ইনিংস ‌ও ১৩০ রানে হার বাংলাদেশের

ইনিংস ‌ও ১৩০ রানে হার বাংলাদেশের

তিন দিনেই ইন্দোর টেস্ট জিতে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল ভারত। আজ শনিবার ইনিংস ও ১৩০ রানে বাংলাদেশকে পরাজিত করে বিরটা কোহলির দল। তাতে দুই দিন বাকি থাকতেই সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট ভারত। পরের টেস্ট হবে ২২ নভেম্বর কোলকাতার ইডেন গার্ডেন্স ইডেনে, গোলাপি বলে। দিন-রাতের সেই টেস্টের দিকেই এখন নজর ক্রিকেটপ্রেমিদের।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে একাই লড়লেন মুশফিকুর রহিম। ৬৪ রানের দারুণ এক ঝলমলে ইনিংসে দলকে দু’শো পার করান তিনি। ইনিংসের নবম উইকেট হিসেবে তাঁকে ফেরান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দারুণ ক্যাচ ধরেন চেতেশ্বর পূজারা। অশ্বিনকে পরের ওভারেই মারতে গিয়ে এবাদত হোসেন বল তোলেন আকাশে। এবার ক্যাচ ধরেন উমেশ যাদব। ৬৯.২ ওভারে ২১৩ রানে দাঁড়ি পড়ে বাংলাদেশের ইনিংসে। ভারতের সফলতম বোলার মোহাম্মদ সামি, ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন।

চা বিরতির সময় ৬ উইকেটে ১৯১ ছিল বাংলাদেশের স্কোর। তৃতীয় সেশনের শুরুতে মেহেদি হাসান মিরাজকে (৩৮) বোল্ড করেছিলেন উমেশ। তার আগে সপ্তম উইকেটে মুশফিকুর-মেহেদি যোগ করেছিলেন ৫৯ রান। মেহেদির পর ফিরেছিলেন তাইজুল ইসলাম (৬)। এই ইনিংসে মোহাম্মদ সামির চতুর্থ শিকার হলেন তিনি। তা

শনিবার লাঞ্চের সময় ৬০ রানে চার উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনে মাহমুদুল্লাহকে (১৫) ফেরান মোহাম্মদ সামি। দ্বিতীয় স্লিপে তাঁর ক্যাচ ধরেন রোহিত শর্মা। ৭২ রানে পাঁচ উইকেট পড়ার পর ষষ্ঠ উইকেটে মুশফিকুর-লিটন দলের স্কোরে যোগ করেন ৬৩ রান। লিটনকে নিজের ফিরতি ক্যাচে পরিণত করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ৩৯ বলে ৩৫ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেছিলেন লিটন। ১৩৫ রানে ষষ্ঠ উইকেট পড়েছিল বাংলাদেশের।

এর আগে প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুতে বাংলাদেশের ইনিংসকে চাপে ফেলেছিলেন ভারতীয় পেসাররা। ১৬ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারিয়েছিল তারা। প্রথমে ইমরুল কায়েসকে (৬) অসাধারণ ডেলিভারিতে বোল্ড করেছিলেন উমেশ যাদব। তার পর শাদমান ইসলামকে (৬) বোল্ড করেন ইশান্ত শর্মা। এরপর অধিনায়ক মুমিনুল হককে (৭) লেগবিফোরের ফাদে ফেলেন সামি। রিভিউ নিয়ে উইকেটে পায় ভারত। ৩৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে তখন বাংলাদেশ। দলের ৪৪ রানে ১৮ রানের পুজিতে সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ মিঠুন।

৩৪৩ রানের লিড নিয়ে ইনিংসে সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল ভারত। শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের শেষে ছয় উইকেটে ৪৯৩ তুলেছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই রানেই ইনিংস ঘোষণা করেন অধিনায়ক বিরাট কোহালি। ফলে, শনিবার সকালে কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে নতুন বলে আক্রমণ শুরু করেছিলেন ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব। আর দুই পেসারই সমস্যায় ফেললেন বিপক্ষ ব্যাটসম্যানকে। বার বার বিব্রত করতে থাকলেন গতি, সুইং, বাউন্সে। এর আগে প্রথম ইনিংসে ১৫০ রানে অলআউট হয়েছিলেন মুমিনুল হকরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD