সালাম মুর্শেদীর অনুরোধ

সালাম মুর্শেদীর অনুরোধ

করোনার মহামারিতে বেশির ভাগ দেশেই বন্ধ হয়ে গেছে ফুটবল লিগ। মাঠে খেলা নেই। তাই ফুটবলার ও ক্লাবগুলোও পড়েছে এক অর্থনৈতিক সংকটে। আর এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সিন্ডিকেট ফুটবল খেলা ম্যানুপুলেশন করার চেষ্টা করতে পারে। যা নিয়ে শঙ্কিত ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফা ও এএফসিও। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে পাতানো খেলা রোধে 'জিরো টলারেন্স নীতি' অবলম্বনের অনুরোধ জানিয়েছে এএফসি। এ বিষয়ে ফুটবল সংশ্লিষ্টদের বাফুফেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ জানান, বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী।

শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় এএফসির গাইডলাইন প্রসঙ্গে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পেশাদার ফুটবল লিগ কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদী ফুটবল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য কিছু নৈতিক দায়বদ্ধতা বিষয়ক পরামর্শ দিয়েছেন।

সালাম মুর্শেদীর মতে ফুটবল অঙ্গনকে এক অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে, তারমধ্যে পাতানো খেলার মাধ্যমে ফুটবলের ইন্ট্রিগিটি রক্ষার্থে ঝুঁকি বৃদ্ধি অন্যতম। এশিয়ার বিভিন্ন দেশে যখন কোভিড-১৯ পরিস্থিতি শেষে ফুটবল মাঠে গড়াবে, তখন সকল ধরনের ফুটবল খেলায় ইন্ট্রিগিটি সমুন্নত রাখা প্রত্যেকটি ফুটবল ফেডারেশনের দায়িত্ব বলে মনে করে এশিয়ান কনফেডারেশন (এএফসি)। এএফসির আওতাধীন সকল ফুটবল ফেডারেশনের নিজ নিজ ঘরোয়া ফুটবল খেলা পরিচালনার ক্ষেত্রে 'পাতানো খেলা' রোধে 'জিরো টলারেন্স নীতি' অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় আব্দুস সালাম মুর্শেদী এএফসি থেকে পাওয়া দিকনির্দেশনা সম্পর্কে অভিহিত করেন। খেলোয়াড় ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নৈতিক দায়বদ্ধতা বিষয়ক পরামর্শ দিয়ে লিগ কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, 'ফুটবল খেলার সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো খেলোয়াড় অথবা কর্মকর্তা খেলার ফলাফল অনৈতিক অথবা অখেলোয়াড়সুলভ ভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে না। কোনো প্রকার বেটিংয়ে নিজে অংশগ্রহণ অথবা অন্য কাউকে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করবে না। ফুটবল খেলার সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো খেলোয়াড় অথবা কর্মকর্তা নিজের অথবা অন্যের সুবিধার জন্য এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করবে না, যা ফুটবলের ইন্ট্রিগিটির স্বার্থ ব্যাঘাত করে।'

এছাড়াও যদি কোনো ফুটবলার বা ফুটবল কর্মকর্তার কাছে পাতানো ম্যাচ সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকে, তবে তা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বা এএফসিকে অভিহিত করতে বলেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সালাম মুর্শেদী বলেন, 'ফুটবলের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো খেলোয়াড় অথবা কর্মকর্তা এমন কোনো ব্যক্তির সাথে জড়িত থাকবেন না যিনি ইতিপূর্বে অবৈধভাবে কোনো ফুটবল খেলার ফলাফলকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে এএফসির নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন অথবা ইতিপূর্বে শৃঙ্খলাভঙ্গের কার্যকলাপের দায়ে শাস্তিপ্রাপ্ত।

তারা যদি এমন কোনো তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকে যা কোনো ফুটবল খেলার ফলাফল অবৈধভাবে প্রভাবিত করে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তা অনতিবিলম্বে নিজ ফুটবল ফেডারেশন অথবা এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে অবহিত করবে এবং পরবর্তীতে ফুটবলের স্বার্থে যেকোনো প্রকার ইনভেস্টিগেশনে সহযোগিতা করবে।'

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD