মোহামেডানকে উড়িয়ে দিয়ে আবাহনীর জয়

মোহামেডানকে উড়িয়ে দিয়ে আবাহনীর জয়

১১ বছর পর মোহামেডানে কোচ শফিকুল ইসলাম মানিকের প্রত্যাবর্তন হলো পরাজয় দিয়েই। চির প্রিতদ্বন্দ্বী আবাহনীর সঙ্গে ৪-২ গোলের বড় ব্যবধানে হার মানে মোহামেডান। ম্যাচের ছয়টি গোলই হয়েছে প্রথমার্ধে। মোহামেডানকে হারিয়ে আবাহনী শিরোপা রেসে টিকে রইল৷ ১৬ ম্যাচ শেষে আবাহনীর পয়েন্ট ৩৫ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা কিংসের বিপক্ষে আবাহনীর পার্থক্য ৬ পয়েন্ট। অন্য দিকে মোহামেডান সমানসংখ্যক ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে।

কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্টেডিয়ামে, বৃষ্টির জন্য বুধবার মাঠ ভারী ছিল। উভয় দলের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে সমস্যা হলেও দুই দলই গতিময় ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছে। ম্যাচের সব ঘটনা প্রথমার্ধে। ম্যাচের ৮ মিনিটে কর্ণার থেকে সরাসরি গোল করেন আবাহনীর কোস্টারিকার ফুটবলার ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেস। দুই মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ডার্লিংটন। ১৮ মিনিটে মালির ফরোয়ার্ড সুলেমান দিয়াবাতের গোলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে।

মোহামেডান যখন ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছে ঠিক তখনই আবার আবাহনী লিড নেয়। ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেস নিজে গোল করেছেন পাশাপাশি গোল করিয়েছেও। তৃতীয় গোলটি হয়েছে কলিন্দ্রেসের বুদ্ধিদীপ্ততায়। বক্সের মধ্যে মোহামেডানের কয়েকজন ডিফেন্ডারের মাঝে তিনি চীপ করেন৷ মোহামেডান গোলরক্ষক বল গ্রিপে নিতে পারেননি। ফিরতি বলে ইমন মাহমুদ গোল করেন। ইনজুরি সময়ে শাহরিয়ার ইমনের দুর্দান্ত গোলে আবার ম্যাচে ফেরার চেষ্টা মোহামেডানের। পরের মিনিটেই ডার্লিংটনের গোলে আবার লীড বাড়ায় আবাহনী।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোলের চেষ্টা করেছে। আবাহনী ৮১ মিনিটে দশ জনের দলে পরিণত হয়। ডিফেন্ডার রেজাউল করিম দুই হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ম্যাচের বাকি সময়ে মোহামেডান গোল পরিশোধ করার চেষ্টা করে পারেনি। ৮৮ মিনিটে মোহামেডান এক আক্রমণ থেকে বল জালে পাঠায়। সহকারী রেফারি গোল বাতিল করে অফ সাইডের কারণে। মোহামেডানের ফুটবলাররা প্রতিবাদ করলেও রেফারি তাদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD