ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির জনক ‘লুইস’ এর প্রয়াণ

ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির জনক ‘লুইস’ এর প্রয়াণ

আবহাওয়া প্রভাবিত সীমিত ওভার ক্রিকেট ম্যাচে ডার্কওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন বা ডিএলএস পদ্ধতি উদ্ভাবকদের একজন টনি লুইস মারা গেছেন। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) বুধবার এ খবর জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে ইসিবি জানায়, ‘খুবই দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে, ৭৮ বছর বয়সে মারা গেছেন টনি লুইস। টনি, তার সতীর্থ গণিতবিদ ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থের সঙ্গে মিলে ১৯৯৯ সালে উদ্ভাবন করেছিলেন ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতি। পরে ২০১৪ সালে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন নামকরণ করা গাণিতিক ফর্মুলা বৃষ্টিবিঘিœত সীমিত ওভারের ম্যাচে গোটা বিশ্বে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

খারাপ আবহাওয়ার কারণে ম্যাচের ফল নিষ্পত্তি বা নতুন লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ব্যবহার করা হয় ডাকওয়ার্থ-লুইস বা ডিএলএস পদ্ধতি।

বৃষ্টির কারণে ম্যাচের ফল নিষ্পত্তির জন্য গণিতবিদ ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থের সাথে এই পদ্ধতি বের করেছিলেন লুইস। ১৯৯৭ সালে প্রথমবার ‘ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির’ কথা জানান তারা। পরে ১৯৯৯ সালে ক্রিকেটের প্রধান সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে সেটি গ্রহণ করে। তবে ১৫ বছর পর এর নাম পরিবর্তন করা হয়। ২০১৪ সালে নতুন নাম দেওয়া হয় ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন বা ডিএলএস পদ্ধতি।

১৯৯৭ সালে এই পদ্ধতি প্রথম কার্যকর হয়। জিম্বাবুয়েকে ২০০ রানে অলআউট করেছিল ইংল্যান্ড। পরে এই পদ্ধতিতে ইংলিশদের সামনে নতুন টার্গেট দাঁড়ায় ৪২ ওভারে ১৮৬ রান। ম্যাচটি ইংলিশরা হেরে যায় ৭ রানে। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গণিতের অধ্যাপক স্টিভেন স্টার্ন আধুনিক ক্রিকেটের স্কোরিং-রেট বিবেচনায় মূল পদ্ধতির হিসাব হালনাগাদ করেন।

২০১০ সালে ক্রিকেট ও গণিতে অবদান রাখার জন্য ডাকওয়ার্থ ও লুইসকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ পঞ্চম সম্মান এমবিই পদবি দেওয়া হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD