রাত ৪:২৫, মঙ্গলবার, ২৬শে জুন, ২০১৭ ইং

এটম গাম-ডিআরইউ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আরটিভি। টুর্নামেন্টের সমাপনী দিনে, শনিবার শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে, ফাইনাল খেলায় আরটিভি ৯-৪ গোলে পরাজিত করে এসএটিভিকে। প্রথমার্ধে বিজয়ী দল এগিয়ে ছিল ৫-১ গোলে।
চ্যাম্পিয়ন দল ট্রফি ও ত্রিশ হাজার টাকা প্রাইজমানি এবং রানার্স-আপ দল ট্রফি ও বিশ হাজার টাকা প্রাইজমানি এবং উভয় দলের খেলোয়াড়দের মেডেল দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হন আরটিভির শরিয়তউল্লাহ এবং টুর্নামেন্ট সেরা হন, জাগো নিউজের মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে আরটিভি টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে ইনকিলাবকে এবং প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ অপর সেমিফাইনালেও টাইব্রেকারে এসএটিভি ৫-৪ গোলে জাগো নিউজকে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠে।
ফাইনাল শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঁঙ্গা। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর, ডিআরইউ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী, ক্রীড়া সম্পাদক মজিবুর রহমান, ডিআরইউ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব আমিনুল হক মল্লিক, সাহাবউদ্দিন সাহাব ও কাজী শহীদুল ইসলাম।

সেমি-ফাইনালে ইনকিলাব ও আরটিভি

এটম গাম-ডিআরইউ মিডিয়া কাপ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠেছে জাগো নিউজ, এসএটিভি, আরটিভি ও ইনকিলাব। শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে, আজ বৃহস্পতিবার কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচে, জাগো নিউজ ৯-৩ গোলে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হন বিজয়ী দলের মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দ্বিতীয় ম্যাচে এসএটিভি ট্রাইব্রেকারে ৭-৬ গোলে চ্যানেল আইকে পরাজিত করে। নির্ধারিত সময়ে খেলা ৪-৪ গোলে ড্র ছিল। ম্যাচ সেরা হন এসএ টিভির মাহফুজুর রহমান। তৃতীয় ম্যাচে আরটিভি ১০-০ গোলের ব্যবধানে দ্য রিপোর্ট ২৪.কমকে হারায়। ম্যাচ সেরা হন বিজয়ী দলের রকিব মানির। চতুর্থ ম্যাচে ইনকিলাব ৫-২ গোলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) হারায়। ম্যাচ সেরা হন বিজয়ী দলের অতিথি খেলোয়াড় রবিউল ইসলাম।
আজকের বিভিন্ন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়দের পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ জাতীয় হ্যান্ডবল দলের অধিনায়ক মীর খায়রুজ্জামান, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা হ্যান্ডবল দলের কোচ দিদার হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ হ্যান্ডবল দলের কোচ কাওসার জাহিদ আহমেদ, আরটিভি’র চিফ নিউজ এডিটর লুৎফর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক মজিবুর রহমান, এটিএন বাংলার স্পোর্টস এডিটর পরাগ আরমান, ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য সচিব আমিনুল হক মল্লিক, কাজী শহীদুল আলম ও সাহাব উদ্দিন সাহাব।
আগামী ২৭ মে, শনিবার দুই সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল খেলা হবে।
সেমি ফাইনালের লাইনআপ
প্রথম সেমি ফাইনাল: ইনকিলাব বনাম আরটিভি (৯:০০)
দ্বিতীয় সেমিফাইনাল: এসএটিভি বনাম জাগো নিউজ (৯:৩০)
ফাইনাল: দুই সেমিফাইনাল বিজয়ী দল (১১:০০)

ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া সমাপ্ত

ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়ায় হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফরিদপুর জেলা। ধানমন্ডির সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে প্রতিযোগিতার ফাইনালে তারা পরাজিত করে কিশোরগঞ্জ জেলাকে। সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন বিজয়ী দলের কবিতা রাণী। এদিকে, ভালিবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজবাড়ী জেলা। তারা হারায় কিশোরগঞ্জ জেলাকে। সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ঢাকা জেলার হাবিবা আক্তার রূপা। আর হ্যান্ডবল ও ভলিবলে ব্যর্থতার পর কাবাডিতে চ্যাম্পিয়ন হয় কিশোরগঞ্জ জেলা। প্রতিযোগিতার ফাইনালে তারা গাজীপুর জেলাকে পরাজিত করে। দলের ফারজানা হাবিব সেরা খেলোয়াড় হন।
দুই দিনের এই প্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করেন বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা হামিদা বেগম। এ সময়
উপস্থিত ছিলেন স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের সহকারী পরিচালক কুলসুম পারভীন সহ ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা।

কোয়ার্টার ফাইনালের লাইনআপ

এটম গাম-ডিআরইউ মিডিয়া কাপ হ্যান্ডবলের লাইনআপ ঠিকে হয়ে গেছে। আগামী বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাসস লড়বে ইনকিলাবের বিপক্ষে, চ্যানেল আইয়ের প্রতিপক্ষ এসএ টিভি, আরটিভি বনাম দ্য রিপোর্ট ২৪.কম এবং বাংলাদেশ প্রতিদিনের মুখোমুখি হবে জাগো নিউজ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউ আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস ৬-৫ গোলে রেডিও টুডেকে হারায়। ম্যাচ সেরা হন বিজয়ী দলের রাশিদা আফজালুন্নেসা।
দ্বিতীয় ম্যাচে এসএটিভি ৬-৩ গোলে আমাদের সময়কে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা এসএটিভির বাতেন বিপ্লব। তৃতীয় ম্যাচে আরটিভি ৬-০ গোলে এটিএন নিউজকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বিজয়ী দলের রকীব মানিক। চতুর্থ ম্যাচে চ্যানেল আই ৫-১ গোলের ব্যবধানে জনকণ্ঠকে হারায়। ম্যাচ সেরা হন চ্যানেল আইয়ের অতিথি খেলোয়াড় মজিবুর রহমান।
পঞ্চম ম্যাচে দ্য রিপোর্ট ২৪.কম ২-০ গোলে মানবজমিনকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা দ্য রিপোর্টের নুরুজ্জামান তানিম। এদিকে, বাংলাদেশ প্রতিদিন ৭-১ গোলের ব্যবধানে ভোরের কাগজকে, ইনকিলাব ৫-২ গোলে জিটিভিকে এবং জাগো নিউজ ৩-০ গোলে এটিএন বাংলাকে পরাজিত করে। আগামী ২৫ মে হবে প্রতিযোগিতার শেষ আটের খেলা।

দ্বিতীয় রাউন্ডে এটিএন বাংলা

এটম গাম-ডিআরইউ মিডিয়া কাপ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনে (বৃহস্পতিবার) আটদল দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে। শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে দ্য রিপোর্ট ২৪.কম টাইব্রেকারে ৩- ২ গোলে নয়া দিগন্তকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হন দ্য রিপোর্টের মাসুদ রানা। দ্বিতীয় ম্যাচে এসএটিভি ৫-৩ গোলে যমুনা টিভিকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হন এসএ টিভির মাহফুজ আহমেদ। তৃতীয় ম্যাচে চ্যানেল আই ৮-১ গোলের বড় ব্যবধানে সমকালকে হারায়। ম্যাচ সেরা চ্যানেল আইয়ের পান্থ রহমান। চতুর্থ ম্যাচে আরটিভি ৩-১ গোলে দৈনিক যুগান্তরকে হারায়। ম্যাচ সেরা হয়েছেন আরটিভির রকিব মানিক। পঞ্চম ম্যাচে এটিএন বাংলা ২-০ গোলে নিউ এইজকে হারায়। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বিজয়ী দলের এসএম আশরাফ। পরের ম্যাচে দৈনিক ইনকিলাব ৮-০ গোলের বড় ব্যবধানে কালের কন্ঠকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বিজয়ী দলের অতিথি খেলোয়াড় রবিউল ইসলাম। দৈনিক ইত্তেফাক মাঠে না আসায় বাংলাদেশ প্রতিদিন ওয়াকওভার পায়। দিনের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ১২-০ গোলের বড় ব্যবধানে আলোকিত বাংলাদেশকে হারায়। এটি এবারের আসরের সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন বিজয়ী দলের রাশিদা আফজালুন্নেসা।
বিভিন্ন ম্য্যাচের সেরা খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করেন হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর, সহকারী সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান স্বপন, হ্যান্ডবল কোচের্স ক্লাবের সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম কিরন, দৈনিক যুগান্তরের ক্রীড়া সম্পাদক পারভেজ আলম চৌধুরী, এটিএন বাংলার নিউজ এডিটর আসিফুল কবীর আসিফ, এটিএন বাংলার চিফ রিপোর্টার সানাউল হক দোলন, ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য সচিব আমিনুল হক মল্লিক।

মিডিয়া কাপ হ্যান্ডবল শুরু বুধবার

স্পোর্টস রিপোর্টার:আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ডিআরইউ মিডিয়া কাপ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট। শহীদ ক্যাপ্টেন (অব:) এম মনসুর আলী হ্যান্ডবল মাঠে শুরু হতে যাওয়া এবারের আসরে শিরোপা জন্য লড়াই করবে ৩২টি মিডিয়া হাউজ। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল ট্রফি ছাড়াও ত্রিশ হাজার টাকা এবং রানার্স আপ দল ট্রফি ছাড়াও পাবে বিশ হাজার টাকার প্রাইজ মানি। এছাড়া পরাজিত দুই সেমিফাইনালিষ্ট পাবে পাঁচ হাজার টাকা করে। ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট এবং প্রতি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়কে স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট দেয়া হবে। আজ মঙ্গলবার ডিআরইউর সাগর-রুনী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনের ক্রীড়া সম্পাদক মজিবুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান প্রাণ কনফেকশনারী লিমিটেডের ব্রান্ড ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী ব্রান্ড ম্যানেজার মাহবুবুল আলম এবং টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব আমিনুল হক মল্লিক প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে জার্সি উন্মোচন করা হয়। এবারের টুর্নামেন্টের স্পন্সর প্রাণ কনফেকশনারী লিমিটেডের এটম গাম এবং পাওয়ারড বাই ট্রিট ডেইরী মিল্ক চকলেট বার।

শাবিতে হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগ হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় টানা চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজী (এফইটি) বিভাগ। রোববার বেলা তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায়  নৃবিজ্ঞান বিভাগেকে ৯-১৩ ব্যবধানে হারায় এফইটি বিভাগ।

অপরদিকে মেয়েদের খেলায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগ ২-২ গোলে আর্কিটেকচার সাথে ড্র হওয়ায় টস ভাগ্যে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

ফাইনাল শেষে খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল হক ভূঁইয়া। তিনি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হওয়ায় খেলোয়াড়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. কবির হোসেন, ছাত্র উপদেশ ও নিদের্শনা পরিচালক অধ্যাপক ড. রাশেদ তালুকদার, এফইটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মাযহারুল ইসলাম, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সালমা আখতার, আর্কিটেকচার বিভাগের প্রধান ড. তৌফিক এলাহী, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. মুনশী নাসের ইবনে আফজাল, শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের উপ পরিচালক চৌধুরী সউদ বিন আম্বিয়া প্রমুখ।

বিজয়ী দলের ম্যানেজার ও এফইটি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমেদ জানান, আন্ত:বিভাগ হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে আমরা খুবই গর্বিত। খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম ও  বিভাগের সকলের সহযোগিতায় আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি।

বিজয় দিবস হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়ন পুলিশ ও বিজেএমসি

নিয়াজ-উদয়ন বিল্ডার্স বিজয় দিবস হ্যান্ডবলে ছেলেদের বিভাগে বাংলাদেশ পুলিশ ও মেয়েদের বিভাগে বিজেএমসি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মঙ্গলবার শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বাংলাদেশ পুলিশ হ্যান্ডবল ক্লাব ৩৫-২৭ গোলে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডকে পরাজিত করে শিরোপা জেতে। বিজয়ী দল প্রথমার্ধে ১৭-১৮ গোলে পিছিয়ে ছিল। পুলিশের মাহবুবুল ১২টি, রাসেল ও সোহাগ ৭টি করে গোল করেন।
মেয়েদের চূড়ান্ত খেলায় বিজেএমসি ২৪-১৪ গোলে বাংলাদেশ আনসারকে হারিয়ে দেয়। বিজেএমসি প্রথমার্ধে ১১-৬ গোলে এগিয়ে ছিল। ছেলেদের বিভাগে পুলিশ দলের আবদুল গফুর এবং মেয়েদের বিভাগে বিজেএমসি’র হাবিবা আক্তার রূপ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন। ফেডারেশনের সভাপতি নুরুল ফজল বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর, টুর্নামেন্ট কমিটির কো-চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম, টুর্নামেন্ট কমিটির সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশকে হারিয়ে হ্যান্ডবলের শিরোপা ভারতের

ভারতীয় মহিলা দলের শিরোপা উৎসবআইএইচএফ হ্যান্ডবলের পুরুষ ও নারী দুই বিভাগের শিরোপা জিতে নিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দুটি ফাইনালেই ভারতের কাছে হেরে যায় বাংলাদেশ।

পুরুষদের ফাইনালে ভারত ৪৬-২৫ গোলে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। প্রথমার্ধে সফরকারীরা ২০-১০ গোলে এগিয়ে ছিল। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ১১ গোল করেন অনিল কুদিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে সোহেল রানা ৬টি, শাইল ৫টি, ডালিয়ানখুম লুসাই ৪টি, রবিউল আউয়াল ও ইমরান ৩টি করে, হারমোনি ত্রিপুরা দুটি, বিল্লাল হোসেন ও সামসুদ্দিন একটি করে গোল করেন। পুরুষদের স্থান নির্ধারনী ম্যাচে পাকিস্তান ৪২-১৪ গোলে নেপালকে হারিয়ে তৃতীয় হয়। প্রথমার্ধে বিজয়ী দল ১৮-৭ গোলে এগিয়ে ছিল। পাকিস্তানের জুনায়েদ সর্বোচ্চ ৬টি ও নেপালের চন্দ্র সর্বোচ্চ ৫টি গোল করেন।

মহিলাদের ফাইনালে ভারত ৪৮-২৯ গোলে বাংলাদেশ মহিলা দলকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়। প্রথমার্ধে ভারত ২৬-৭ গোলে এগিয়ে ছিল। বাংলাদেশের পক্ষে শিফা ও রহিমা ৮টি করে, শহিদা বানু ৪টি, রুবিনা ও পুর্নিমা ৩ টি করে, শাহনাজ-পারুল-শাহিনা একটি করে গোল করেন। ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮টি গোল করেন মনিকা।
মহিলাদের স্থান নির্ধারনীতে পাকিস্তান ৩৪-১৬ গোলে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে হয়েছে তৃতীয়। প্রথমার্ধে পাকিস্তান মহিলা দল ২২-৭ গোলে এগিয়ে ছিল। পাকিস্তানের পক্ষে জাহরা নিসার সর্বোচ্চ ১২ গোল এবং শ্রীলঙ্কার পক্ষে সন্ধ্যা সর্বোচ্চ ৮ গোল করেন।

হ্যান্ডবলের উভয় বিভাগের ফাইনালে বাংলাদেশ

আইএইচএফ ট্রফি হ্যান্ডবলের পুরুষ ও মহিলা উভয় বিভাগের ফাইনালে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। এই কৃতিত্ব অর্জনের পথে আজ দুটি সেমিফাইনালেই লাল সবুজরা হারিয়েছে পাকিস্তানকে।  যেখানে মেয়েদের সেমিতে  পাকিস্তানকে দাঁড়াতেই দেয়নি বাংলাদেশ। ম্যাচে বাংলাদেশ জয়ী হয় ৩৮-১২ পয়েন্টে। তবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে পুরুষ বিভাগে। এখানে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে আর বাংলদেশ শেষ মুহূর্তে অসাধারণ লড়াকু মনোভাব দেখিয়ে ম্যাচটি জিতে নেয় ৩৫-৩০ ব্যবধানে।

এখানে টানটান উত্তেজনা ছিল পুরুষদের ম্যাচে। শারীরিকভাবে বেশি শক্তিশালী পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা প্রচণ্ড ‘পাওয়ার’ প্রয়োগ করলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্রটা ছিল এ রকম- একবার বাংলাদেশ এগিয়ে যায় তো আবার লিড নেয় পাকিস্তান। এই ধারাবাহিকতায় প্রথমার্ধে স্কোরলাইন ছিল পাকিস্তান ১৪ ও বাংলাদেশ  ১৩।

একইভাবে দ্বিতীয়ার্ধেও এই চিত্র অব্যাহত থাকে তবে নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। খেলার যখন পাঁচ মিনিট বাকি তখন স্কোর লাইন ছিল পাকিস্তান ২৬, বাংলাদেশ ২৪। আর এসময়ই বাংলাদেশ দেখায় অনন্য লড়াকু মনোবল। ২৮-২৮ পয়েন্টে শেষ হয় নির্ধারিত ৬০ মিনিটের খেলা। আর অতিরিক্ত ১০ মিনিটে  বাংলাদেশের সে মনোবল অটুট থাকায় শেষ পর্যন্ত জয় মাল্য পড়ে বাংলাদেশই।

বাংলাদেশের মো. সাকির আটটি, মেহেদি হাসান ও ডালিয়নকুম লুসাই সাতটি করে গোল করেন। পাকিস্তানের মোজাম্মেল হুসাইন করেন ১৫টি গোল।

এদিকে মহিলাদের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত প্রত্যাশিতভাবেই শ্রীলঙ্কাকে ৫০-১১ গোলে হারিয়ে দেয়। পুরুষ বিভাগের দ্বিতীয় সেমিতে ভারত নেপালকে গুঁড়িয়ে দেয় ৫২-১২ গোলে।

কাল বৃহস্পতিবার পুরুষদের ফাইনালে বাংলাদেশ-ভারত লড়বে দুপুর সোয়া ১ টায় আর বাংলাদেশ-ভারত মহিলাদের লড়াই মাঠে গড়াবে বিকাল সাড়ে ৩টায়।

আফগানিস্তানকে বিধ্বস্ত করে সেমিতে বাংলাদেশ

নারী হ্যান্ডবলে আফগানিস্তানকে বিধ্বস্ত করে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। আইএইচএফ ট্রফিতে আফগান মেয়েদের ৩৪-৭ ব্যবধানে হারায় স্বাগতিকরা।

শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) ম্যাচের প্রথমার্ধে ১৬-২ গোলে এগিয়ে ছিল স্বাগতিক মেয়েরা। পরে আরও ১৮টি গোল করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অধিনায়ক রুবিনা বেগম সর্বোচ্চ ৯ গোল করেন। মাসুদা আক্তার ও শিফা ৫টি করে, রহিমা ও পূর্ণিমা ৪টি করে গোল করেন।

অনূর্ধ্ব-১৯ বছর বয়সীদের এই প্রতিযোগিতায় শেষ চারে উঠলেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্স আরও ভালো হওয়া প্রয়োজন বলে জানান অধিনায়ক রুবিনা।

এর আগে শ্রীলঙ্কাকে ৪৭-১৪ গোলে হারিয়ে মুকুট ধরে রাখার পথে যাত্রা শুরু করেছিল স্বাগতিকরা।

আইএইচএফ হ্যান্ডবলে ভারতের দ্বিতীয় জয়

সোমবার ইসলামী ব্যাংক আইএইচএফ ট্রফি হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনে পুরুষ বিভাগের প্রথম খেলায় ভারত ৫২-১৪ গোলে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে। প্রথমার্ধে তারা ৩০-৬ গোলে এগিয়ে ছিল। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ১১ টি গোল করেন নিদিশ।

দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান ৩২-১৬ গোলে হারায় নেপালকে। প্রথমার্ধে তারা ১৪-১১ গোলে এগিয়ে ছিল। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০ টি গোল করেন মোজাম্মেল। নেপালের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫ টি গোল করেন রিসাম। তৃতীয় ম্যাচে আফগানিস্তান ২৪-২২ গোলে হারায় মালদ্বীপকে। প্রথমার্ধে আফগানরা ১৩-১১ গোলে এগিয়ে ছিল। আফগানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯ গোল করেন মোহাম্মদ শাহির এবং মালদ্বীপের পক্ষে ৭ গোল করেন ফিরন্সী।

এদিকে মহিলাদের প্রথম ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কা ১৮-১৬ গোলে হারায় আফগানিস্তানকে। প্রথমার্ধে ১০-৯ গোলে এগিয়ে ছিল দ্বীপ রাষ্ট্রটি। শ্রীলঙ্কার পক্ষে শুভাষিনি সর্বাধিক ১২ টি ও আফগানদের পক্ষে ৮ গোল করেন হুমায়রা।

দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত ৪৫-১৬ গোলে নেপালকে হারিয়ে বড় জয় তুলে নেয়। প্রথমার্ধে ভারতের মহিলারা ২৪-৭ গোলে এগিয়ে ছিল। ভারতের পুনম ও নেপালের নিশা রায় সর্বোচ্চ ৯ টি করে গোল করেন।

তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তান ৩১-৮ গোলে হারায় মালদ্বীপ মহিলা হ্যান্ডবল দলকে। প্রথমার্ধে তারা ১২-৫ গোলে এগিয়ে ছিল। পাকিস্তানের শাহজাদি সর্বোচ্চ ৭ টি ও মালদ্বীপের মাইশা সর্বোচ্চ ৫ টি গোল করেন।

হ্যান্ডবলে নারীরা জয় পেলেও হতাশ করেছে পুরুষরা

ইসলামী ব্যাংক আইএইচএফ ট্রফি হ্যান্ডবলের উদ্বোধনী দিনে রবিবার বাংলাদেশের নারীরা শ্রীলঙ্কাকে হারালেও ভারতের কাছে হেরে গিয়েছে পুরুষরা।

শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশের নারীরা ৪৭-১৪ গোলে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয়। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ২২-৭ গোলে এগিয়ে ছিল। পুরুষ বিভাগে দিনের প্রথম খেলায় মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও ভারত। এ খেলায় বাংলাদেশ ৩১ -৪৫ গোলে ভারতের কাছে পরাজিত হয়। প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন ছিল বাংলাদেশ ১৫- ভারত ২৫। ম্যাচের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন ভারতের অনিল কুদিয়া তিনি করেন ১৩ গোল। বাংলাদেশের পক্ষে সোহেল রানা ৯ টি, সাকির সামির ৭ টি, ও ডালিয়ানকুম লুসাই ৫ টি গোল করেন।

দিনের অন্যান্য খেলায় পুরুষ বিভাগে নেপাল ২৭-২২ গোলে আফগানিস্তানকে, পাকিস্তান ৩৫-১০ গোলে মালদ্বীপকে ও মহিলা বিভাগে নেপাল ২৮-৭ গোলে মালদ্বীপকে হারিয়ে দেয়।

এর আগে বিকাল চারটায় টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । গেস্ট অব অনার ছিলেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আনোয়ার, এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পাকিস্তান থেকে আগত শফিকুর রহমান।

বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি একেএম নুরুল ফজল বুলবুলের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিকারুননিসা নুন স্কুলের শিক্ষার্থীরা মনোজ্ঞ ডিসপ্লেতে দেশীয় ঐতিহ্য তুলে ধরেন।

আইএইচএফ ট্রফি হ্যান্ডবলে একই গ্রুপে বাংলাদেশ-ভারত

ইসলামী ব্যাংক আইএইচএফ ট্রফি হ্যান্ডবলের পুরুষ বিভাগে শক্তিশালী ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়েছে আয়োজক বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পুরুষ বিভাগে অনূর্ধ্ব-২১ ও মহিলা বিভাগে অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সী খেলোয়াড়রা খেলবে। যেখানে পুরুষ বিভাগের ‘এ- গ্রুপে রয়েছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল ও মালদ্বীপ। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে- বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কা। মহিলা বিভাগে ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশ লড়বে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে পাকিস্তান, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভারত। উভয় বিভাগের গ্রুপ পর্ব খেলা হবে রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে। পরে দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে খেলবে। বাকি দলগুলো স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অংশ নিবে। পুরুষ ও মহিলা বিভাগের চ্যাম্পিয়ন দল পরবর্তীতে আইএইচএফ ট্রফির দ্বিতীয় পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। তবে সেটি কখন, কোথায় হবে- এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

অতীতে এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সেরা সাফল্য তৃতীয় স্থান। তবে এবার ঘরের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের লক্ষ্য ফাইনাল। সংবাদ সম্মেলনে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করলেন পুরুষ দলের কোচ কামরুল ইসলাম কিরন ও হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি নুরুল ফজল বুলবুল, মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আশিকুজ্জামান মিকু ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোস্তফা আনোয়ার।

টুর্নামেন্টে নির্ধারিত মোট ১ কোটি ১৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকা বাজেটের মধ্যে প্রায় ৭০ লাখ টাকা দিচ্ছে আইএইচএফ, ২৫ লাখ টাকা দিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। আর বাকি ২৪ লাখ ফেডারেশনের তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে।

প্রাণ-ক্র্যাকো ডিআরইউ হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়ন জিটিভি

প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘প্রাণ ক্র্যাকো-ডিআরইউ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট-২০১৬’ এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গাজী টিভি (জিটিভি)। আরেকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, জমুনা টিভিকে ১২-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। প্রথমার্ধে বিজয়ী দল এগিয়ে ছিল ৬-২ গোলে।

চ্যাম্পিয়ন দল জিটিভিকে ট্রফি ও ২৫ হাজার টাকা এবং রানার আপ দলকে ট্রফি ও ১৫ হাজার টাকা প্রাইজমানি দেয়া হয়। একই সঙ্গে দু’দলের খেলোয়াড়দেরকে মেডেল পরিয়ে দেয়া হয়। দুর্দান্ত খেলে ফাইনালের সেরা এবং টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন জিটিভির আল আমিন সবুজ। টুর্নামেন্টে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলে তিনি একাই ৩৭টি গোল করেন।
DRU-Handball-12
এরআগে আজই সকালে অনুষ্ঠিত হয় টুর্নামেন্টের দুটি সেমিফাইনাল। প্রথম সেমিফাইনালে জিটিভি ৬-২ গোলে বাংলাভিশনকে এবং প্রতিদ্ধন্ধিতাপূর্ন দ্বিতীয় সেমিফাইনালে যমুনা টিভি ২-১ গোলে আরটিভিকে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠে।

ডিআরইউ সভাপতি জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি এ কে এম নুরুল ফজল বুলবুল এবং পৃষ্ঠপোষক প্রাণ ফুডসের অ্যাসিসট্যান্ট ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. রায়হান আহমেদ ও অ্যাসিসট্যান্ট অপারেশন ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম।

এ সময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি শফিকুল করিম, হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর, ডিআরইউ অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মেহেদী আজাদ মাসুম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কাফি কামাল, কল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিলানী মিলটন ও কার্যনির্বাহী সদস্য শেখ মাহমুদ এ রিয়াত, টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব আমিনুল হক মল্লিক, অজয় বড়ুয়া, কাজী শহীদুল ইসলাম ও সাহাব উদ্দিন সাহাব।

শুরু হলো প্রাণ ক্র্যাকো-ডিআরইউ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট

রোববার শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে ‘প্রাণ ক্র্যাকো-ডিআরইউ হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট-২০১৬’। এদিন প্রথমবারের মত আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে সকাল ১১টায় উদ্বোধন ঘোষণা করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মসিউর রহমান রাঙ্গা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাণ ফুডস লিমিটেডের অ্যাসিস্ট্যান্ট অপারেশন ম্যানেজার এমডি রফিকুল ইসলাম ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. রায়হান আহমেদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর, ডিআরইউ সভাপতি জামাল উদ্দীন ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান।

pran

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ব্যবস্থাপনায়, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও প্রাণ ফুডস লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় পাঁচ দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে ২৪টি মিডিয়া হাউজ। প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হয়েছে মোট সাতটি ম্যাচ।

নকআউট পর্বের ম্যাচে নিজ নিজ খেলায় জয় পায় এটিএন নিউজ, ইনকিলাব, বাংলামেইল২৪, ইত্তেফাক, জিটিভি, যমুনা টিভি ও আরটিভি। প্রথম ম্যাচে এটিএন নিউজ ৪-২ গোলে দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন এটিএন নিউজের খায়রুজ্জামান।

দ্বিতীয় ম্যাচে ইনকিলাব ৫-১ গোলে কালবেলাকে পরাজিত করে। বিজয়ী দলের রবিউল ইসলাম ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন। তৃতীয় ম্যাচে বাংলামেইল ৩-২ গোলে চ্যানেল আইকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বাংলামেইলের আলাউদ্দিন।

চুতর্থ ম্যাচে দৈনিক ইত্তেফাক ৪-০ গোলে দৈনিক করতোয়াকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইত্তেফাকের আহসান হাবীব রাসেল। পঞ্চম ম্যাচে জিটিভি ৭-১ গোলে নয়াদিগন্তকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন জিটিভির আল-আমিন সবুজ।

পরের ম্যাচে যমুনা টিভি ৬-৩ গোলে রেডিও টুডেকে হারায়। ম্যাচ সেরা হয়েছেন নাহিয়ান বিন জসিম (যমুনা টিভি)। দিনের শেষ ম্যাচে আরটিভি ৬-০ গোলের ব্যবধানে আমাদের অর্থনীতিকে হারিয়েছে। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন বিজয়ী দলের রকিব মানিক।

আন্তঃবিভাগীয় হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়ন যশোর জেলা দল

বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত মেয়েদের আন্তঃবিভাগীয় হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যশোর জেলা দল। সোমবার ধানমন্ডিস্থ সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে যশোর ২২-২০ গোলে পঞ্চগড় জেলাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
এর আগে সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমি-ফাইনালে পঞ্চগড় জেলা ১৬-০৫ গোলে ফরিদপুর জেলাকে এবং দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে যশোর জেলা ১৬-০১ গোলে বরিশাল জেলাকে পরাজিত করে ফাইনালে উন্নীত হয়। টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন যশোর জেলার ফালগুনী বিশ্বাস এবং উদীয়মান খেলোয়াড় নির্বাচিত হন একই দলের পিংকি খাতুন। টুর্নামেন্ট শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এম.পি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক এ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার সভানেত্রী রাফিয়া আখতার ডলী। ছয়টি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স আপ দল মিলে মোট ১০টি জেলা দল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে।

তিন রৌপ্য শেষ দিনে

কবিরুল ইসলাম, গোহাটি থেকে : মহিলা হ্যান্ডবল ও কাবাডির ফাইনালে উঠায় আগেই রৌপ্য পদক নিশ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশের। স্বাগতিক ভারত যখন প্রতিপক্ষ তখন স্বর্ণ পদক যে লাল-সুবজ শিবিরের ভাগ্যে জুটবে না, সেটা আগেই অনুমেয় ছিল। হয়েছেও তাই। সোমবার সোনাপুরের এলএনআইপিই ইনডোর স্টেডিয়ামে মহিলা হ্যান্ডবলে ভারতের কাছে ৪৫-২৫ গোলে হেরে এসএ গেমসে প্রথমবারের মতো রৌপ্য জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। আর মহিলা কাবডিতে মালেকা-পলিরা হেরেছে ভারতের কাছেই ৩৬-১২ পয়েন্টে। এদিন শ্যুটিংয়ের দলগত ১০ মিটার এয়ার পিস্তল থেকে আরও একটি রৌপ্য এসেছে। আর মালদ্বীপকে ট্রাইব্রেকারে হারিয়ে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দল।
অপরদিকে, শিলং অনুষ্ঠিত জুডোতে দুটি ব্রোঞ্জ জিতেছে বাংলাদেশ। ৫২ কেজিতে তমা ও ৮১ কেজিতে হাবিবুর রহমান ব্রোঞ্জ দুটি জেতেন। এ নিয়ে গৌহাটি শিলংয়ে অনুষ্ঠিত এসএ গেমসের দ্বাদশ আসরে চারটি স্বর্ণ, ১৪টি রৌপ্য ও ৫১ ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে পাঁচ নম্বরে নেমে গেছে বাংলাদেশ। ১৮৩ স্বর্ণ, ৮৬ রৌপ্য ও ৩০ ব্রোঞ্জ নিয়ে সবার উপরে ভারত। ২৫ স্বর্ণ ৫৯ রৌপ্য ও ৯০ ব্রোঞ্জ নিয়ে দুই নম্বরে শ্রীলঙ্কা, ১০ স্বর্ণ ৩৩ রৌপ্য ৪৭ ব্রোঞ্জ নিয়ে তিন নম্বরে শ্রীলঙ্কা। সাত স্বর্ণ, পাঁচ রৌপ্য ও ১৭ ব্রোঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশকে টপকে চারে উঠে এসেছে আফগানিস্তান। পুরুষ হ্যান্ডবলে ৩৭-২৫ গোলে নেপালকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ কপালে জুটেছে ছেলেদের।
রৌপ্যতেই খুশী হ্যান্ডবল
গত আট বছর ধরে কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশ মহিলা হ্যান্ডবল দলের। এমন দলটিই কিনা এবারের এসএ গেমসে অপরাজিতভাবে ফাইনালে উঠেছিল। শিরোপা লড়াইয়ের ম্যাচে ২৫-৪৫ গোলে হারের পরও আনন্দের কোন কমতি ছিল না লাল-সবুজদের। ম্যাচ শেষে পতাকা নিয়ে পুরো স্টেডিয়াম ঘুরেছেন। ফটোসেশনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তুলেছে। কোচ দিদার হোসেনও মেয়েদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট। তাদেরকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন। এতো বড় ব্যবধানে হারের পরও দল এতো খুশী কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে কোচ দিদার বলেন, ‘আমরা এতো দূর আসতে পেরেছি, সেটাই বড় কথা। মেয়েরা দারুন খেলেছে। তাদের পারফরম্যান্সের কারণেই আমরা অপরাজিত থেকে ফাইনালে এসেছি।’ মায়ের মৃত্যুর কারণে হঠাৎ করে দেশে ফিরে যাওয়া দলের এক নম্বর গোলরক্ষক শীলা রায় সোমবার ফাইনাল খেলতে ভারতের এসে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। মায়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে না পারলেও দেশের জন্য লড়েছেন।
শ্যুটিং থেকে আরও একটি রৌপ্য
কাহিলি পাড়ার শুটিং রেঞ্চে সকালে আরদিন ফেরদৌসি, আরমিন আশা ও তুরিন দেওয়ান মিলে ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে দেশকে রূপার পদক এনে দিয়েছেন। আরদিনা ফেরদৌস সাতটি সঠিক শুটঅফে ৩৭০, আরমিন আশা ছয়টি শুটঅফে ৩৬৯ এবং তুরিং দেওয়ান মাত্র সঠিকভাবে তিনটি শুটঅফে ৩৬৯ স্কোর করেন। ফলে বাংলাদেশ মহিলা দল ২৫টি শুটঅফে ১১০৩ স্কোরে দেশকে রুপা এনে দেয়।
ফুটবলে সান্ত¦নার ব্রোঞ্জ
এবারের গেমসে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাপ্তি নবীব নেওযাজ জীবন। চার ম্যাচে তিন গোল করেছেন জাতীয় দলের এই ফরোয়ার্ড। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পেনাল্টি থেকে বাংলাদেশকে লীড এনে দেন জীবন। ৩৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে মালদ্বীপের আলী ফাসির ম্যাচে সমতা আনেন। ৬৫ মিনিটে ফাসিরের গোলে মালদ্বীপ ২-১ গোলে লীড নেয়। চার মিনিট পর সোহেল রানার গোলে আবার ম্য্র সমতায় ফেরে (২-২)। এরপর অতিরিক্ত সময়ে আর কোনো গোলের দেখা না মিললে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারেও লড়াই সমানে সমান। প্রথম চার শটেই গোল বাংলাদেশ মালদ্বীপের। অধিনায়ক আলী ফাসিরের নেয়া পঞ্চম শটটি পোস্টের উপর দিয়ে। টাইব্রেকারে বাংলাদেশের শেষ শট। ধীর পায়ে হেটে যাচ্ছেন রায়হান হাসান। গোল হলেই ব্রোঞ্জ্। মিস হলে আবার সাডেন ডেথ পর্ব। ডিফেন্ডার রায়হান আর ম্যাচের দৈর্ঘ্য বাড়াননি। গোল করে গেমসে বাংলাদেশের পদক তালিকায় একটি ব্রোঞ্জ বৃদ্ধি করেছেন। ২০১০ ঢাকা এসএ গেমসে স্বর্ণ জয়ী দলকে এবার ব্রোঞ্জ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।

ইতিহাস গড়তে চাই একটি জয়

মহিলা হ্যান্ডবলের ফাইনালে বাংলাদেশ

কবিরুল ইসলাম, গোহাটি থেকে : মহিলা হ্যান্ডবলের সেমিফাইনাল নিশ্চিতের পরই গোলরক্ষক নিয়ে শঙ্কায় পড়ে যায় বাংলাদেশ। দলের প্রধান গোলরক্ষক শিলা রায় মায়ের মৃত্যুর কারণে গোহাটি ছেড়ে দেশে ফিরেছেন। আর দুই নম্বর গোলরক্ষক হাতে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে। পুরো ম্যাচ খেলতে পারেননি সেদিন। তাই ফাইনালে উঠার ম্যাচে গোলবার আগলে রাখার দায়িত্ব কার কাঁধে তুলে দেয়া হবে, তা নিয়ে চিন্তার কোন কমতি ছিল না লাল-সবুজ শিবিরে। অবশেষে সেই শঙ্কা দূর করে রোববার নেপালের বিরুদ্ধে হাই পাওয়ারের পেইন কিলার সেবন করেই মাঠে নেমে পড়লেন সুশিলা। দেশের সম্মানের কথা ভেবে চোট নিয়েও গোলবারে দাঁড়িয়ে যান তিনি। তাতে কোন সমস্যাও হয়নি। জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে শাহিদা খাতুনরা। নেপালের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে জয়টা এসেছে ৩৩-২৮ গোলে। এই প্রথম এসএ গেমসের ফাইনালে বাংলার মেয়েরা। ইতিহাস গড়তে আরেকটি জয় চাই বাংলাদেশের। সোমবার স্বাগতিক ভারতের বিরুদ্ধে স্বর্ণ জয়ের লড়াইয়ে মাঠে নামতে হবে দিদার হোসেনের শিষ্যদের।
রোববার সোনাপুরের এলএনআইপিই ইনডোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে মাঠে নেমেই নেপালের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। প্রথমার্ধে ১৩-১১ পয়েন্টে এগিয়েছিল লাল-সবুজ জার্সীধারীরা। একটা সময় শঙ্কা জেগে উঠেছিল বাংলাদেশ শিবিরে। দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আক্রমনের ধারটা ধরে রেখেছিল লাল-সবুজ শিবির। অবশেষে জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়ে তারা। দলের হয়ে ৮টি করে গোল করেন নিশি ও শিল্পী। ৬টি গোল করেন শিরিনা। ডালিয়া ৫টি, সুমি ৪টি ও খালেদা করেন দুই গোল। ফাইনালে ওঠায় এখন স্বর্ণ জয়ের হাতছানি মেয়েদের সামনে। যদিও প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত। তারপরও আতœবিশ্বাসী কোচ দিদার হোসেন বলেছেন,-‘ফাইনালে আমাদের ভারতের সঙ্গে খেলতে হবে। এমনিতেই আমাদের খেলোয়াড় কম। দুজন সেরা খেলোয়াড়কে পাইনি এই ম্যাচে। গোলরক্ষক সুশীলাও হাতের ব্যথা নিয়ে খেলেছ। আমরা তাই ব্যাকফুটেই রয়েছি। তারপরও মেয়েরা তাদের সেরাটা দিয়েই সোনার জন্য লড়াই করবে।’
নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ দল-জানিয়ে অধিনায়ক শাহিদা খাতুন বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম হিমালয়ের কন্যাদের হারানোর ব্যাপারে। আমরা গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তানকে হারানোর মধ্য দিয়ে এবারের আসর শুরু করেছিলাম। এরপর একে একে মালদ্বীপ ও পাকিস্তানকে ধরাশায়ী করেছি। তাই ভারতকে নিয়ে আমরা শঙ্কিত নই। আমরা কালকের (সোমবার) ফাইনালে নিজেদের সেরাটা দিয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।’ সেমি ফাইনালে নেপালকে হারানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল হিসেবেই খেলছি। স্বর্ণ জয়ের সক্ষমতা আছে আমাদের। কিন্তু আমাদের দূর্ভাগ্য আমরা দলের প্রধান গোলরক্ষক শিলা রায়কে পাচ্ছি না। মায়ের মৃত্যুর কারণে শুক্রবার ভারত ছাড়তে হয়েছে তাকে। সেকেন্ড গোলরক্ষক সুশিলাও ইনজুরিতে।’
মহিলা দল ফাইনালে উঠলেও ব্যর্থ হয়েছে পুরুষ হ্যান্ডবল দল। এদিন সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৩৪-১৯ গোলে হেরেছে তারা। প্রথমার্ধ্বে ১৪-০৯ গোলে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। পুরুষরা এখন ব্রোঞ্চের লড়াইয়ে নামবে, আর মেয়েরা খেলবে হ্যান্ডবলে ইতিহাস গড়তে।

শেষ চারে উঠেও হ্যান্ডবল শিবিরে হতাশা

সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের মহিলা হ্যান্ডবলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ চারে উঠেও হতাশা বিরাজ করছে লাল-সবুজ শিবিরে। কারণ সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের দুই গোলরক্ষকের একজনকেও পাচ্ছে না বাংলাদেশ। দলের নিয়মিত গোলরক্ষক শিলা রায়ের মা মারা যাওয়ায় শনিবারই শিলং ছেড়ে গেছেন তিনি। আর গ্রুপের শেষ ম্যাচে এদিন মালদ্বীপের বিপক্ষে জাতীয় মহিলা দলের অতিরিক্ত গোলরক্ষক সুশীলা হাতে ব্যথা নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন ম্যাচ শেষের আগেই। যে কারণে বাকি সময় অধিনায়ক সাহিদাকে গোলবার সামলাতে হয়েছে। সুশিলা সুস্থ্য হয়ে উঠতে না পারলে গোলবার কে আগলে রাখবেন- তা নিয়েই চিন্তায় থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশ শিবিরকে।
শনিবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ ৩৪-২৭ গোলে মালদ্বীপকে পরাস্ত করে সেমিফাইনালে পা রাখে। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে অনিয়মিত গোলরক্ষক সুশিলা হাতে ব্যাথা পেয়ে মাঠ ছাড়েন। রোববার সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে লড়তে হবে ‘এ’ গ্রুপ রানার্সআপ নেপালের বিপক্ষে। স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় খেলাটি শুরু হবে। শেষ চারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দুই গোলরক্ষককে হারিয়ে বেশ দুঃচিন্তায় পড়েছে বাংলাদেশ শিবির। দলের কোচ দিদার হোসেন জানান, ‘বাংলাদেশ ছাড়া গেমসে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলই ১৬ জন করে খেলোয়াড় নিয়ে গোহাটি এসেছে। অথচ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নির্দেশে ১৪ খেলোয়াড় নিয়ে দল গড়েছে হ্যান্ডবল ফেডারেশন। নিশ্চিত একটি পদক হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় পড়েছি। আরো দু’জন খেলোয়াড় দলে থাকলে গোলরক্ষক নিয়ে ভাবতে হতো না। এদের মধ্যে একজন অবশ্যই গোলরক্ষক থাকতেন। বিওএ’র নির্দেশনা মানতে গিয়ে এখন আমরা বিপদে পড়ে গেছি। বলতে পারছি না সেমিফাইনালে গোলরক্ষক নিয়ে মাঠে নামতে পারবো কিনা। যদি সুশীলার হাতের ইনজুরি না সারে তাহলে অন্য পজিশনের খেলোয়াড়কেই গোলরক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে ফলাফল কি হয় বলতে পারছি না।’

সেমিফাইনালে মহিলা হ্যান্ডবল দল

গৌহাটি-শিলং ১২তম সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমস মহিলা হ্যান্ডবলে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলো বাংলাদেশ মহিলা দল। বৃহস্পতিবার গৌহাটির সোনাপুর এলএনআইপিই ইনডোর স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ৩৮-২৪ গোলে হারায় পাকিস্তানকে। প্রথমার্ধে বিজয়ীরা ১৯-১৪ গোলে এগিয়ে ছিলো। বাংলাদেশের শিরিনা ১০টি, খালেদা ৬, সুমি, নিশি ও ফালগুণী ৫টি করে, ডালিয়া ৪টি ও শিল্পি ৩টি গোল করেন। প্রথম ম্যাচে লাল-সবুজরা ৬২-৫ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিলো আফগানিস্তানকে।
শনিবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশের মেয়েরা। একই ভেন্যুতে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

হ্যান্ডবলে লক্ষ্য ফাইনাল

এসএ গেমসের হ্যান্ডবল দল ঘোষণা

দক্ষিণ এশিয়ান গেমসের (এসএ গেমস) জন্য পুরুষ ও মহিলা দল দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৪ সদস্যের পুরুষ ও মহিলা দল ঘোষণা করে সংস্থাটি।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের শিলং ও গোহাটিতে শুরু হবে এসএ গেমসের এবারের আসর।
পুরুষ হ্যান্ডবল দল: মীর খায়রুজ্জামান, সুধান বড়ুয়া, ইমদাদুল হক, আব্দুস সাত্তার, মেহেদী হাসান, রানা মিয়া, মাহবুবুল আলম চৌধুরী, সোহেল রানা, রাসেল চাকমা, সোহাগ হোসেন, ইমরান, সাকির সামির ইমন, সোহেল রানা ও তারিকুর রহমান।
মহিলা হ্যান্ডবল দল: সাহিদা খাতুন, খালেদা সুলতানা, শিল্পী আক্তার, শিরিনা আক্তার, ডালিয়া আক্তার, সিফা, ইসমত আরা নিশি, জলি খাতুন, ফাল্গুনী বিশ্বাস, সুলতানা রাজিয়া, ঝর্না, সুমী বেগম, শিলা রায় ও সুশিলা মিংজ।

জাতীয় মহিলা হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়ন বিজেএমসি

এক্সিম ব্যাংক ২৬তম জাতীয় মহিলা হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় শিরোপা ধরে রেখেছে বিজেএমসি। ফাইনালে বাংলাদেশ আনসারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করে তারা। সর্বশেষ পাঁচ আসরে তিন এবং মোট নয়বার এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হল বিজেএমসি।
শনিবার দুপুর ৩টায় (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলায় বিজেএমসি ২৮-১৯ গোলে বাংলাদেশ আনসারকে পরাজিত করে। বিজয়ীদল প্রথমার্ধে ১৩-৭ গোলে এগিয়ে ছিলো। বিজেএসসি’র পক্ষে শিরিনা ১০ টি ও ডালিয়া ৬টি গোল এবং বাংলাদেশ আনসারের পক্ষে রুবিনা ৭টি ও নিশি ৫টি করে গোল করেন।
এর আগে দুপুর ১টায় একই মাঠে তৃতীয় স্থান নির্ধারনী খেলায় বাংলাদেশ পুলিশ ১৪-৭ গোলে নওগাঁ জেলাকে পরাজিত করে প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান অর্জন করে।
সমাপনি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি এ.কে.এম নূরুল ফজল বুলবুল সভাপতিত্ব করেন। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান হাফিজ আহমেদ মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার বিজয়ী ও বিজিতদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মহিলা মাষ্টার দাবারু রানী হামিদ এবং সামিনা মুহিত।
এছাড়া অন্যান্যদের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান কামরুন নাহার ডানা, ফেডারেশনের সহ-সভাপতি হাসান উল্লাহ খান রানা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাংগঠনিক কমিটির সম্পাদক সালাউদ্দিন আহাম্মেদ এবং সাংগঠনিক কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক রাশিদা আফজালুন নেসা সহ অন্যান্য ক্রীড়া ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় এবং এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় গত ২৮ ডিসেম্বর এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

২৬তম জাতীয় মহিলা হ্যান্ডবল

দেশের ১৮টি হ্যান্ডবল দলের অংশগ্রহণে ‘এক্সিম ব্যাংক ২৬তম জাতীয় মহিলা হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০১৫’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমাবার শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল ষ্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর্দা উঠে।
এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন ও পৃষ্ঠপোষকতায় থাকে এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড। জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী খেলায় দিনাজপুর জেলাকে ১১-৬ গোলে উড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করে ঢাকা জেলা।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রধান অতিথি থেকে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি এ. কে. এম. নূরুল ফজল বুলবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডঃ মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও সামিনা মুহিত।
এছাড়া অন্যান্যদের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান কামরুন নাহার ডানা, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাংগঠনিক কমিটির সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন আহাম্মেদ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাংগঠনিক কমিটির যুগ্ম-সম্পাদকদ্বয় যথাক্রমে মোঃ আইয়ুব আলী ও রাশিদা আফজালুন নেসা সহ অন্যান্য ক্রীড়া ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, জাতীয় মহিলা হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতার এবারের আসরে দেশের বিভিন্ন সংস্থা ও জেলা থেকে সর্বমোট ১৮ টি হ্যান্ডবল দল ৪টি গ্রুপে অংশগ্রহণ করছে। ১ম রাউন্ডের খেলাগুলো হচ্ছে শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল ষ্টেডিয়াম এবং সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে (ধানমন্ডি)।