জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে রুপা-শা‌ওন দ্রুততম

জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে রুপা-শা‌ওন দ্রুততম

এবারের জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে‌ও সাফল্য শুধু ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ ছিল রুপা খাতুনের। সেই চ্যালেঞ্জে তিনি বিজয়ী। আর খুলনার স্প্রিন্টার শাওন আহমেদ এবারই প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে হয়েছেন সেরা।

রুপা বিকেএসপিরই পতাকা উঁচু করেছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ বছর গ্রুপে ১০০ মিটার জিতেছেন তিনি ১২.৬৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে। এটা ইলেকট্রনিক টাইমিং। ইলেকট্রনিক টাইমার ঠিকঠাক চলবে কি না তা নিয়ে দৌড়ের সময়ও শঙ্কা ফেডারেশন কর্মকর্তাদের। মাঠে রাখার প্রদর্শনী বোর্ড অকেজো দেখালেও মূল যন্ত্রে সময়টা শেষ পর্যন্ত ঠিকঠাক ধরা গেছে। তা না হলে হাতঘড়ির সময়ে কাল রেকর্ডই হয় রুপার, সেখানে তাঁর টাইমিং ১২.২০। এর আগের রেকর্ড আইরিন আক্তারের, ১২.৩১ এ দৌড়েছিলেন তিনি।

খুলনার তরুণ শাওন বিকেএসপির রাজিব রাজু ও নাদিম মোল্লাকে পেছনে ফেলে ১০০ মিটার শেষ করেছেন ১১.৪২ সেকেন্ড সময় নিয়ে। কুষ্টিয়া তাঁর বাড়ি, খেলেছেন এবার খুলনা বিভাগের হয়ে। আন্ত:স্কুল অ্যাথলেটিকসে ভালো করার পরই তাঁকে নিয়ে কাজ শুরু করেন কুষ্টিয়ার আরেক সাবেক অ্যাথলেট সাহেব আলী। সেই প্রশিক্ষণেই বিকেএসপির দুই স্প্রিন্টারকে হারিয়ে শাওনের স্বপ্নের আকাশ এখন বেড়ে গেছে অনেক, ‘আমার আত্মবিশ্বাস ছিল সামর্থ্যের পুরোটা দিয়ে দৌড়াতে পারলে ভালো কিছুই হবে। আমি আজ সেটা পেরেছি। অ্যাথলেটিকসটাকে আমি ভালোবেসে ফেলেছি। ঢাকায় এসে এরমধ্যে সেনাবাহিনীতে ট্রায়ালও দিয়েছি। সেখানেও প্রথম হই। সেনাবাহিনীতে সুযোগটা হয়ে গেলে এই অ্যাথলেটিকসেই বড় কিছু করার দরজা খুলে যাবে আমার।’

শুক্রবার অবশ্য দুটি নতুন রেকর্ডও হয়েছে। মেয়েদের হাইজাম্পে বিকেএসপির জান্নাতুল ১.৬১ মিটার পেরিয়ে গড়েছেন নতুন রেকর্ড। আগের রেকর্ডটি ছিল ১.৫৫ মিটার, বিকেএসপিরই লাবনী আক্তার গড়েছিলেন ২০১১ সালে। জ্যাভলিন থ্রোতে আবার জেলার সাফল্য। নড়াইলের তন্ময় বৈদ্য ৫৫.৯২ মিটার পার করে ২০০৭ সালে গড়া হাবিবুর রহমানের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। এছাড়া ১৫০০ মিটারে নড়াইলের বিজয় মল্লিক ও রিংকি বিশ্বাস, ছেলেদের হাইজাম্পে নড়াইলেরই আমিনুর রহমান, শটপুটে একই জেলার কিমি কর্মকার ও লং জাম্পে সোনা জিতেছেন বিকেএসপির হোসেন মুরাদ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD