কতবার যে দিক পাল্টাল ম্যাচ। রোমাঞ্চের নানা বাঁক পেরিয়ে লড়াই এসে ঠেকল শেষ বলে। সেখানে লেগ বাই থেকে ১ রান নিয়ে সমীকরণ মিলিয়ে ফেলল সিলেট টাইটান্স। অবিশ্বাস্য জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও হেরে গেল নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
বিপিএলের দ্বিতীয় দিন ১ উইকেটে জিতেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। নোয়াখালীর ১৪৩ রান তারা পেরিয়ে গেছে শেষ বলে।
অসাধারণ হ্যাটট্রিকে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েও, হারের হতাশায় মাঠ ছাড়লেন মেহেদি হাসান রানা। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের অষ্টম বোলার হিসেবে টানা তিন বলে তিন উইকেট নিলেন তিনি। আর বিপিএলে সব মিলিয়ে তিনি হ্যাটট্রিক করলেন নবম বোলার হিসেবে।
দারুণ বোলিংয়ে লক্ষ্যটা নাগালেই রেখেছিলেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ। সেই রান তাড়ায় পারভেজ হোসেন দলকে রেখেছিলেন সহজ জয়ের পথে। এক সময়ে সিলেটের ২৭ বলে প্রয়োজন ছিল ২৭ রান।
সেই সময়ে পারভেজ বোল্ড হলে নাটকীয়ভাবে পাল্টে যায় চিত্র। পরের ওভারে কেবল ২ রান দিয়ে আফিফ হোসেনকে বিদায় করেন রেজাউর রহমান রাজা।
এরপর, নো দিয়ে শুরু করা ওভারে রানা পরপর তিন বলে বিদায় করেন মিরাজ, নাসুম আহমেদ ও খালেদকে।
হাসান মাহমুদের করা ১৯তম ওভারে ৬ রানের বেশি নিতে পারেননি মোহাম্মদ আমির ও ইথান ব্রুকস।
শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। শুরুটা দারুণ করেন সাবি্বর হোসেন। প্রথম বল খেলান ডট। পরের বলে করে বসেন গড়বড়, হয় ‘নো।’ ফ্রি হিটে ছক্কা মারার পর চারে সমীকরণ সহজ করে ফেলেন ব্রুকস।
নাটকের শেষ নয় সেখানেই। পরের বলে কিপারের হাতে বল রেখে অসম্ভব একটি রানের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, মাঝপথ থেকে ফেরার পথে পিচে পড়ে যান ব্রুকস। সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরাসরি থ্রোয়ে তাকে রান আউট করে দেন জাকের আলি।
পরের বলে ওয়াইড করে বসেন সাব্বির। শেষ বলে ব্যাটে খেলতে পারেননি সালমান ইরশাদ। তবে কোনোমতে ১ রান নিতে পারেন তিনি ও আমির। একরাশ হতাশা নিয়ে রিভিউ নেয় নোয়াখালী, তাতে কাজ হয়নি।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।
