পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান রানসংখ্যায় সবার চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন। দুটি সেঞ্চুরিসহ তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৮৩ রান। কিন্তু তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স সত্ত্বেও পাকিস্তান সুপার এইট পেরোতে পারেনি।
একই চিত্র দেখা গেছে কানাডার যুবরাজ সামরার ক্ষেত্রে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৫ বলে ১১০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে তিনি চলতি আসরের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক হন। তবু গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে কানাডাকে।
সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক
১. সাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান) — ৭ ম্যাচে ৩৮৩ রান (সর্বোচ্চ ১০০*)
২. ব্রায়ান বেনেট — ৬ ম্যাচে ২৯২ রান (৯৭*)
৩. এইডেন মার্করাম (দক্ষিণ আফ্রিকা) — ৭ ম্যাচে ২৬৮ রান (৮৬*)
৪. শিমরন হেটমায়ার — ২৪৮ রান
৫. সূর্যকুমার যাদব (ভারত) — ২৩১ রান
৬. রায়ান রিকেলটন — ২২৮ রান
৭. হ্যারি ব্রুক (ইংল্যান্ড) — ২২৮ রান
৮. ইশান কিশান — ২২৪ রান
৯. শাই হোপ — ২১৭ রান
১০. টিম সাইফার্ট — ২১৬ রান
সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস
১. যুবরাজ সামরা — ১১০ (৬৫ বল), নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে
২. হ্যারি ব্রুক — ১০০ (৫১ বল), পাকিস্তানের বিপক্ষে
৩. পাথুম নিশাঙ্কা — ১০০* (৫২ বল), অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে
৪. সাহিবজাদা ফারহান — ১০০* (৫৮ বল), নামিবিয়ার বিপক্ষে
৫. সাহিবজাদা ফারহান — ১০০ (৬০ বল), শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে
৬. সাঞ্জু স্যামসন — ৯৭* (৫০ বল), ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে
৭. ব্রায়ান বেনেট — ৯৭* (৫৯ বল), ভারতের বিপক্ষে
৮. ইব্রাহিম জাদরান — ৯৫* (৫৬ বল), কানাডার বিপক্ষে
৯. লরকান টাকার — ৯৪* (৫১ বল), ওমানের বিপক্ষে
১০. টিম সাইফার্ট — ৮৯* (৪২ বল), সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে
সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি
১. শ্যাডলি ভ্যান শাল্কউইক — ৪ ম্যাচে ১৩ উইকেট
২. ব্লেসিং মুজারাবানি — ৬ ম্যাচে ১৩ উইকেট
৩. লুঙ্গি এনগিডি — ১২ উইকেট
৪. বরুণ চক্রবর্তী — ১২ উইকেট
৫. করবিন বশ — ১১ উইকেট
৬. মাহিশ থিকশানা — ১১ উইকেট
৭. আদিল রশিদ — ১১ উইকেট
৮. মার্কো ইয়ানসেন — ১১ উইকেট
৯. উসমান তারিক — ১০ উইকেট
১০. লিয়াম ডসন — ১০ উইকেট
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
