রাত ১১:৩৫, মঙ্গলবার, ১৮ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং

বিশ্বকাপ হকিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে স্কুল হকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ও হকি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডক্টর মাহফুজুর রহমান। আজ মঙ্গলবার বিমানবাহিনীর ফ্যালকন হলে জাতীয় স্কুল হকি টুর্নামেন্ট আয়োজনে হকি ফেডারেশনের সাথে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের এক কোটি টাকার পৃষ্ঠপোষকতা চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় হকি ফেডারেশনের কর্মকর্তারা বলেন, এদেশের হকির উন্নয়নে তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় বের করে উন্নত মানের প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।

তিন বছর পর আবারো স্কুলের শিক্ষার্থীরা সুযোগ পাচ্ছেন হকি মাঠে স্টিক হাতে নেবার। হকি ফেডারেশনের এমন ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত ক্ষুদে খেলোয়াড়রা। মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তাদের সেলফি তোলার আবদারও মেটাতে হলো হকি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডক্টর মাহফুজুর রহমানকে। ২০১৬ তে ১০২ টি স্কুল নিয়ে সবশেষ হয়েছিলো খেলোয়াড় তৈরির প্ল্যাটফর্ম বলে পরিচিত এই স্কুল হকি টুর্নামেন্ট। ফেডারেশনের সভাপতি এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত তাই ধন্যবাদ জ্ঞাপন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান, এবং কর্মকর্তাদের প্রতি। তিনি বলেন, হকির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা। সবাই একযোগে এমনভাবে কাজ করলে নিশ্চয়ই এদেশের হকি একদিন তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছতে পাবে।

এর আগে ২০১৩ আর ২০১৬ তে স্কুল হকির সফল আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ‌ও ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডক্টর মাহফুজুর রহমান তুলে ধরেন এই আয়োজনের গুরুত্ব। তিনি বলেন, স্কুল হকি থেকে ভালো এবং মেধাবী খেলোয়াড় বাছাই করে যদি আমরা আর‌ও উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে তৈরি করতে পারি তবে এদেশের হকি দেশীয় অঙ্গণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গণে‌ও ভালো ফলাফল করতে পারবে। তাতে করে আমাদের চা‌ওয়া বিশ্বকাপ খেলার লক্ষ্য‌ও তারা পুরণ করতে পারবে। সেই সঙ্গে স্পন্সর পা‌ওয়া‌ও খুব একটা কষ্টের কিছু হবে। সাফল্য পেলে আর‌ও বেশি বেশি স্পন্সর আগ্রহী হবে। এমনি করেই দেশের হকি এগিয়ে যাবে।

আগামী বছর জানুয়ারীর শেষ সপ্তাহে জেলা পর্যায় থেকে শুরু হবে জাতীয় স্কুল হকির নবম আসর। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আর ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দুজনই তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় বের করে আনতে আশাবাদী। স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ওয়াসেক মোহাম্মদ আলী জানান, স্কুল হকি থেকে যদি দুই-তিনজন খেলোয়াড় পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পায় তাতেই আমরা খুশি। তবে হকির প্রতি আমাদের এই সমর্থন ভবিষ্যতে‌ও অব্যাহত থাকবে।

এ সময় ভবিষ্যতেও স্কুল হকির সব আয়োজনে ফেডারেশনের সাথে থাকার ইচ্ছের কথা জানান পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক এবং ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।