ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়-সংগঠকদের সাহায্য

ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়-সংগঠকদের সাহায্য

করোনাভাইরাসের কারণে সবাই যখন গৃহবন্দি, তখন শ্রমজীবী আর নিম্নবিত্তদের পরিবারে চলছে নীরব কান্না। সেই বোবা কান্নার আওয়াজ আঘাত করেছে ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের। তাই এই দু:সময়ে খাদ্যসহায়তা নিয়ে তারা বেরিয়ে পড়েছেন অসহায়দের ঘরে ঘরে।

‘মানবসেবায় ব্যাডনিমন্টন পরিবার’ -এই ব্যানারে তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্যসামগ্রী। প্রথমে তারা করোনাভাইরাস সংক্রমণ আতঙ্কে কর্মহীন, সুনামগঞ্জের সোনাপুর বেদেপল্লীর শ’ খানেক পরিবারের মাঝে ১৫ দিনের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেন।

করোনাভাইরাস প্রতিহত করতে সরকার যখন সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেয়, তখন জাতীয় দলের শাটলার মোহাম্মদ আম্মার তার দুই সতীর্থ ইদ্রিস ও জাবেদকে নিয়ে দেশ-বিদেশের ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ও শুভাকাঙ্খিদের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানান। তাদের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের সাবেক ও বর্তমান জাতীয় ও আঞ্চলিক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়, ব্যাডমিন্টনপ্রেমী, ক্রীড়া সংগঠক, ব্যাডমিন্টন কোচ, আম্পায়ার ও ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের কর্মকর্তারা এগিয়ে আসেন। সবার সহযোগিতায় বাড়তে থাকে তহবিল। আর সেই তহবিল নিয়ে তারা মাঠে নামেন অসহায়দের সহযোগিতায়।

‘মানবসেবায় ব্যাডমিন্টন পরিবার’ প্রসঙ্গে সংগঠনের উদ্যোক্তা ও জাতীয় দলের শাটলার মোহাম্মদ আম্মার বলেন, এই দু:সময়ে ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ও ক্রীড়ানুরাগীরা যেভাবে এগিয়ে এসেছেন তা অকল্পনীয়। মানবিক আবেদনে এতো সাড়া মিলবে তা আমরা আগে চিন্তাও করিনি। সবার সহযোগিতা পাওয়ায় অসহায়দের ঘরে ঘরে খাদ্যসহায়তা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে আমরা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আমরা দেশের ৬টি জেলায় নিন্মবিত্ত পরিবারের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করবো। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসে তাহলে করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষ খাদ্যাভাবে পড়বে না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD