বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবরের নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক এখনো থামেনি। এই নির্বাচনকে অবৈধ দাবি করে আসছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও তার সমমনা সংগঠকেরা। এর মধ্যেই নির্বাচন নিয়ে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ নাকচ করেছেন বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ।
রোববার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফারুক বলেন, ‘নির্বাচনে তো কোনো প্রতিপক্ষই ছিল না।
এখানে অনিয়মের সম্ভাবনা কীভাবে দেখছেন আপনি?’
গত বছরের নির্বাচনে অনিয়ম, কারসাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে গত ১১ মার্চ পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। ওই তদন্ত কমিটির সামনে ব্যাখ্যা দিতে হয় ফারুককে।
নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভোটার ছিল প্রায় ৭৬ জন। এর মধ্যে ৪২টি ভোট কাস্ট হয়েছে, যেখানে আমি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছি।
৩৪টি ভোটই পড়েনি। যেহেতু কোনো প্রতিপক্ষই ছিল না, তাই এখানে অনিয়মের সম্ভাবনা খুব কম, বলা যায় নেই। আমার মনে হয় ভোটাভুটি ঠিকভাবেই হয়েছে।’
এদিকে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সম্প্রতি পদত্যাগ করে মন্তব্য করেছিলেন, নির্বাচন আরও স্বচ্ছ হতে পারত।
এ বিষয়ে ফারুক বলেন, ‘পদত্যাগের আগে এ কথা বললে ভালো হতো। আর হাত খুলে, মন খুলে কাজ করতে না পারা—এটা যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। একই প্রশ্ন দুই পরিচালকের কাছে করলে একই উত্তর নাও আসতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শাহনিয়ানের মতো তরুণদের কাজ করার আগ্রহ বেশি। তারা বাংলাদেশের ক্রিকেটে ভালো কিছু করতে চায়।
নির্বাচনের পর জাতীয় নির্বাচনও হয়েছে। পুরো বিষয়টি খুব মসৃণ ছিল না। তবে আরেকটু ধৈর্য রাখা উচিত। চার বছরের সময় পেলে উন্নতির অনেক সুযোগ থাকে।’
তদন্ত কমিটির সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে ফারুক বলেন, ‘আমার কাছে পুরো বিষয়টি বন্ধুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। কমিটিতে একজন বিচারক, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনজীবী ও একজন ক্রীড়া সাংবাদিক ছিলেন। তারা ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন বিষয় জানতে চেয়েছেন। আমার প্রায় ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে যা জানি, সবই বলেছি।’
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
