ঢাকাTuesday , 25 June 2024
  1. world cup cricket t20
  2. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  3. অ্যাথলেটিক
  4. আইপিএল
  5. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরচারি
  8. এশিয়া কাপ
  9. এশিয়ান গেমস
  10. এসএ গেমস
  11. কমন ওয়েলথ গেমস
  12. কাবাডি
  13. কুস্তি
  14. ক্রিকেট
  15. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিতে আফগানিস্তান : বিদায় অস্ট্রেলিয়ার

BDKL DESK
June 25, 2024 11:23 am
Link Copied!

ইতিহাস গড়লো আফগানিস্তান। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে গেলো রশিদ খানের দল। বাংলাদেশকে ৮ রানে হারিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করলো আফগানরা। পরিবর্তিত লক্ষ্য ১১৪ রানও করতে পারলো না টাইগাররা। অলআউট হলো ১০৫ রানে।
বাংলাদেশকে হারানোর সঙ্গে সঙ্গে অস্ট্রেলিয়াকেও সুপার এইট থেকে বিদায় করে দিলো আফগানিস্তান। অথচ সেমি সেমিতে ওঠার দারুণ সুযোগ ছিল বাংলাদেশেরও। সুযোগটা নিতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০২৩ বিশ্বকাপেও প্রায় সেমিফাইনালে উঠে গিয়েছিলো আফগানিস্তান। তবে শেষ মুহূর্তে ৬ষ্ঠ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। এবার এক বছর পর ঠিকই সেমিফাইনালে উঠে আফগানিস্তান বুঝিয়ে দিলো, ক্রিকেটে তারা কতদূর এগিয়ে গেছে।
এবারের বিশ্বকাপের শুরুতেই নিউজিল্যান্ডকে ৭৫ রানে অলআউট করে তেমন কিছুর ইঙ্গিত দিতে শুরু করে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারলেও সুপার এইটে উঠতে সমস্যা হয়নি। সুপার এইটে ভারতের কাছে হারলেও অস্ট্রেলিয়াকে ২১ রানে হারিয়েই সেমির সম্ভাবনা জোরালো করে তারা। এবার বাংলাদেশকে হারিয়ে স্বপ্ন সত্য করলো রশিদ খানের দল।
সেমিতে যেতে হলে ১২.১ ওভারে আফগানদের করা ১১৫ রানের চ্যালেঞ্জ পাড়ি দিতে হবে। শুরুটাও তেমন মারমুখি করেছিলো বাংলাদেশ; কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে ব্যাটাররা পারলেন না বিগ শট খেলতে। পারলেন না দ্রুত রান তুলতে। যার ফলে ১২.১ ওভার কিংবা ১৩ ওভারের মত জয়ও হলো না টাইগারদের।
সুপার এইটের প্রথম দুই ম্যাচ বাজে খেলেও সেমিফাইনালে ওঠার দারুণ সুযোগটা পেয়েও কাজে লাগাতে পারলো না টাইগাররা। তানজিদ তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয় কিংবা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ- কেউই আফগান বোলারদের সামনে একটু বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারলেন না।
একপ্রান্তে লিটন দাস দাঁড়িযে থেকে বেশ ভালোভাবে চেষ্টা করেছিলেন রানকে এগিয়ে নিতে। কিন্তু লাভ হয়নি। অন্যদের ব্যর্থতায় সেমিতে ওঠা হলো না।
শুধু ১২.১ ওভারে জয়ই নয়, ম্যাচটাই জিততে পারলো না শেষ পর্যন্ত। মাঝে দু’বার বৃষ্টির কারণে এক ওভার কেটে ১৯ ওভারে ১১৪ রানের লক্ষ্য দেয়া হয়। ১৭.৫ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় ১০৫ রানে।
বাংলাদেশের ওপেনিংয়ের সমস্যা কাটছেই না। একজন ব্যাটারও ছন্দে নেই। লিটন দাস, সৌম্য সরকারের কথা বলা হয়, তারা ফর্মে নেই।
কিন্তু যে তানজিদ হাসান তামিমের ওপর আস্থা রেখেছিলো টিম ম্যানেজমেন্ট, সেই তামিমই একের পর এক ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। আবারও শূন্য রানে আউট হলেন তিনি। এবারের বিশ্বকাপে এ নিয়ে তিনবার শূন্য রানে আউট হলেন এই তরুণ ওপেনার।
১২.১ ওভারে ১১৬ রান করার লক্ষ্যেই শুরু থেকে মারকুটে ব্যাট করা প্রয়োজন বাংলাদেশ দলের ব্যাটারদের। লিটন দাস শুরুটা করলেন তেমনই। কিন্তু তানজিদ হাসান তামিম কী করলেন?
মারমুখি হওয়া তো দুরে থাক, রক্ষণাত্মক খেলতে গিয়ে ফজলহক ফারুকির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে গেলেন কোনো রান না করেই। দলীয় রান ছিল এ সময় ১৬। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কাছে প্রত্যাশা ছিল অনেক। তিনিও গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে নিজের ব্যাটকে মেলে ধরবেন। একটি বাউন্ডারি মেরেছিলেনও।
কিন্তু নাভিন-উল হকের বলে মোহাম্মদ নবির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি মাত্র ৫ রান করে। এরপর মাঠে নামেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের তকমাধারী এই ক্রিকেটারের কাছেও ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠার প্রত্যাশা ছিল সবার।
কিন্তু তিনি মারলেন গোল্ডেন ডাক। নাভিন-উল হকের প্রথম বল মোকাবেলা করতেই রিটার্ন ক্যাচ দিলেন তিনি। ২৩ রানে পড়লো বাংলাদেশের ৩ উইকেট। এরপর সৌম্য সরকার ১০ বল খেলে আউট হলেন ১০ রান করে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে বাদ পড়েছিলেন। অন্যদের ব্যর্থতায় সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারলেন না। রশিদ খানের বলে বোল্ড হয়ে গেলেন
তাওহিদ হৃদয়ের ওপর প্রত্যাশার পারদ ছিল সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ব্যাট করতে এসে এলোমেলো শট খেলতে শুরু করেন। রানআউট থেকে বাঁচলেন, ক্যাচ ছেড়ে দিলো আফগান ফিল্ডাররা, বল ঠেলে বাউন্ডারি বানিয়ে দিলো। তবুও তাওহিদ আজ হৃদয় জিততে পারেননি। ৯ বলে ১৪ রান করে আউট হলেন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও একই অবস্থা। যত বড় মাপের খেলোয়াড়ই হোক না কেন, চাপই নিতে পারেন না যেন। ৯ বলে ৬ রান করে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে আউট হলেন তিনি।
রিশাদ হোসেন দেশের মাটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দেখিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। বিশ্বকাপে বোলার রিশাদকে ভালোভাবে চেনা গেলেও ব্যাটার রিশাদকে খুঁজে পাওয়া গেলো না। প্রথম বলেই বোল্ড হলেন তিনি রশিদ খানের বলে।
তানজিম সাকিব ১০ বলে ৩, তাসকিন আহমেদ ৯ বলে ২ রান করে আউট হন। নাভিন-উল হকের বলে ১৭.৫ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান এলবিডব্লিউ হতেই বিজয়ের আনন্দে দৌড় শুরু করেন আফগান ক্রিকেটাররা। নাভিন উল হক ও রশিদ খান নেন ৪টি করে উইকেট। ১টি করে নেন ফজলহক ফারুকি এবং গুলবাদিন নাইব।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।