ঢাকাMonday , 16 February 2026
  1. world cup cricket t20
  2. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  3. অ্যাথলেটিক
  4. আইপিএল
  5. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরচারি
  8. এশিয়া কাপ
  9. এশিয়ান গেমস
  10. এসএ গেমস
  11. কমন ওয়েলথ গেমস
  12. কাবাডি
  13. কুস্তি
  14. ক্রিকেট
  15. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখলো আফগানিস্তান

BDKL DESK
February 16, 2026 11:06 pm
Link Copied!

লক্ষ্যটা একটু কঠিনই ছিল পরিস্থিতি অনুযায়ী। টিকিয়ে থাকার লড়াইয়ে যেকোনো লক্ষ্যই চাপ সৃষ্টি করে। তবে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ৫ উইকেটে জিতে সুপার এইটের আশা টিকিয়ে রাখলো আফগানিস্তান। দেখা পেলো আসরে দলের প্রথম জয়ের।

বল হাতে ৪ উইকেটে পর ব্যাট হাতে ৪০ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ওমরজাই। আমিরাতের মতো বোর্ডে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ ইনিংসের দ্বিতীয় বলে। তবে ছোট ছোট জুটিতে ম্যাচ জিতে নেয় আফগানরা। ৪০ রানের জুটি গড়েন ইব্রাহিম জাদরান ও গুলবাদিন নাইব। সেই জুটি ভাঙে গুলবাদিনের ১৩ রানে বিদায়ে। দ্বিতীয় উইকেট হারায় আফগানরা। উইকেট নেন আরফান

গুলবেদিনের আউটের পর সেদিকুল্লাহকে নিয়ে আরও ৩০ রান যোগ করেন ইব্রাহিম। ১৩ রানে সেদিকুল্লাহ আউট হলে ৭০ রানে ৩ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। অর্ধশতক করা ইব্রাহিম ৫৩ রান করে বিদায় নিলে ৯৭ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন হয়।

বাকি কাজটুকু সারেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। প্রথমে জুটি গড়েন রাসুলিকে নিয়ে ৪৩ রানের। সেই জুটি ১৪০ রানে ভাঙে রাসুলির ৩৩ রানে বিদায় নিলে। ৫ উইকেট হারানো রশিদের দল এরপর আরকোনো উইকেট হারায়নি। মোহাম্মদ নবিকে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান ওমরজাই। অপরাজিত ছিলেন ২১ বলে ঝোড়ো ৪০ রানের ইনিংস খেলে। দুই চার ও ৩ ছক্কা হাঁকান তিনি। নবি অপরাজিত ছিলেন ৩ রানে।

আমিরাতের হয়ে দুটি করে উইকেট পান জুনায়েদ ও আরফান। একটি উইকেট যায় জাওয়াদউল্লাহর ঝুলিতে।

এর আগে, ম্যাচের শুরুর দিকেই দুই ওপেনারকে হারানোর পরও শক্ত প্রতিরোধ গড়ে আফগানিস্তানকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। শোয়েব খানের অর্ধশতকে দলটির বোর্ডে জমা হয় ৯ উইকেটে ১৬০ রান। আসরে নিজেদের টিকে থাকার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে আফগানদের করতে হতো ১৬১।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে টিকে থাকার লড়াইয়ে টস জিতে আমিরাতকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় আফগানিস্তান। শুরুটা মোটেও মনমতো হয়নি আফগানদের প্রতিপক্ষের। দলের বোর্ডে রান যোগ হওয়ার আগেই আরিয়ানশ শর্মা সাজঘরে ফেরেন আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে। এরপর দলের রান যখন ১৩, তখন অধিনায়ক ওয়াসিম কাটা পড়েন মুজিবের বলে। ১০ রান করেন তিনি।

এই ধাক্কা সামাল দেন আলিশান শারাফু ও অর্ধশতক হাঁকানো শোয়েব খান। দুজনের ৮৪ রানের জুটিতে রানের গতি সচল থাকে। ৩ চার ও দুই ছক্কায় ৩১ বলে ৪০ রান করা শারাফুর বিদায়ে ভাঙে জুটি। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে অর্ধশতক আদায় করার পাশাপাশি দলকে ১৫০ রানের গন্ডি পার করান তিনি। আউট হওয়ার আগে ৪৮ বলে খেলেন ৬৮ রানের ইনিংস। ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান।

নিচের দিকের ব্যাটাররা রান করতে না পারায় স্কোর আর বড় হতে পারেনি আমিরাত। সমান ১৩ রান করেছেন দুই হায়দারই। রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হয়েছেন হর্ষিত ও আরফান। ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন শিমরানজিৎ সিং। শেষ বলে ৩ রান করা জুনায়েদ সিদ্দিকী হয়েছেন রানআউট।

আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দুটি উইকেট পেয়েছেন মুজিব। একটি রশিদ খানের ঝুলিতে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।