জয়ে শুরু ইংল্যান্ডের

জয়ে শুরু ইংল্যান্ডের

ব্যাটে-বলে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে জয় দিয়েই ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করলেন অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। তার কল্যাণেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে ইংলিশরা। লন্ডনের কেনিংটন ‌ওভালে টসে হেরে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ৩১১ রান তোলে স্বাগতিকরা। জবাবে, ৬১ বল হাতে থাকতেই মাত্র ২০৭ রানে অলআউট হয় প্রোটিয়ারা। ম্যাচ সেরা হন বেন স্টোকস।

৩১২ রানের টার্গেটে নেমে জোফরা আর্চারের বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন দক্ষিণ আফ্রিকান ‌ওপেনার হাশিম আমলা। সেই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি প্রোটিয়ারা। দলের মাত্র ৪৪ রানেই আর্চার সাজঘরে ফেরত পাঠান মার্করাম ‌ও ফাফ ডু প্লেসিসকে। দুই সতীর্থকে হারিয়ে সাবধানে দলকে টানতে থাকেন কুইন্টন ডি কক। ৬৮ রানে থাকা ডি কককে সাজঘরে ফেরত পাঠান প্ল্যাঙ্কেট। এরপরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের সকল প্রতিরোধ। ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে ‌ওঠা ডুসেককে ৫০ রানেই থামিয়ে দেন আর্চার। শেষ পর্যন্ত ২০৭ রানে অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

এরআগে ওভালে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খেয়েছিল ইংল্যান্ডও। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম বলটি প্রথমবারের মতো কোনো স্পিনারকে দিয়ে করানোর নজির গড়েন প্রোটিয়া অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসিস। ইমরান তাহিরের হাতে বল তুলে দেন। মুখোমুখি দ্বিতীয় বলেই রানের খাতা খুলতে না পারা জনি বেয়ারস্টোকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে আস্থার প্রতিদান দেন তাহিরও। তারপরও জেসন রয়, জো রুট, ইয়ন মরগান ও বেন স্টোকসের ফিফটিতে তিনশ পেরোনো সংগ্রহ গড়েছে ইংল্যান্ড।

দুটি শতরানের জুটি আসে। প্রথমটি আসে রয় ও রুটের ব্যাটে। দুজনে যোগ করেন ১০৬ রান। দুজনেই ফিরেছেন ফিফটি পার করেই। ৮ চারে ৫৩ বলে ৫৪ রানের ইনিংস রয়ের। ৫ চারে ৫৯ বলে ৫১ রানের ইনিংস রুটের। দুজনেই দ্রুত আইট হন ফিফটি করে।

পরপর দুই উইকেট হারিয়ে অবশ্য ভেঙে পড়েনি স্বাগতিকরা। আরেকটি শতরানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামলান মরগান ও স্টোকস। এই জুটিও ঠিক ১০৬ রানের। মরগানের বিদায়ে ভাঙে। ফেরার আগে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৬০ বলে ৫৭ রানের ঝলমলে ইনিংস আসে অধিনায়কের থেকে।

চার ফিফটির বড়টি স্টোকসের। ৯ চারে ৭৯ বলে ৮৯ রানের। এগারো রানের জন্য শতক হাতছাড়া করেছেন এ অলরাউন্ডার। পরে জস বাটলার ১৮ ও ক্রিস ওকসের ১৩ রানে তিনশ পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

প্রোটিয়াদের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে সেরা লুনগি এনগিডি, যদিও খরচ করেছেন ৬৬ রান। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন তাহির ও কাগিসো রাবাদা, যথাক্রমে ৬১ ও ৬৬ করে রান খরচ করে। ৮ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ফেলুকোয়ও নিয়েছেন একটি উইকেট।

" class="prev-article">Previous article

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD