ঢাকাSunday , 28 January 2024
  1. অলিম্পিক এসোসিয়েশন
  2. অ্যাথলেটিক
  3. আইপিএল
  4. আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরচারি
  7. এশিয়া কাপ
  8. এশিয়ান গেমস
  9. এসএ গেমস
  10. কমন ওয়েলথ গেমস
  11. কাবাডি
  12. কুস্তি
  13. ক্রিকেট
  14. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
  15. টেনিস

অজিদের হারিয়ে ইতিহাস লেখার নায়ক শামার জোসেফ

Sahab Uddin
January 28, 2024 6:31 pm
Link Copied!

গাব্বা টেস্টে জয়ের জন্য ২১৬ রানের টার্গেট পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ২ উইকেটে ১০০ রানের বৈতরণী পারও হয়ে গিয়েছিল তারা। এরপর শামার জোসেফ যা করলেন, সেটাকে তো রীতিমতো মহাকাব্যই বলা যায়! ৭ উইকেট নিয়ে একাই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসিয়ে দেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতে ৮ রানে। ২৭ বছরের মধ্যে অজিদের মাটিতে এটা তাদের প্রথম কোনো জয়, সবশেষ ১৯৯৭ সালে পার্থে টেস্ট জিতেছিল তারা।
গাব্বা টেস্ট জিতে সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্রয়ে শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজসেরা আর ম্যাচসেরা, দুটোই শামার জোসেফ। এ টেস্টে নিলেন ৮ উইকেট। দুই ম্যাচ মিলিয়ে সংখ্যাটা ১৩।

টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে স্মিথ বের করে আনেন নিজের সেরা ক্যারিশমা। যখন একের পর এক উইকেট পড়ছিল, তখনও তার শক্তির জায়গায় অবিচল থাকেন তিনি, পুরো টেস্টের রঙে টিকে থাকেন শেষ পর্যন্ত। ১০ রানে উসমান খাজা ও ৫ রানে মার্নাস লাবুশানে বিদায় নেওয়ার পর ক্যামেরুন গ্রিনের সঙ্গে দারুণ একটা জুটি হয়েছিল তার। গ্রিন পাল্লা দিয়ে ৭৩ বলে করেন ৪২ রান। আগের দিন পায়ে মারাত্মক চোট পাওয়া শামার জোসেফই নেন তার উইকেট।

গ্রিন আউট হওয়ার পরের বলেই ট্রাভিস হেড গোল্ডেন ডাক দেন। মিচেল মার্শ ১০ ও আলেক্স করেন ২ রান। তারাও শামারের কাছেই পরাস্ত হন। মিচেল স্টার্ক খেলেন দারুণ ও সময়োপযোগী এক ক্যামিও ইনিংস। ১৪ বলে ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে ২১ রান করে আউট হন তিনি, এবারও শিকারি জোসেফ। অজি দলপতি প্যাট কামিন্সের উইকেটও নেন তিনি।

নাথান লায়ন এসে স্মিথের সঙ্গে হাল ধরেছিলেন। ২০ বল খেলে ৯ রান করে তিনি আউট হন আলজারি জোসেফের ওভারে। শেষ উইকেটটি (জস হ্যাজেউলডের) ফেলে মহাকাব্য রচনা করেন শামার নিজে। স্মিথ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৯১ রান করে। ১৪৬ বলে তার ইনিংসটিতে আছে ৯টি চার ও একটি ছয়ের মার। কেউ আরেকটু সঙ্গ দিলে হয়তো দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়তে পারতেন তিনি।

আগের গল্পটা তো সবার জানা! বিপর্যয়ের পরও কেভাম হজ ও জশুয়া সিলভার ব্যাটে প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার জবাবে ২৮৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দেন প্যাট কামিন্স। অথচ তারা তখনও পিছিয়ে ২২ রানে, ব্যাট করার বাকি জস হ্যাজেলউড। ফ্লাডলাইটের আলোতে বল করতে চাওয়ার কারণেই অজি অধিনায়কের এমন সিদ্ধান্ত ছিল কি না! দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ১৯৩ রান।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, Bangladesherkhela.com এর দায়ভার নেবে না।