ঢাকাSaturday , 28 February 2026
  1. world cup cricket t20
  2. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  3. অ্যাথলেটিক
  4. আইপিএল
  5. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরচারি
  8. এশিয়া কাপ
  9. এশিয়ান গেমস
  10. এসএ গেমস
  11. কমন ওয়েলথ গেমস
  12. কাবাডি
  13. কুস্তি
  14. ক্রিকেট
  15. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

জিসানের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় টপকালো সেন্ট্রাল জোন

BDKL DESK
February 28, 2026 10:37 pm
Link Copied!

তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরি, তানজিদ হাসান তামিমের নব্বই ছাড়ানো ইনিংস আর সাব্বির রহমানের ঝোড়ো ফিনিশিংয়ে ৩২২ রানের বিশাল পুঁজি গড়েছিল নর্থ জোন। দেখে মনে হচ্ছিল জয়টা কেবল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু জিসান আলমের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি আর শেষ দিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের অসাধ্য সাধনে ৪ বল বাকি থাকতেই নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে সেন্ট্রাল জোন। এই জয়ের ফলে আগামী ৩ মার্চ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আবারও মুখোমুখি হবে এই দুই দল।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন জিসান আলম। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও সাইফ হাসান হতাশ করলেও নারায়ণগঞ্জের এই তরুণ ওপেনার একপ্রান্তে আক্রমণ চালিয়ে যান। তার তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতেই ৭৩ রান তুলে ফেলে সেন্ট্রাল জোন। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ২১ বছর বয়সী এই ওপেনার মাত্র ৩৩ বলে ফিফটি ছোঁয়ার পর ৭৪ বলে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের প্রথম লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরি। ১৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৯৩ বলে ১২৭ রানের সাইক্লোন ইনিংস খেলে যখন তিনি ফিরছেন, তার পরের বলেই আউট হন ইরফান শুক্কুর।

চাপে পড়া দলকে পথ দেখান মাহফিজুল ইসলাম রবিন ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। পঞ্চম উইকেটে তাদের ৬১ রানের জুটির পর ৪৩তম ওভারে দুজনই বিদায় নিলে আবারও ম্যাচ কঠিন হয়ে পড়ে। রবিন ৮১ বলে ৫৪ ও অঙ্কন ৩৯ বলে ৩৯ রান করেন। আবু হায়দার রনি (১০) ও রকিবুল হাসান দ্রুত ফিরলে জয়ের জন্য শেষ ৪ ওভারে প্রয়োজন দাঁড়ায় ৪৫ রান, হাতে মাত্র ২ উইকেট।

সেখান থেকে প্রায় একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন অভিজ্ঞ মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। রিশাদ হোসেনের করা ৪৭তম ওভারে ১৭ রান নেওয়ার পর মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর ওভারেও চার-ছক্কায় নেন ১৩ রান। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৮ রান। মুগ্ধর প্রথম বলে চার ও পরের বলেই ছক্কা মেরে ৪ বল হাতে রেখেই ম্যাচ শেষ করেন সৈকত। ৪টি করে চার ও ছক্কায় ২৬ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। নর্থ জোন-এর হয়ে রিশাদ ৩ উইকেট নিলেও শরিফুল ইসলাম ৮৩ রান খরচায় পান ২ উইকেট।

এর আগে, টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নাজমুল হোসেন শান্ত (৪) ও লিটন দাসের (০) উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল নর্থ জোন। শুরুর সেই চাপ সামাল দিয়ে তৃতীয় উইকেটে ১৩৫ রানের জুটি গড়েন তানজিদ হাসান তামিম ও তাওহিদ হৃদয়। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতে ৯২ বলে ৯২ রান করে ফেরেন তামিম। আকবর আলি (২২) দ্রুত বিদায় নিলেও সাব্বির রহমানকে নিয়ে মাত্র ৮২ বলে ১০২ রানের এক বিশাল জুটি গড়েন হৃদয়। লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি করে হৃদয় খেলেন ১১৩ বলে ১০২ রানের ইনিংস। হৃদয়ের বিদায়ের পর ফিনিশিংয়ের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সাব্বির। ৮টি চার ও ৫টি ছক্কায় সাজানো সাব্বিরের ৫১ বলে ৭৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৩২২ রানের পাহাড় গড়ে দলটি। সেন্ট্রাল জোন-এর হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন আবু হায়দার রনি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।