ভারোত্তোলনে রৌপ্য জয়

ভারোত্তোলনে রৌপ্য জয়

স্পোর্টস রিপোর্টার, গোহাটি থেকে : চলতি এসএ গেমসের প্রথম যে রৌপ্য পদকটি এসেছিল, সেটি ছিল ভারোত্তোলনে। সেই ভারোত্তোলনের হাত ধরেই এলো দ্বিতীয় দিনের প্রথম পদকটি। তবে এটি ব্রোঞ্জ নয়, রৌপ্য পদক। এ পদকটি এসেছে ফুলপতি চাকমার হাত ধরে। রোববার সকালে গৌহাটির ভোগেশ্বরী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মেয়েদের ৫৮ কেজি ওজন শ্রেনীতে তিনি এ পদক জয় করেন। শ্রীলঙ্কার উমেরিয়া মোহিদীনকে পেছনে ফেলে রৌপ্য পদক নিজের করে নিয়েছেন ফুলপতি। এ ইভেন্টে স্বর্ণ পদক গলায় পুড়েছেন স্বাগতিক ভারতের কমলা শ্রেষ্ঠ।
সকালে লড়াইয়ে নেমে ফুলপতি চাকমা ¯œ্যাচে ৬৩ ও ক্লিন এন্ড জার্কে ৮১ মোট ১৪৪ কেজি তুলে দেশের হয়ে দ্বিতীয় রৌপ্য পদকটি নিশ্চিত করেন। তবে স্বর্ণ জয়ী স্বাগতিক ভারতের কমলা শ্রেষ্ঠর সঙ্গে ওজনের পার্থক্যটা বিস্তর। ফুলপতির চেয়ে ৪৩ কেজি বেশী ওজন তুলেছেন স্বাগতিক ভারোত্তোলক। (৮০ ও ১০৭) মোট ১৮৭ কেজি তুলে স্বর্ণ জেতেন কমলা শ্রেষ্ঠ। আর (৬১ ও ৮১) মোট ১৪২ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ পান শ্রীলঙ্কার উমেরিয়া মোহিদীন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এটিই তার প্রথম রৌপ্য পদক জয় নয়, ২০১২ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত প্রথম সাউথ এশিয়ান ভরোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশীপে রৌপ্য পেয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী এ ভারোত্তোলক। আর ২০১০ সালে মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশীপে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছিলেন।
এবারই প্রথম মহিলা ভারোত্তোলন ক্যাটাগরী যুক্ত করা হয় এসএ গেমসে। আর প্রথমবার অংশ নিয়েই বাংলাদেশকে রৌপ্য পদক এনে দিতে পেরে খুব খুশি ফুলপতি চাকমা, ‘আমি খুব খুব খুশী পদকটি জিততে পেরে।’ এ ইভেন্টে স্বর্ণ পদক জয়ী ভারতের কমলা শ্রেষ্ঠর সঙ্গে ওজনের ক্ষেত্রে বিস্তর তফাৎ রয়েছে ফুলপতির। সেটারও ব্যখ্যা দিয়েছেন ২০০৬ সালে জুডো খেলা ছেড়ে ভারোত্তোলনে নাম লেখানো ফুলপতি, ‘ভারতের স্বর্ণ জয়ী কমলা শ্রেষ্ঠর (৫৭ দশমিক ৯ কিলোগ্রাম) সঙ্গে আমার (৫৪ দশমিক ৮ কিলোগ্রাম) ওজনের পার্থক প্রায় চার কিলোগ্রাম। তাই তাকে টপকানো আমার পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়।’
পদক জেতার অনুভুতিতে তিনি আরো জানান, স্বর্ণ পদক তার প্রত্যাশা ছিলো। যেহেতু হয়নি তবু খুশি রৌপ্য পদক জিতে। দেশের জন্য একটি পদক জিততে পেরেছি বলে ভালো লাগছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD