বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরে প্রথমবার অংশ নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। কিন্তু নিজেদের প্রথম আসরে মাঠের লড়াইয়ে একেবারে সুবিধা করতে পারছে না ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। পাকিস্তানের তারকা হায়দার আলী নেতৃত্বাধীন নোয়াখালীর দলটি হারল টানা চতুর্থ ম্যাচে। তাদের ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয়ে ফিরল মেহেদি হাসান মিরাজের সিলেট টাইটান্স।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের ১৩তম ম্যাচে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ১৪.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ৬১ রান করে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। জবাব দিতে নেমে ৪ উইকেট হারালেও ৬৮ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে সিলেট। বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ৭ রানের খরচায় ৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন নাসুম আহমেদ।
৬২ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় সিলেট। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৫ বল খেলে মাত্র ১ রান করে আউট হন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৫৩ রানের জুটি গড়েন আরেক ওপেনার তৌফিক খান ও জাকির হাসান। ১৮ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৩২ রান করে জহির খানের বলে আউট হন তৌফিক। এই আফগান স্পিনারের শিকার হন আফিফ হোসেন (২) ও জাকিরও (২৪।
পঞ্চম উইকেটে দুই বিদেশি রিক্রুট আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মঈন আলী মিলে মাত্র ৮.২ ওভারে জয় নিশ্চিত করেন। ১ রানে মঈন ও ০ রানে ওমরজাই অপরাজিত থাকেন। আফগান স্পিনার জহির খান ১.৪ ওভারে ৮ রানের বিনিময়ে ১ উইকেট শিকার করেন।
এর আগে, ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নাসুম আহমেদের ঘূর্ণিই সামলাতে পারেননি নোয়াখালী নামে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটাররা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রানের ইনিংসটি উইকেটরক্ষক ব্যাটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের। এছাড়া ১৮ রান করেন ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান। বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।
বোলিংয়ে ৪ ওভার বল করে মাত্র ৭ রানের খরচায় ৫ উইকেট উইকেটে নেন নাসুম। এটাই তার বিপিএলের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার। সেই সঙ্গে বিপিএলে যেকোনো স্পিনারের সেরা বোলিং ফিগারও এটি।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
