৭ উইকেটে জিতে সিরিজ ভারতের

৭ উইকেটে জিতে সিরিজ ভারতের

মুম্বইয়ের দাপুটে জয়ে সিরিজের শুরুতেই লিড নেয় অস্ট্রেলিয়া। রাজকোটে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরায় ভারত। আর ব্যাঙ্গালুরুর তৃতীয় ‌ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১-এ জিতল টিম ইন্ডিয়া।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৮৬ রান তোলে। লড়াকু শতরান করেন স্টিভ স্মিথ। পালটা ব্যাট করতে নেমে ভারত ৪৭ ওভার ৩ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। সেই সাথে সিরিজ‌ও। টিম ইন্ডিয়াকে দায়িত্বসহকারে জয়ের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে দেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও সহ-অধিনায়ক রোহিত শর্মা৷ বরং বলা ভালো ভাইস ক্যাপ্টেন রোহতিই ভারতের ৭ উইকেটে জয়ের ব্লু-প্রিন্ট ছক করে দেন।

ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারতীয় শিবির বড়সড় ধাক্কা খায় শিখর ধাওয়ান চোট পেলে। তার ব্যাট করতে নামা নিয়ে সংশয় ছিল। অর্থাৎ ব্যাটিং শুরুর আগেই ভারত এক উইকেট হারিয়ে ফেলে। এই অবস্থায় রোহিতের সঙ্গে ওপেনে ফেরেন লোকেশ রাহুল। তবে সিরিজের তিনটি ম্যাচে তিনটি আলাদা ব্যাটিং পজিশনে নিজেকে যথাযথ মানিয়ে নিতে পারননি রাহুল। ব্যক্তিগত ১৯ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তবে ওপেনিং জুটিতে ৬৯ রান যোগ করে ভিত তৈরির কাজ যথাযথ করেন রাহুল।

কোহলির সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ১৩৭ রান যোগ করেন রোহিত শর্মা। শেষে রোহিত আউট হন ব্যক্তিগত ১১৯ রানে। ১২৮ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন হিটম্যান। কোহলিকে ব্যক্তিগত শতরানের দোরগোড়া থেকে ফিরতে হয়। ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৯১ বলে ৮৯ রান করে উইকেট দিয়ে আসেন বিরাট। মানীশ পান্ডেকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শ্রেয়াস আয়ার। শ্রেয়াস অপরাজিত থাকেন ৩৫ বলে ৪৪ রানে। আর মণীশ ৪ বলে ৮ রান করে নট-আউট থাকেন।

তার আগে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৪টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১৩২ বলে ১৩১ রান করেন স্টিভ স্মিথ। মার্নাস ল্যাবুশানে করেন ৬৪ বলে ৫৪ রান। অ্যালেক্স ক্যারি করেন ৩৫ রান।

ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ সামি ৬৩ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন রোহিত শর্মা। আর সিরিজ সেরার পুরস্কার ওঠে অধিনায়ক বিরাট কোহলির হাতে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD