ঢাকাThursday , 8 February 2024
  1. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  2. অ্যাথলেটিক
  3. আইপিএল
  4. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরচারি
  7. এশিয়া কাপ
  8. এশিয়ান গেমস
  9. এসএ গেমস
  10. কমন ওয়েলথ গেমস
  11. কাবাডি
  12. কুস্তি
  13. ক্রিকেট
  14. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
  15. টেনিস

যৌথ চ্যাম্পিয়ন ভারত-বাংলাদেশ

Sahab Uddin
February 8, 2024 10:45 pm
Link Copied!

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালকে ঘিরে নাটকীয়তা যেন সবকিছুর সীমা ছাড়িয়ে গেল। ম্যাচ কমিশনারের একটা ভুলের কারণে এই ম্যাচ নিয়ে ব্যাপক জটিলতার সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত যৌথভাবে দুই দলকেই চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফাইনাল ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হয়। ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। কিন্তু সেখানেও ১১-১১ গোলে টাই হয়। সমতার পর টসের সিদ্ধান্ত নেন ম্যাচ কমিশনার। প্রথমিকভাবে সিদ্ধান্ত মেনে টসে যায় দুই দল। তবে টসের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত আসার পর মেনে নেয়নি বাংলাদেশ। তারা সাফের অফিসিয়াল নিয়মের কথা তুলে ধরে ম্যাচ কমিশনারের কাছে। তাতে সিদ্ধান্ত বদলান কমিশনার।
টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী সাডেন ডেথ চলবে। তাই শ্রীলঙ্কার ম্যাচ কমিশনার ডি সিলভা ডিলান সাফ ও অন্যদের সাথে আলোচনার পর পুনরায় সাডেন ডেথের কথা বলেন। এতে ভারত আপত্তি জানায়। ভারত সেই প্রতিবাদ জানিয়ে মাঠ ছাড়ে। রেফারি ৩০ মিনিট অপেক্ষা করেন। বাইলজ অনুযায়ী ভারত মাঠে না ফিরলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সব পক্ষের সাথে আলোচনা শেষে ম্যাচ কমিশনার যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেন স্বাগতিক বাংলাদেশ ও ভারতকে।
মূল নাটকটা সাডেন ডেথ ঘিরে। সাডেন ডেথের নিয়ম অনুযায়ী, যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো এক দল এগিয়ে না যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত শট নেওয়া চলতে থাকবে। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সাডেন ডেথে স্কোর যখন ১১-১১, তখন নেপালি রেফারি অঞ্জনা রায় টাইব্রেকার চলমান রাখতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঠিক তখন শ্রীলঙ্কার ম্যাচ কমিশনার জয়সুরিয়া সিলভা রেফারিকে ডেকে এনে টস করতে নির্দেশ দেন।
বাংলাদেশ অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার ও ভারতের অধিনায়ক নিতু লিন্ডাকে ডেকেই রেফারি কিছু বোঝার আগে টস সেরে ফেলেন। ভারতীয় খেলোয়াড়রা যখন আনন্দ উল্লাস শুরু করেন, তখন হতবাক হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরে বাংলাদেশের খেলোয়াড়-কর্মকর্তারা প্রতিবাদ করলে বাইলজ ঘেঁটে রেফারিরা দেখেন, টসের নিয়ম নেই। টাইব্রেকার চলমান থাকবে। ফলে টস বাতিল করা হয়।
এই সিদ্ধান্তে আবার প্রতিবাদ জানায় ভারত। এক পর্যায়ে ভারতের কর্মকর্তারা তাদের খেলোয়াড়দের ডেকে মাঠের বাইরে নিয়ে যান। ৩০ মিনিট পার হয়ে গেলেও ভারতীয় দল মাঠে ফেরেনি।
এর আগে, বাবা-মা সেই ঠাকুরগাঁও থেকে অনেক চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে ঢাকায় এসেছেন মেয়ের খেলা দেখতে, মেয়েকে না জানিয়েই। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ফাইনালে বাঁচিয়ে রেখেছেন এখন পর্যন্ত। বাড়িয়ে দেওয়া চার মিনিটের খেলার তখন ১ মিনিট বাকি। বাংলাদেশ পিছিয়ে ১-০ গোলে। ভারতের ডাগাউটে তখন উৎসবের প্রস্তুতি। শেষ বাঁশি বাজলেই যে বাংলাদেশের কাছ থেকে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা চলে যাবে তাদের হাতে। ঠিক তখনই বাংলাদেশের সাগরিকা গোল করে ফাইনাল টেনে নিয়ে যায় টাইব্রেকার।
আরও আগে ম্যাচের ৮ মিনিটে ভারতের অধিনায়ক নিতু লিন্ডা লম্বা পাস দিয়েছিলেন সিবানী দেবিকে। সিবানির কাছাকাছি ছিলেন দুই ডিফেন্ডার জয়নব ও আফঈদা খন্দকার। কেউই বাধা দিতে পারেননি সিবানিকে। গোলরক্ষক একটু এগিয়ে এসেছিল। সিবানি নিঁখুত শটে বল জালে পাঠান। সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে চতুর্থ ম্যাচে এসে বাংলাদেশের জালে প্রথম বল পাঠাতে পেরেছে ভারত।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।