লাওসের বিদায়ে সেমিতে বাংলাদেশ-ফিলিপাইন

লাওসের বিদায়ে সেমিতে বাংলাদেশ-ফিলিপাইন

লা‌ওসের বিপক্ষে ফিলিপাইনের জয়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেলো স্বাগতিক বাংলাদেশের। লাওসের টানা দ্বিতীয় হারে শেষ চারে লাল-সবুজরা সঙ্গী হয়েছে ফিলিপাইনের। আর শূণ্য হাতে বিদায় নিতে হলো লাওসকে। দুই ম্যাচে ৪ গোল হজমের বিপরীতে মাত্র এক গোল করেছে তারা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ১-০ গোলে আর আজ শেষ ম্যাচে ফিলিপাইনের কাছে ৩-১ গোলে হারের লজ্জা নিয়ে দেশে ফিরতে হচ্ছে লাওসকে।

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচে ‘বি’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিল লাওস। ঐ ম্যাচে বিপলুর দেয়া একমাত্র গোলে জয় পেয়েছিল স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচ জিতেই সেমি ফাইনালে একধাপ এগিয়ে যায় জেমি ডে’র শিষ্যরা। তবে এক ম্যাচ হাতে রেখে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিতের বিষয়টি ঝুলে ছিল লাওস-ফিলিপাইন ম্যাচের উপর। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে লাওসকে জিততেই হতো র‌্যাংকিংয়ের ১১৪ নম্বরে থাকা ফিলিপাইনের সঙ্গে। কিন্তু এমন কঠিন সমীকরনের ম্যাচে জয়তো দূরের কথা, ড্র’ও করতে পারেনি। বড় হারের লজ্জা নিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিঁটকে পড়ে লাওস। শুক্রবার একই ভেন্যুতে গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হবে ফিলিপাইন।

বল মাঠে গড়ানোর পর থেকেই ফিলিপাইনিদের সামনে ভিড়তে পারছিল না লাওস। ফিলিপাইন আক্রমনাত্মক ফরর্ম্যাশনে খেলে প্রতিপক্ষ দলকে দিশেহারা করে ফেলেছিল। তবে লাওসের রক্ষণ দেয়াল ভাঙ্গতে অপেক্ষা করতে হয় ৪৩ মিনিট পর্যন্ত। গোলটি আসে পেনাল্টি থেকে। বাঁ প্রান্ত দিয়ে এন্ড্রুর বাড়িয়ে দেয়া বল নিয়ে জোভিন এডিচ বক্সে প্রবেশ করলে তাকে রাফ ট্যাকল করেন কাহার্ন। রেফারিও পেনাল্টির নির্দেশ দিতে দেরী করেননি। স্পট কিকে গোল করে ফিলিপাইনকে উৎসবে মাতিয়ে তোলেন এডিচ নিজেই (১-০)। এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার পর গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে উঠেছিল লাওস। ৪৮ মিনিটে সুযোগও এসেছিল তাদের সামনে। কিন্তু বদলী হিসেবে নামা সুকচিন্দার হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে হতাশ হয় তাদের। এরপর পাঁচ মিনিট পরেই উল্টো আরো এক হজম করতে হয় লাওসকে। এবার স্কোর লাইন আরো একধাঁপ উপরে নিয়ে যান জাভিয়ের অগাষ্টিন। বাঁ দিক থেকে হিকারুর ক্রসে দৌড়ে এসে হেডে নিশানা ভেদ করেন এ স্ট্রাইকার (২-০)। ম্যাচ শেষ হওয়ার ৯ মিনিট আগে লাওসের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন অধিনায়ক বাহাদূরান। এ গোলটিও এসেছে পেনাল্টি থেকে। নিজেদের বক্সে ভুল করে বল রিসিভ করতে গিয়ে হাত দিয়ে ঠেকান লাওসের ডিফেন্ডার সকছুন। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দিলে স্পট কিক থেকে গোল আদায় করে নেন ফিলিপাইনের কাপ্তান (৩-০)।

শেষ দিকে এসে কিছুটা চাপ প্রয়োগ করেছিল লাওস। একটি গোলও শোধ করেছিল তারা। পেনাল্টি থেকে গোল করেন পিথাক (৩-১)। কিন্তু হার এড়ানো সম্ভব হয়নি তাদের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD