‌ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৫৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

‌ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৫৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ‌ওয়ানডে ম্যাচ জয়ে ‌ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৫৬ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। একটা সময় মনে হয়েছিল বাংলাদেশের পুঁজিটা তিনশ’ ছুঁয়ে ফেলবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তা আর হলোনা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৫ রান সংগ্রহ করে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ম্যাচের নবম বলেই গোড়ালিতে ব্যথা পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান লিটন দাসকে। লিটন সাজঘরে ফেরায় মাঠে নামেন ইমরুল কায়েস। কিন্তু আগের ম্যাচের মতো এবার‌ও ব্যর্থ তিনি। প্রথম ম্যাচে ৪ রান করা ইমরুল দ্বিতীয় ম্যাচে রানের খাতাও খুলতে পারেননি।

লিটন-ইমরুলকে হারানোর ধাক্কা সামলে তামিমকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মুশফিক। তামিমের পরে নামলেও ব্যক্তিগত পঞ্চাশ তার আগেই পেয়ে যান ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ৪ চারের মারে ৬২ বলে ক্যারিয়ারের ৩২তম ফিফটি করেন তিনি।

মুশফিকের পরপরই ৬১ বল খেলে ৪ চার ও ১ ছক্কার মারে ৪৩তম পঞ্চাশ করেন তামিম। তবে ফিফটি করার পরপরই দেবেন্দ্র বিশুর বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেট ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম। এরপর মুশফিকও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। থমাসের দ্বিতীয় শিকার হয়ে তিনি ফেরেন ৬২ রানে। ৮০ বলের ইনিংসটি ৫ বাউন্ডারিতে সাজিয়েছিলেন দলের এই ব্যাটিং ভরসা।

তবে চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন সাকিব আল হাসান আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই উইকেটে তারা যোগ করেন ৬১ রান। ৪১তম ওভারে এসে এই জুটিটি ভাঙেন রভম্যান পাওয়েল। ৩০ রান করে বিদায় নেন মাহমুদউল্লাহ। সাতে নেমে সৌম্য সরকার আরও একবার ব্যর্থ। থমাসের বলে পছন্দের পেরিস্কোপ খেলতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের সামনে ধরা পড়েন তিনি, করেন ৮ বলে ৬ রান। ২০৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় পুঁজি গড়ার স্বপ্নটা তখনই বিলীন হবার পথে।

এমন মুহূর্তে আবারও ব্যাটিংয়ে নামেন চোটের কারণে মাঠের বাইরে যাওয়া লিটন দাস। এরই মধ্যে ছক্কা মেরে নিজের ৪০তম ফিফটি পূরণ করেন সাকিব। থমাসের ওই বলটি অবশ্য ফ্রি-হিট ছিল। আগের বলে মারতে গিয়ে ক্যাচ হয়েছিলেন ৪৬ রানে থাকা সাকিব। তবে আম্পায়ার ‘নো’ কল দেন। লিটনকে নিয়ে জুটিতে ১৭ বলেই ২৬ রান তুলে ফেলেছিলেন সাকিব। যে জুটিতে অবশ্য লিটনের তেমন অবদান ছিল না। ১৪ বলে ৮ রান করে কেমো পলকে ছক্কা মারতে গিয়ে সিমরন হেটমায়ারের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

সময়ের প্রয়োজনে মারমুখী খেলতে গিয়ে ৬২ বলে ৬ চার আর ১ ছক্কায় ৬৫ রান করে সাকিব বোল্ড হন কেমার রোচের বলে। এরপর আর বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে পারেননি মাশরাফি-মিরাজরা। শেষ দুই ওভারে মাত্র ৫ রান নিতে পারেন তারা। ১১ বলে ৬ রান করেন মাশরাফি আর ১০ বলে ১০ রান আসে মিরাজের ব্যাট থেকে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD