হকি লিগের দলবদল মার্চে

হকি লিগের দলবদল মার্চে

মার্চ মাসের শেষ দিকে হবে প্রিমিয়ার লিগের দলবদল। তবে কোটা প্রথা থাকছেই। জাতীয় দলের অধিকাংশ সদস্য বিভিন্ন সার্ভিসেস দলে খেলেন। তার বাইরে হকির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খেলোয়াড় আসে বিকেএসপি থেকে। দুটি সংস্থা থেকে প্রতি ক্লাব সর্বোচ্চ চারজন করে আট খেলোয়াড় নিতে পারবে— এমন খসড়া নিয়ম ধরেই দলবদল কার্যক্রমে এগোচ্ছে ফেডারেশন।

‘ক্লাবগুলো সার্ভিসেস দল থেকে সর্বোচ্চ চারজন ও বিকেএসপি থেকে চারজন করে নিতে পারবে— এমন খসড়া পরিকল্পনা করেই আমরা এগোচ্ছি। লিগ কমিটির সভায় ক্লাবগুলো কী প্রস্তাব দেয় দেখব। তার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্তু নেয়া হবে। ওই সিদ্ধান্তু পরবর্তীতে নির্বাহী কমিটিতে পাঠানো হবে’ আসন্ন দলবদল সম্পর্কে জানান লিগ কমিটির সম্পাদক কাজী মঈনুজ্জামান পিলা।

একে তো ঘরোয়া হকি কার্যক্রম নিয়মিত নয়। সবশেষ লিগ অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৬ সালে। যে কারণে খেলোয়াড়দের আয়ের উৎসও বন্ধ। তার ওপর কোটা পদ্ধতির কারণে কাংক্ষিত পারিশ্রমিকের পথও সংকুচিত হচ্ছে। ‘কোটা নিয়ে আর কী বলব? ক্লাব ও ফেডারেশন যে সিদ্ধান্তু নেবে, সেটাই আমাদের মেনে নিতে হবে। লিগ প্রতি বছর হলে একটা কথা ছিল। দু-তিন বছর পর হয় লিগ। এখানে যদি কোটা বেঁধে দলবদল বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তবে আমরা আর্থিকভাবে তো ক্ষতিগ্রস্ত হবই।’ বলেন জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড হাসান যুবায়ের নিলয়।

আবাহনী ম্যানেজার জাকি আহমেদ রিপন জানান, কোটা পদ্ধতি খেলোয়াড়দের আর্থিক দিকটাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। ‘কোটা পদ্ধতি নতুন নয়, এটা আগেও ছিল। আমি মনে করি, এবারের কোটা পদ্ধতির কারণে খেলোয়াড়রা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। কারণ অতীতে ক্লাবগুলোর মাঝে অলিখিত চূক্তি হতো যে, তিন লাখ টাকার বেশি কেউ পেমেন্ট দেবে না। এবার কিন্তু তেমন কিছু হয়নি। অন্যান্য মৌসুমে আবাহনী, মোহামেডান, ঊষা ও মেরিনার্সের মাঝে চতুর্মুখী লড়াই হলেও এবারের দলবদল বাজারে তেমনটা দেখা যাচ্ছে না। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মেরিনার্স ক্লাব সবার আগে দল গঠন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ সম্পর্কে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান উল্লাহ খান রানা বলেছেন, দল গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আগেই। অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে চূড়ান্তু কথাও হয়েছে।’

কোটা থাকছে ধরে নিয়েই দলবদল কার্যক্রমে নামছে আবাহনী। মেরিনার্স ও আবাহনী দল গোছাতে ব্যস্ত হলেও দলবদলে এখনো সেভাবে নামেনি ঊষা ও মোহামেডান।

ঊষার দলবদল পরিকল্পনা সম্পর্কে দলটির ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম কামাল বলেছেন, এখনো দল গঠনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তু হয়নি। আগামীকাল সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্তু হতে পারে। কোটা পদ্ধতির সঙ্গে সাত বিদেশী নিবন্ধন। অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে, তাতে অনেক শীর্ষ খেলোয়াড়কেই হয়তো নামমাত্র পারিশ্রমিকে খেলতে হতে পারে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD