পাঞ্জাবে ধরাশায়ী ব্যাঙ্গালুরু

পাঞ্জাবে ধরাশায়ী ব্যাঙ্গালুরু

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ

হারপ্রিত ব্রারের অলরাউন্ড নৈপূণ্যে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে ৩৪ রানে হারাল পাঞ্জাব কিংস। আহমেদাবাদে দিনের একমাত্র ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৯ রান করে দলটি। জবাবে ৮ উইকেটে ১৪৫ রানে থামে ব্যাঙ্গালুরু।

চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো আইপিএলে খেলার সুযোগ পান হারপ্রিত ব্রার। আর প্রথম ম্যাচেই করেন বাজিমাত। অসাধারণ বোলিং করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর ব্যাটিং লাইন আপে ভাঙন ধরান তিনি। এর আগে ব্যাটিংয়েও রেখেছেন অবদান। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যেই দারুণ ছন্দে থাকা বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে জয় পায় পাঞ্জাব কিংস। সাত ম্যাচে এটা পাঞ্জাবের তৃতীয় জয়। অন্যদিকে সমান ম্যাচে দ্বিতীয় হারের স্বাদ পেল বিরাট কোহলির দল।

লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় ১৯ রানে দেবদুত পাডিক্কালকে হারালেও অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও রজত পাতিদারের ব্যাটে এগিয়ে যাচ্ছিল ব্যাঙ্গালুরু। ৪৩ রানের জুটিও গড়েন তারা। কিন্তু এরপর হারপ্রিতের ঘূর্ণি জালে পড়ে দলটি। ৮ রানের ব্যবধানে তুলে নেন তিনটি উইকেট। বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা দুই তারকা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে বোল্ড করে দেন হারপ্রিত। এরপর রাহুলের ক্যাচে পরিণত করে তুলে নেন সময়ের আরেক সেরা ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্সকে।

আর হারপ্রিতের এমন দুর্দান্ত বোলিংয়ে উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন দলের বাকী বোলাররাও। দারুণ বোলিং করেন রবি বিশ্নইও। দলীয় ৯৬ রানেই ৭টি উইকেট তুলে নেয় তারা। তবে এরপর হার্শাল প্যাটেল ও কাইল জেমিসন ঝড়ো ব্যাটিংয়ে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তা কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন কোহলি। ৩৪ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৩০ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় রজত করেন ৩১ রান। শেষ দিকে মাত্র ১৩ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩১ রান করেন হার্শাল। জেমিসন ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। পাঞ্জাবের বোলারদের মধ্যে ১৯ রানের খরচায় ৩টি উইকেট পান হারপ্রিত। আর ১৭ রানে ২টি উইকেট নেন রবি।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা পাঞ্জাব দলীয় ১৯ রানেই ওপেনার প্রভসিমরান সিংকে হারায়। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ক্রিস গেইলের সঙ্গে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। গড়েন ৮০ রানের জুটি। এরপর অবশ্য স্কোরবোর্ডে ১৯ রান যোগ করতে ৪টি উইকেট হারায় দলটি। তবে ষষ্ঠ উইকেটে হারপ্রিতের সঙ্গে ৬১ রানের জুটিতে লড়াকু সংগ্রহই পায় তারা।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯১ রান তুলে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক রাহুল। ৫৭ বলে ৭টি চার ও ৫টি ছক্কায় এ রান করেন অধিনায়ক। গেইলের ব্যাট থেকে আসে ৪৬ রান। ২৪ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় এ রান করেন এ ক্যারিবিয়ান তারকা। ১৭ বলে ১টি চার ও ২টি ছক্কায় হারপ্রিতের করেন অপরাজিত ২৫ রান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD