সেমিফাইনালে ফ্রান্স

সেমিফাইনালে ফ্রান্স

খেলার দুই অর্ধে দুই গোল করে উরুগুয়েকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০০৬ সালের পর আবার‌ও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স। তাদের হয়ে গোল দুটি করেন করেছেন মাদ্রিদের দুই খেলোয়াড়। ৪০ মিনিটে রিয়ালের রাফায়েল ভারানে এবং ৬১ মিনিটে অ্যাটলেটিকোর আঁতোয়ান গ্রিজমান।

https://www.youtube.com/watch?v=Kv_TBRij-_c

৪০ মিনিটে করা রাফায়েল ভারানের এই গোলটিই যে শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের সেমিফাইনালে ওঠার চাবিকাঠি হবে তখনও সেটা ভাবা যায়নি। গ্রিজম্যানের সেটপিসে দারুণ হেড ভারানের। বল খুঁজে পায় জালের ঠিকানা।

নিঝনি নভগ্রোদে, খেলার শুরুতে পরিচ্ছন্ন আক্রমণের চেয়ে ফাউল করাতেই বেশি মনোযোগী ছিল উরুগুয়ে। আর ফ্রান্স নিজেদেরকে গুছিয়ে নিতেই পারেনি।

ভারানের গোলের পর হুশ ফেরে উরুগুয়ের। চলে গোল শোধের চেষ্টা। ৪৪ মিনিটে দিয়েগো গোদিনের দারুণ ফ্রিকিক অসামান্য দৃঢ়তায় ঠেকান ফ্রান্সের গোলকিপার হুগো লরিস। ফিরতি বল বাইরে পাঠিয়ে যেনো ফ্রান্সকে বিপদমুক্ত করেন উরুগুয়ের ডিফেন্ডার মার্টিন সিজার্স।

এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দিদিয়ের দেশামের দল।

প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকা ফ্রান্স বিশ্বকাপে কখনো হারেনি। সেই রেকর্ডটা আরো বড় হবে কি হবে না তখনও ছিল সংশয়। তবে ইনজুরির কারণে কাভানি খেলতে না পারায় রীতিমতো নখদন্তহীন হয়ে যায় ‘লা সেলেস্তে’দের আক্রমণভাগ। ফ্রান্সের সীমানায় বেশ কয়েকবার আক্রমণ চালিয়েও সুয়ারেজরা কোন সুবিধা করতে পারেন নি।

উল্টো ৬২ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে গ্রিজম্যান ‘লা ব্লু’দের ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। তবে এতে বিশ্বকাপে তৃতীয় গোল করা গ্রিজম্যানের যতটা না কৃতিত্ব, তারচেয়ে বেশি ব্যর্থতা উরুগুয়ের গোলকিপার ফার্নান্ডে মুসলেরার। তার হাত ফসকেই বল জালে জড়ায়।

বাকী সময়ে আর কোন গোল না হলে, ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। এতে তারা ২০০৬ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলো। জার্মানি, ব্রাজিল ও ইটালির পর চতুর্থ দল হিসেবে বিশ্বকাপে ষষ্ঠবার শেষ চারের টিকিট পেলো ফ্রান্স। আর প্রথমে গোল হজম করে আগের ১৬ ম্যাচে জয় না পাওয়া উরুগুয়ে। এবারও না পারার আক্ষেপ নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD