ঢাকাSunday , 30 November 2025
  1. world cup cricket t20
  2. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  3. অ্যাথলেটিক
  4. আইপিএল
  5. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরচারি
  8. এশিয়া কাপ
  9. এশিয়ান গেমস
  10. এসএ গেমস
  11. কমন ওয়েলথ গেমস
  12. কাবাডি
  13. কুস্তি
  14. ক্রিকেট
  15. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

দুর্নীতির অভিযোগে নয় ক্রিকেটারকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত: হাইকোর্ট

BDKL DESK
November 30, 2025 5:43 pm
Link Copied!

বিপিএল দ্বাদশ আসরের নিলাম তালিকা থেকে নয় ক্রিকেটারকে বাদ দেয়ার ঘটনায় করা তিনটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট সেগুলো খারিজ করে দিয়েছেন। রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।
আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেন, খেলায় দুর্নীতির অভিযোগ আসার পর এমন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া যৌক্তিক এবং এটি ক্রিকেটের স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা হলেন- এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, আল আমিন হোসাইন, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক, মো. নিহাদুজ্জামান ও সানজামুল ইসলাম।

প্রসঙ্গ, বিপিএলের নিলাম তালিকা প্রকাশের আগেই বিসিবি ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের সুপারিশে জাতীয় দলের ক্রিকেটার আনামুল হক বিজয়, মুসা সৈকতসহ মোট নয়জনের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়।

এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বাদ পড়া নয় ক্রিকেটার তিনটি পৃথক রিট আবেদন দায়ের করেন হাইকোর্টে। আদালত প্রাথমিক শুনানি বা মোশন হিয়ারিং গ্রহণ করে রিটগুলোর ওপর বিসিবির বক্তব্য শোনেন।

বিসিবির আইনজীবীরা আদালতে জানান, নাম বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত হঠাৎ নেয়া হয়নি।একটি তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার রিপোর্ট জমা দেয়।সেই রিপোর্ট ইন্টেগ্রিটি ইউনিটে পাঠানো হয়, যারা গত দেড় মাস ধরে তা পর্যালোচনা করছে।

পর্যালোচনার সময়ে অভিযোগের ঝুঁকি দেখে ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল ‘সেফটি মেজার’ হিসেবে নিলাম তালিকা থেকে নয়জনকে সাময়িকভাবে বাদ দেয়ার সুপারিশ করেন।

বিসিবির আইনজীবীরা যুক্তি দেন- ক্রিকেটে দুর্নীতি, ম্যাচ ফিক্সিং ও সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া বাধ্যতামূলক। নিলাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া মানে তাদের ক্রিকেট ক্যারিয়ার বন্ধ নয়; তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিপিএলে অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

বিসিবি আদালতকে জানায়, নয়জন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ম্যাচ ফিক্সিং-সংশ্লিষ্ট অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত এবং তদন্ত এখনও চলছে।

ইন্টেগ্রিটি ইউনিট অভিযোগগুলো যাচাই করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আইসিসির মতোই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ভিত্তিতে তারা বিপিএলের তালিকায় থাকতে পারবেন না।

উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত বলেন, ক্রিকেটে দুর্নীতির অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।এমন অভিযোগ আসলে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নমনীয়তা দেখানো উচিত নয়। ক্রিকেটের সুনাম ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

এই পর্যবেক্ষণ শেষে হাইকোর্ট রিট তিনটি প্রাথমিকভাবে খারিজ করে দেন। ফলে আনামুল হক বিজয়সহ নয় ক্রিকেটার বিপিএল ২০২৫-এর নিলামে অংশ নিতে পারবেন না।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।