রোমাঞ্চকর ম্যাচে টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে ফাইনালে ইতালি

রোমাঞ্চকর ম্যাচে টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে ফাইনালে ইতালি

রোমাঞ্চকর ম্যাচে স্পেনকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে পরাজিত করে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইতালি। লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময়ের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র ছিল। পেনাল্টিতে শেষ শটটি সফল করে জর্জিনহো আজ্জুরিদের ফাইনালের টিকিট উপহার দেন।

পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ইতালি অবশ্য সেমিফাইনালের চাপটা নিতে পারেনি। হাইভোল্টেজ ম্যাচটিতে বেশিরভাগ সময়ই স্পেনের আধিপত্য ছিল। তবে জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড ফেদেরিকো চেইসার গোলে ৬০ মিনিটে এগিয়ে যায় ইতালি। ফর্মহীনতায় মূল একাদশ থেকে বাদ পড়া আলভারো মোরাতার হাত ধরেই শেষ পর্যন্ত স্পেন ম্যাচে ফিরে। ৫৮ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ম্যাচটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলেন মোরাতা। নির্ধারিত সময় শেষ হবার ১০ মিনিট আগে বদলী হিসেবে নেমে মোরাতা স্প্যানিশদের সমতায় ফেরান। অতিরিক্ত সময়ে আর কোন গোল না হলে আবারো পেনাল্টি শ্যুট আউটে স্পেনের ভাগ্য নির্ধারিত হয়। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালেও সুইজারল্যান্ডকে টাই ব্রেকারে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল স্পেন।

ইউরো ২০০৮-এর কোয়ার্টার ফাইনালে ইতালিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমির টিকিট পেয়েছিল স্পেন। কিন্তু এবার ডানি ওলমো ও মোরাতার পেনাল্টি মিসে কপাল পোড়ে স্পেনের। অথচ ম্যানুয়েল লোকাত্তেলি প্রথম শটটি মিস করায় স্পেন সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই পেনাল্টি শ্যুট আউট শুরু করে। কিন্তু ওলমো নিজের শটটি মিস করে ইতালিকে উল্টো সুযোগ করে দেয়। আন্দ্রে বেলোত্তি, লিওনার্দো বনুচ্চি ও ফেদেরিকো বার্নারডেশির পরপর তিন গোলের সাথে জেরার্ড মোরেনো ও থিয়াগো আলকানতারা গোল করলেও মিস করে বসেন মোরাতা। এরপর শেষ শটে জর্জিনহো গোল করে ইতালিকে ফাইনালের পথ দেখান।

১৯৬৮ সালের পর এই প্রথমবারের মত ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের স্বপ্নে এখন বিভোর রবার্তো মানচিনির অধীনে বদলে যাওয়া ইতালি। এনিয়ে টানা ৩৩ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডও আত্মবিশ্বাসী করে তুলছে আজ্জুরিদের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD