পিএসএলের আগে-পরে দুটি টেস্ট, তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দেশ।
এরপর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। আর জুনে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশ আসবে অস্ট্রেলিয়া। জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ে সফরে যাবে বাংলাদেশ। সেখানে দুটি টেস্ট ও পাঁচটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ে থেকে ফিরে আয়ারল্যান্ড সফরে যাবে টাইগাররা। সেখানে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। এরপরই কাঙ্ক্ষিত সেই অস্ট্রেলিয়া সফর। দুই টেস্টের তারিখ ঠিক না হলেও ম্যাচগুলো হবে ম্যাকাই ও ডারউইনে।
অক্টোবরে দেশের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি টেস্ট ম্যাচের সিরিজ বাংলাদেশ। বছর শেষ হবে নভেম্বর-ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর দিয়ে। ওই সফরে দুটি টেস্টের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচও খেলবে দুই দল।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এ বছর খেলবে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে খেলবে ১০ টেস্ট, ২০ ওয়ানডে ও ১২ টি-টোয়েন্টি। যদিও নানা কারণেই সেই সংখ্যায় আসতে পারে পরিবর্তন।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
