বক্সিংয়ে নির্বাচন আগামীকাল

বক্সিংয়ে নির্বাচন আগামীকাল

বক্সিংয়ের রিংয়ের বাইরে ভোট-ব্যালটের লড়াই হবে আগামীকাল মঙ্গলবার। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরাতন ভবনের সভাকক্ষে সকাল ১০টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মাসুদ করিম নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন। ৭৯ জন কাউন্সিলর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যদিও ঢাকার বাইরে ও অসুস্থ থাকায় তিনজন কাউন্সিললর ভোট দিতে নাও আসতে পারেন।

ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির ২৪ পদের মধ্যে ১৫টি পদে দু’প্যানেলের ৩০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একদিকে সেলিম-কুদ্দুস পরিষদ এবং অন্যদিকে সেলিম-তুহিন পরিষদ। তবে অদ্ভুত মিল এক জায়গায়! জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের (ফোরাম) জন্য বাকি নয়টি পদ (একটি সহ-সভাপতি ও আটটি সদস্য) রেখে দিয়েছে দু’প্যানেলই। ফলে নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের বাইরে ফোরামের সমর্থন যেদিকে থাকবে জয় তাদের জন্যই সহজ হবে। ক্রীড়াঙ্গনে বিভিন্ন ফেডারেশনের পৃথক প্যানেলের নজির থাকলেও নয়জন প্রার্থীর দুটি প্যানেলে থাকাটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। উপরোক্ত নয়জন শেষ পর্যন্ত কোন পক্ষে যান সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ইতিপূর্বে বক্সিংয়ে নির্বাচনী উত্তাপ কখনই ছিল না। এবার যেন সব উত্তাপকে ছাড়িয়ে গেছে। সভাপতি বাদে ২৪টি পদ রয়েছে বক্সিং ফেডারেশনে। দু’টি প্যানেলই ১৫টি করে পদে লড়ছে। যদিও সেলিম-কুদ্দুস প্যানেলের অন্যতম সদস্য প্রার্থী আনসারের রায়হান ফকির শেষ মুহূর্তে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। সেলিম-কুদ্দুস খান সম্মিলিত পরিষদ থেকে সহ-সভাপতি পদে প্রার্ধী হয়েছেন পুলিশের ডিআইজি শেখ মারুফ হাসান, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান ও সোনালী আঁশ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পাটোয়ারী। এই প্যানেলের সাধারন সম্পাদক পদে এমএ কুদ্দুস খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী কুদ্দুস। তার প্যানেলে সংগঠক, পৃষ্ঠপোষক এবং নারী ক্রীাড়বিদদের রেখে সামঞ্জস্যতা বজায় রাখা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।

অন্যদিকে সেলিম-তুহিন পরিষদে সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন সাবেক বক্সার ও প্রবীন সংগঠক শেখ মুহাম্মদ আলম, ইয়ংমেন্স ফকিরেরপুল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাজী সাব্বির হোসেন ও ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন চৌধুরী পারভেজ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাজাহারুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই প্যানেলের মূল শক্তি ৩৮টি ক্লাব। পবির্তনের অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচনে জিতবেন বলে আশাবাদী তুহিন। বিশেষকরে আগের কমিটির অনেকেই তার পক্ষে চলে আসায় পাল্লা ভারী বলেই মনে করছেন তার সমর্থকরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD