ছায়া জাতীয় দল করবে বিসিবি

ছায়া জাতীয় দল করবে বিসিবি

পাইপলাইনের ক্রিকেটারদের সারাবছর প্রশিক্ষণের জন্য ছায়া জাতীয় দল তৈরি করতে যাচ্ছে বিসিবি। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে ছায়া জাতীয় দল গঠণ করার কথা জানান বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। আর দলের নাম দেওয়া হয়েছে 'বাংলাদেশ টাইগার্স'।

ছায়া দলের ক্রিকেটাররা বছরজুড়েই অনুশীলনের ভেতরে থাকবে বলে জানান বোর্ড সভাপতি। বাংলাদেশ টাইগার্স' পরিচালিত হবে অনেকটা ভারতের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমির মতো করে। রাহুল দ্রাবিড়ের পরিচালনায় ভারতের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া এবং উদীয়মানদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন করা। ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ শামিরা যেখানে ট্রেনিং নিয়ে জাতীয় দলে ফিরে এসেছেন আরও শক্তিশালী হয়ে। বাংলাদেশ টাইগার্সেও কোচেস প্যানেল ক্রিকেটারদের স্কিল, ফিটনেস, ইনজুরি ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ করবে। যেটা আগে বিসিবি এইচপিতে করা হতো অফ মৌসুমে।

এ ব্যাপারে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সংবাদ সম্মেলনে যেমন বললেন, 'বাংলাদেশ টাইগার নামে বিকল্প একটা জাতীয় দল আমরা তৈরি করতে যাচ্ছি। জাতীয় দলে যারা ডাক পায়, তারা বাদ পড়লে প্র্যাকটিস করারও সুযোগ পায় না। আমাদের সুবিধাগুলো ওরা ব্যবহার করতে পারে না। কারও কোনো কিছুতে ঘাটতি থাকলে, বাদ পড়লে ফিরবে কী করে? সেটা থেকেই আমরা ঠিক করেছি, সারাবছর শ্যাডো জাতীয় দলে ট্রেনিং চলবে। আমার ইচ্ছা, লোকাল কোচিং স্টাফ দিয়ে শ্যাডো জাতীয় দলের ক্যাম্প পরিচালনা করা হবে হেড কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী। যেমন ওপেনিংয়ে যে খেলে, সে কোনো কারণে না থাকলে আমরা আজ একে-কাল ওকে খেলাই। এখন যেটা হবে, শ্যাডো দলে ব্যাকআপ থাকবে, সেখান থেকে রিপ্লেস করবে। এ রকম পজিশন অনুযায়ী কোচ ডিমান্ড দেবে ওই অনুযায়ী আমরা খেলোয়াড় বাছাই করে সারা বছর ট্রেনিং দিয়ে তৈরি রাখব।'

বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের সভায় বিসিবি কেন্দ্রীয় চুক্তির ক্রিকেটারদের অনুমোদন করা হয়েছে। চুক্তি পাচ্ছে ১৮ জন। তবে নতুনদের অন্তর্ভুক্তি এবং বাদ পড়াদের ব্যাপারে একটি ব্যাখ্যা তৈরি করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ক্রিকেটারদের কে কোন সংস্করণে খেলবে, সে বিষয়টি চূড়ান্ত না হওয়ায় চুক্তি পাওয়া ক্রিকেটারদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। পাপন বলেন, 'কে কোন সংস্করণে খেলবে সেটা না নেওয়া পর্যন্ত আমরা চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারছি না। এ ছাড়া যে চুক্তিতে ঢুকবে তার ঢোকার কারণ ব্যাখ্যা এবং কেন বাদ পড়ছে, তারও ব্যাখ্যা লাগবে। আজকের সভায় সবই ছিল, শুধু ব্যাখ্যাটা ছিল না। আমাদের কারও কোনো সন্দেহ নেই যেটা দিয়েছে তা সঠিক। আমরা অনুমোদন করে দিয়েছি। বাকিটা ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ করতে পারবে।'

এ ছাড়া সভায় বিসিবির এজিএম ৭ জুলাই ঠিক করা হয়েছে। আইসিসি বৈশ্বিক ইভেন্টের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একক আয়োজক হতে সরাসরি বিট করবে বিসিবি। তবে টি-টোয়েন্টি ‌ও ‌ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হতে চায় বাংলাদেশ।।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD