লিগে বাড়ল বিদেশী খেলোয়াড়

লিগে বাড়ল বিদেশী খেলোয়াড়

সাফ ফুটবলের পর ব্যর্থতাই সঙ্গী বাংলাদেশ দলের। টানা দুই বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে ব্যর্থ, এস এ গেমসেও হয়নি সোনার পদক জয়। সবশেষ বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে ফরোয়ার্ডদের গোল মিসের মহড়ায় সেমিফাইনালে বুরুন্ডির কাছে ৩-০ ব্যবধানে ধরাশায়ী। তাই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে বিদেশী ফুটবলার কমানোর জোর দাবী উঠে।

এই দাবীতে স্বোচ্চার সবাই। বর্তমান জাতীয় দলের কোচ জেমি ডে’ও উচ্চকন্ঠ বিদেশী কমানোর দাবীতে। কিন্তু এরপরও হুশ হয়নি বাফুফের পেশাদার লিগ কমিটির। বরং ভোট বাণিজ্যে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পায় ক্লাব স্বার্থ। তাই বাড়ানো হলো আসন্ন লিগে বিদেশী ফুটবলারের সংখ্যা। পাঁচ বিদেশীই খেলতে পারবেন এক ম্যাচে। তবে পঞ্চমজন নামতে পারবেন বিদেশীর বদলী হিসেবে। বুধবার সভায় এই সিদ্ধান্তের সাথে লিগ পিছিয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে এই তথ্য জানান, লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী।

পাঁচজন বিদেশী রেজিস্ট্রেশন এবং চারজনকে একটি ক্লাব এক ম্যাচে খেলাতে পারবে, বিদেশীর বদলে অন্য বিদেশীকে নামানো যাবে না, এটা ছিল নিয়ম। কিন্তু বুধবার পেশাদার লিগ কমিটির জরুরী সভায় সিদ্ধান্ত, পাঁচ বিদেশীকেই এক ম্যাচে মাঠে নামানো যাবে। সভায় লিগ পেছানোরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগে বলা হয়েছিল ৩১ জানুয়ারীর মধ্যেই মাঠে গড়াবে ২০১৯-২০২০ মৌসুমের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। কিন্তু ক্লাবগুলোর সাথে পেশাদার লিগ কমিটির ঐক্যমত, ১৩ ফেব্রুয়ারী পর্দা উঠবে এবারের লিগের। তা অবশ্য ঢাকা আবাহনীর এএফসি কাপের প্রিলিমিনারী রাউন্ডের খেলার জন্য। আগামী ৫ ও ১২ ফেব্রুয়ারী তাদের হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ম্যাচ মালদ্বীপের মাজিয়ার বিপক্ষে। বাংলাদেশী ক্লাবটি যদি মাজিয়া বাধা পেরুতে পারে তাহলে ১৯ ও ২৬ ফেব্রুয়ারী প্লে-অফ ম্যাচ। এই সব বিবেচনায় নিয়েই লিগের শিডিউল করা হচ্ছে বলে জানান, সালাম মুর্শেদী।

জাতীয় দলে স্ট্রাইকার সংকট ক্লাবে এই বিদেশী ফুটবলারের আধিক্যের কারণে। এরপরও কেন বিদেশী বাড়ানো হলো। সালাম মুর্শেদীর জবাব, পাঁচ বিদেশীকে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে একজনকে সারা বছর বসিয়ে রাখাটা ক্লাবের জন্য বড় আর্থিক ক্ষতির কারন। তাই বিদেশীর বদলে বিদেশীকে নামনোর অনুমিত দেয়া।’ তাহলেতো দেশী ফুটবলারদের খেলার সুযোগ আরো কমলো। তার বক্তব্য, দেশী স্ট্রাইকার সহ অন্যদের ভালো খেলার জেদ থাকতে হবে। তাদেরকে বিদেশীদের টপকেই জায়গা করে নিতে হবে একাদশে। আমি তো তাদের মধ্যে এই চেষ্টাই দেখি না। নেই গোলের ক্ষুদা।’ দেশী ফুটবলার বসে বসে টাকা নিলে তাকে কি ক্লাবের আর্থিক লোকসান হয় না, এর উত্তর অবশ্য এড়িয়ে যান লিগ কমিটির চেয়ারম্যান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD