পাত্তাই পেল না আয়ারল্যান্ড

পাত্তাই পেল না আয়ারল্যান্ড

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচটা ছিল শুধুই নিয়ম রক্ষার। কারণ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুইবার সহজেই হারিয়ে বাংলাদেশ আগেই ত্রিদেশীয় ‌ওয়ানডে সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল। প্রায় তিনশ’র কাছাকাছি টার্গেটে নেমেও আইরিশদের উড়িয়ে দিয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। ডাবলিনের ক্লনটার্ফ ক্রিকেট ক্লাব মাঠে বুধবার বাংলাদেশ জিতেছে ৬ উইকেটে। আগে ব্যাট করতে নেমে পল স্টার্লিংয়ের সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ২৯২ রান তোলে আয়ারল্যান্ড। প্রথম তিন ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল, লিটন দাস ও সাকিব আল হাসানের ফিফটিতে বাংলাদেশ সেটি পেরিয়ে যায় ৪২ বল বাকি থাকতেই। আর বল হাতে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা আবু জায়েদ রাহী।

আগেই ফাইনাল নিশ্চিত হ‌ওয়ায় বাংলাদেশ চার পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে। টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো সুযোগ পাওয়া রুবেল হোসেন দ্বিতীয় ওভারেই জেমস ম্যাককলামকে (৫) ফিরিয়ে ভাঙেন ২৩ রানের উদ্বোধনী জুটি। অ্যান্ডি বালবির্নিকে ফিরিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট নেন রাহী।

এরপর অনেকটা সময়জুড়েই বাংলাদেশের বোলারদের ভুগিয়েছে স্টার্লিং ও পোর্টারফিল্ডের ১৭৪ রানের জুটি। ১৫ ম্যাচে প্রথম ফিফটি পেলেন পোর্টারফিল্ড। স্টার্লিং ২০১৮ সালের মার্চের পর প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান। তবে ৬ রানের জন্য আইরিশ অধিনায়ক পোর্টারফিল্ড (৯৪) সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন। তাকে ফিরিয়ে বড় জুটি ভাঙেন রাহী।

রাহী নিজের পরের ওভারে তিন বলের মধ্যে নেন কেভিন ও’ব্রায়েন ও স্টার্লিংয়ের উইকেটও। ১৪১ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ১৩০ রান করেন স্টার্লিং। গ্যারি উইলসনকে ফিরিয়ে রাহী পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেট।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্যটা ছিল নাগালেই। বাংলাদেশ বড় লক্ষ্য পায় এবারই প্রথম। তামিমের সঙ্গে দলকে দারুণ সূচনা এনে দেন সৌম্য সরকারের বিশ্রামে সুযোগ পাওয়া লিটন। তিন ম্যাচে বাংলাদেশ পায় দ্বিতীয় শতরানের উদ্বোধনী জুটি। ১১৭ রানের জুটি ভাঙে তামিমের বিদায়ে (৫৭)।

সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল লিটনের। কিন্তু ব্যারি ম্যাককার্থির স্লোয়ারে তিনি বোল্ড হন ৭৬ রানে। তৃতীয় উইকেটে ৮৪ রানের জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন সাকিব ও মুশফিক। মুশফিক ৩৫ করে সাজঘরে ফেরেন। আর সাকিব ৫১ বলে ৫০ করে মাঠ ছাড়েন ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হয়ে। মোসাদ্দেক হোসেন ১৪ রানে ফেরেন। এরপর দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমান। ২৯ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। আগের ম্যাচে ব্যাটিং না পাওয়া সাব্বির ৮ বলে করেন ৭ রান।

আগামী ১৭ মে (শুক্রবার) ত্রিদেশীয় ‌ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD