জিতেই কোয়ার্টার ফাইনালে আবাহনী

জিতেই কোয়ার্টার ফাইনালে আবাহনী

একটা ভয় ছিল আবাহনীর। যদি হেরে যায়? শঙ্কাটা অমূলক নয়। ফুটবলে যে কোনো কিছুই ঘটতে পারে। সোমবার মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে যদি হারের শঙ্কায় থেকে থাকে আবাহনী, তাহলে একই কারণে আশায় ছিল প্রিমিয়ার লিগের নবাগত সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবও।

আবাহনী হারলে যে তাদের সামনে তৈরি হতো ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ! কিন্তু ফেডারেশন কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী সে সুযোগ দেয়ইনি নবাগত দলটিকে। ড্র করলেই নিশ্চিত হতো আবাহনীর কোয়ার্টার ফাইনাল। ড্র নয়, জিতেইে আকাশী-হলুদরা উঠে গোলে নকাউটপর্বে।

সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আবাহনী ১-০ গোলে মুক্তিযোদ্ধাকে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে নিশ্চিত করেছে কোয়ার্টার ফাইনাল। চ্যাম্পিয়নরা ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের সঙ্গে ড্র দিয়ে। সোমবারের জয়ে তাদের ঝুলিতে পয়েন্ট হলো ৪। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আবাহনী কোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে ব্রাদার্সের বিপক্ষে আর মুক্তিযোদ্ধার প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জ।

সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে হারিয়ে আগেই কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। তরুণ কোচ মাসুদ পারভেজ কায়সারের দলের জন্য শেষ ম্যাচটি ছিল আবাহনীর সঙ্গে শক্তির পরীক্ষার। সে পরীক্ষায় তারা হেরে গেছে লড়াই করেই। ড্র করলেই চলতো।

কিন্তু আবাহনীকে ড্রয়ের জন্য খেলতে দেখা যায়নি। মুক্তিযোদ্ধাও ম্যাচটি জিততে আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। দুই দলের জয়ের এ তাগিদ ম্যাচটিকেও করেছিল বেশ আকর্ষণীয়। যদিও আবাহনীর বারবার আক্রমণে এক পর্যায় মুক্তিযোদ্ধাকে বেছে নিতে হয় প্রতি আক্রমণের কৌশল।

একাধিক আক্রমণ ব্যর্থ হওয়ার পর আবাহনী লীড পায় ২৯ মিনিটে। গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড ল্যান্ডিং আর রুবেল মিয়া মুক্তিযোদ্ধার ডিফেন্স ভেঙ্গে সুযোগ তৈরি করেন। রুবেল মিয়া বল ধরে যখন ঢুকে পড়েন মুক্তিযোদ্ধার সীমানায় তখন পোস্ট ছেড়ে একটু বেরিয়ে এসেছিলেন উত্তম বড়ুয়া। সে সুযোগটাই নিয়েছেন রুবেল। আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে দেন আবাহনীর তরুণ এ ফরোয়ার্ড।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD