নিরাপত্তা ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ। এ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কিন্তু বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি মিঠুন মানহাস।
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দেখতে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রায়পুরে যান বিসিসিআই সভাপতি।স্বামী বিবেকানন্দ বিমানবন্দরে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান মিঠুন মানহাস। তবে বারবার প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এখানে রায়পুরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দেখতে এসেছি।’
এর আগে, বুধবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশের ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। এরপরই বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারা ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসির সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, আইসিসি দ্বৈত নীতি অনুসরণ করছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ভারত পাকিস্তানে না গিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাদের সব ম্যাচ খেলেছিল।
আমিনুল ইসলাম ইএসপিএনক্রিকইনফোকে বলেন, ‘যখন একটি দেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য অন্য একটি দেশে যেতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন আইসিসি তাদের জন্য নিরপেক্ষ ভেন্যুর ব্যবস্থা করে। তারা সব ম্যাচ এক ভেন্যুতে, এক হোটেলে থেকে খেলেছে। এটি ছিল একটি বিশেষ সুবিধা।’
বর্তমান সূচি অনুযায়ী, লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করার কথা ছিল। এরপর ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচও কলকাতাতেই নির্ধারিত ছিল। পরে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে খেলার সূচি ছিল বাংলাদেশের।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
