রাত ৯:৫২, মঙ্গলবার, ২৮শে মার্চ, ২০১৭ ইং

ইনকনট্রেড লিমিটেড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল জুনিয়র ব্যাডমিন্টনে ত্রিমুকুট জিতেছেন বাংলাদেশের ইরিনা পারভীন রত্না। বৃহস্পতিবার শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের শেষ দিনে আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশের এ শাটলার। তিনি মহিলা একক, মহিলা দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।

এককের ফাইনালে নিজ দেশের আফরিনা ইসলাম মৌলিকে হারিয়েছেন ২-০ সেটে। দ্বৈতে মৌলিকে নিয়ে নিজ দেশের অনামিকা ইসলাম ও বিথী সরকারকে হারিয়েছেন ২-০ সেটে। মিশ্র দ্বৈতে মিনহাজ মোহাম্মদের সঙ্গে জুটি বেঁধে মৌলি ও আবুজর জুটিকে ২-০ সেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ।

টুর্নামেন্টের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন পৃষ্ঠপোষক ইনকনট্রেড লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন।

নেপাল ওপেনের সেমিতে বাংলাদেশের ৪ শাটলার

নেপাল ওপেন ইন্টারন্যাশনাল ব্যাডমিন্টন চ্যালেঞ্জের সেমিফাইনালে উঠেছেন বাংলাদেশের ৪ শাটলার। মহিলা দ্বৈতে এলিনা ও শাপলা, মিশ্র দ্বৈতে এলিনা ও সালমান এবং এনাম ও শাপলা জুটি শেষ চারে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত মহিলা দ্বৈতের কোয়ার্টার ফাইনালে এলিনা ও শাপলা ২-০ সেটে হারিয়েছে নেপালের জুটিকে। মিশ্র দ্বৈতে এলিনা ও সালমান একই ব্যবধানে হারিয়েছেন স্বাগতিক জুটিকে। মিশ্র দ্বৈতের আরেক জুটি এনাম ও শাপলা ২-১ সেটে হারিয়েছেন ভারতীয় জুটিকে। শুক্রবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ৩ জুটির প্রতিপক্ষই ভারত।
এদিকে কোয়ার্টার ফাইনালে পুরুষ এককে সালমান ২-০ সেটে হেরেছেন ভিয়েতনামের কাছে। পুরুষ দ্বৈতের কোয়ার্টার ফাইনালে তুষার ও সালমান জুটি ২-০ সেটে হেরেছে ভারতের কাছে।

ক্যাম্পে ফিরেছেন শাটলাররা

যারা জাতীয় দলের ক্যাম্পে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে- বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি আবদুল মালেকের এমন আশ্বাসের পর অনুশীলনে ফিরেছেন ৮ শাটলার। যারা গত দুই দিন অনুশীলন করেননি ক্যাম্পে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে।

শনিবার রাতে ক্যাম্প বর্জন করা শাটলারদের সঙ্গে বসেছিলেন ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজন কর্মকর্তা। তখন শাটলাররা বলেছিলেন, সভাপতির সঙ্গে দেখা করে তার কাছে বিচার জানিয়ে অনুশীলনে ফিরবেন।

রোববার সকালে ওই ৮ শাটলার উডেন ফ্লোর জিমন্যাসিয়ামে উপস্থিত হলেও অনুশীলন করেননি। বিকেলে সভাপতি জিমন্যাসিয়ামে গিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেছেন। ‘সভাপতি মহোদয় এসেছিলেন। তিনি বলেছেন যা ঘটেছে তা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার আশ্বাসের পরই আমরা অনুশীলন শুরু করেছি’-বলেছেন মহিলা শাটলার শাপলা আক্তার।

চতুর্থবারের মতো ইউনেক্স-সানরাইজ ওপেন ইন্টারন্যাশনাল ব্যাডমিন্টন চ্যালেঞ্জ শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার। টুর্নামেন্টে অংশ নেবেন বাংলাদেশ,ভিয়েতনাম, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সুইডেন ও সিরিয়ার ১০৪ জন শাটলার।

৫ দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে পল্টন ময়দান সংলগ্ন শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ উডেন ফ্লোর জিমন্যাসিয়ামে। ১৭ হাজার ৫ শত মার্কিন ডলার প্রাইজমানির এ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের বাজেট ৪৫ লাখ টাকা। তবে এ বাজেটের মধ্যে একটি জুনিয়র টুর্নামেন্ট হবে ১২ থেকে ১৫ ডিসেম্বর।

পুরুষ ও মহিলা একক, পুরুষ ও মহিলা দ্বৈত এবং মিশ্র দ্বৈত-এ ৫ ইভেন্টে অনুষ্ঠিত হবে এ টুর্নামেন্ট। মিশ্র দ্বৈতে বাংলাদেশের জুটি হচ্ছে-শাপলা ও সুহেল, এলিনা ও ইরিনা, বৃষ্টি ও মিনহাজ।  পুরুষ দ্বৈতে খেলবেন খালেদ ও দুলাল, ওহিদুল ও মিনহাজ, তুষার ও সালমান, লাল চাঁদ ও অনিক। মহিলা দ্বৈতে খেলবেন এলিনা ও শাপলা এবং বৃষ্টি ও ইরিনা।

ব্যাডমিন্টন ক্যাম্পে হ-য-ব-র-ল অবস্থা

বিদেশি দলগুলোর মধ্যে সবার আগে ভিয়েতনাম আসছে রোববার। পর্যায়ক্রমে আসবে আরও ১১ অতিথি দেশ-ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সুইডেন ও সিরিয়া। দেশগুলোর আগমনের উদ্দেশ্য ৬ থেকে ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ইউনেক্স-সানরাইজ ওপেন ইন্টারন্যাশনাল ব্যাডমিন্টন চ্যালেঞ্জে অংশ নেয়া।

বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ নিয়ে ৫ দিনব্যাপি এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে পল্টন ময়দান সংলগ্ন শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ উডেন ফ্লোর জিমন্যাসিয়ামে। ১৫ হাজার মার্কিন ডলার প্রাইজমানির এ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনে ব্যস্ত বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের কর্মকর্তারা।

আয়োজনের প্রস্তুতি ঠিকঠাক চললেও দল হিসেবে বাংলাদেশ কেমন করবে? কিংবা লক্ষ্য কি? তা নিয়ে ভ্রক্ষেপ নেই ফেডারেশনের। জাতীয় দল ঘোষণা ও ক্যাম্প শুরু করেই যেন সব দায়িত্ব শেষ করেছেন কর্মকর্তারা। ক্যাম্প চলছে যাচ্ছেতাই ভাবে। এক কথায় হ-য-ব-র-ল।

জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাকা হয়েছে ১৪জন শাটলারকে। ২৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ক্যাম্প। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে শাটলারদের অনুশীলন; কিন্তু শনিবার সকাল ১১টায় শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ উডেন ফ্লোর জিমন্যাসিয়ামে দেখা গেল জাতীয় দলের মাত্র ৪ শাটলারকে অনুশীলন করতে।

৩ নারী শাটলার এলিনা সুলতানা, ইরিনা পারভীন রত্না, বৃষ্টি খাতুনের সঙ্গে পুরুষ শাটলার তুষার কৃষ্ণ রায়। তাদের সঙ্গ দিচ্ছেন ব্যক্তিগভাবে অনুশীলন করাদের একজন জাকারিয়া ও ইয়ুথ টিমের এক নারী শাটলার অনামিকা। প্রধান কোচ কাজী হাসিবুল হক শাকিল গর হাজির। সহকারী কোচ জাহিদুল ইসলাম কচি অনুশীলন তদারকি করছেন। পাশেই বসা টিম কমান্ডার নূর মোহাম্মদ, যিনি ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের ট্রেজারার। এই ছিল ব্যাডমিন্টন ক্যাম্পের শনিবারের চিত্র।

মাঝে ২দিন আছে টুর্নামেন্ট শুরু হতে। অথচ এমন সময় জাতীয় দলের ক্যাম্পের বেহাল অবস্থার কারণ অনেকেরই জানা। গত বৃহস্পতিবার ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের হাতাহাতির পর নিরাপত্তা চেয়ে ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছেন ক্যাম্পের ৮ খেলোয়াড়। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া পর্যন্ত ক্যাম্প বর্জনেরও হুমকি দিয়েছেন তারা। শনিবার অনুশীলনে তাদের অনুপস্থিতিই সে হুমকির প্রতিফলন।

জাতীয় দলের ১৪ জন ছাড়াও টুর্নামেন্টের জন্য ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করছেন আরও ৮ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী শাটলার। তাদের অনুশীলন করা না করা নিয়ে ফেডারেশনের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তবে জাতীয় দলের ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনের অনুপস্থিতি ক্যাম্পের বিশৃঙ্খলাই প্রমাণ করে।

Badminton

সহকারী কোচ জাহিদুল ইসলাম কচি অবশ্য অনুশীলন না করায় কোনো সমস্যা দেখছেন না, ‘খেলোয়াড়রা যদি ২/৩ দিন অনুশীলন নাও করে সমস্যা নেই। তবে যে বিশৃঙ্খলা হচ্ছে সেটা ক্ষতিকর। তাদের খেলার মানসিকতা ফিরিয়ে আনতে না পারলে ভালো কিছু সম্ভব নয়।’

ক্যাম্প বর্জনের হুমকি তো দিয়েছেন ৮ জন। তাহলে বাকি দুই জন কোথায়? প্রধান কোচই বা নেই কেন? ক্যাম্প কমান্ডার বলেন, ‘জামিল আহমেদ দুলাল ছুটি নিয়েছেন। আর ইনামুল হক দরখাস্ত দিয়েই চলে গেছেন- অনুমতি নেননি। কোচের কথা বলছেন? তিনি সকালে ছিলেন। এখন একটু কাজে বের হয়েছেন।’

যে কারণেই হোক বেশিরভাগ শাটলার ক্যাম্পে নেই। তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য কোচ হিসেবে কি উদ্যোগ নিয়েছেন আপনারা? ‘আমরা দুই কোচ খেলোয়াড়দের বুঝিয়েছি এটা দেশের বিষয়। যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা হয়েছে এবং যে খেলোয়াড়দের গায়ে হাত দিয়েছে তার বিচার হবে। তারপরও তারা ক্যাম্পে আসেননি’ -জবাব সহকারী কোচের।

খেলোয়াড়দের গায়ে যে হাত দিয়েছে তাকে কি চিনেছেন? ‘আমি দেখিনি’- একই রকম জবাব সহকারি কোচ আর ক্যাম্প কমান্ডারের। তাহলে ব্যবস্থা নেবেন কিভাবে? ক্যাম্প কমান্ডার বলেন, ‘অনেকের কাছে ঘটনার ভিডিও আছে শুনেছি।’

ব্যাডমিন্টনের ক্যাম্পে এ অবস্থা খেলোয়াড়দের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের ফল। এটাকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না সাবেক তারকা খেলোয়াড় কামরুন্নাহার ডানা, ‘আমি শুনে অবাক হয়েছি যে, ফেডারেশনের কক্ষে খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সভা হয়। আজকে যারা ক্যাম্প বর্জন করছেন এক সময় তাদের বড় ভাইয়েরাও ক্যাম্প বর্জন করেছিলেন। শাস্তি পাওয়ার পর আবার আন্দোলনও করেছিলেন। বড়রা যা শিখিয়েছেন, ছোটরা তাই শিখেছেন। জাতীয় দলের ক্যাম্প তো বর্জন করা উচিতই না। এখন ফেডারেশন বুঝুক নিয়ম অনুযায়ী কি করতে হবে। ফেডারেশনের উচিত খেলোয়াড়দের একটা প্লাটফর্মে নিয়ে আসা। আমার মনে হয়, আমরা সংগঠকরা নিজেদের স্বার্থে খেলোয়াড়দের ব্যবহার না করলে এমন বিভক্তি আসতো না। শাটলারদের পারফরম্যান্স ডাউন হতো না এবং নোংরা কাজও হতো না। আমাদের সময় খেলোয়াড়রা একজন আরেকজনরে জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত থাকতাম। এখন একজন আরেকজনের গায়ে হাত তোলেন। এটাতো অবাক কাণ্ড। আমরা সংগঠকরাই নিজেদের স্বার্থে খেলোয়াড়দের ব্যবহার করে তাদের পারফরম্যান্স খারাপ করছি এবং ক্রীড়াঙ্গনকে কলুষিত করছি।’

জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ক্যাম্পে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে ফেডারেশন। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গোলাম আজিজ জিলানী বলেছেন, ‘আজ(শনিবার) সন্ধ্যা ৭ টায় খেলোয়াড়দের ডাকা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য। এটা জাতীয় ইস্যু। আশা করি সব সমস্যার অবসান হবে।’

মেয়েদের এককে চ্যাম্পিয়ন শাপলা

প্রস্তুতি শাপলার মতো ছিল না। কিছু দিন হয় যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দলে। স্বাভাবিকভাবেই শাপলা খাতুনের চেয়ে সম্ভাবনায় পিছিয়ে ছিলেন এলিনা সুলতানা। লড়াইয়েও ব্যবধানটা ফুটে উঠেছে। শাপলা খাতুনই জিতে নিয়েছেন রকল্যান্ড সামার ওপেন (র‌্যাংকিং) ব্যাডমিন্টনের মেয়েদের এককের শিরোপা।
শুক্রবার শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ উডেনফোর জিমন্যাসিয়ামে অনুষ্ঠিত মেয়েদের শীর্ষ দুই তারকার লড়াইয়ে কাওয়াসাকি ব্যাডমিন্টন কাবের শাপলা খাতুন ২-০ সেটে হারিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এলিনা সুলতানাকে। শাপলা এ প্রতিযোগিতার আগের আসরেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন মেয়েদের এককে। শাপলার সামনে এখন দ্বিমুকুট জয়ের হাতছানি। শনিবার মেয়েদের দ্বৈতের ফাইনালেও আছেন তিনি। দুলালির সঙ্গে জুটি বেধে এলিনার সঙ্গে আরেকবার লড়াইয়ে নামবেন শাপলা। এলিনার পার্টনার নাবিলা জামান। মেয়েদের দ্বৈতের সেমিফাইনালে শাপলা-দুলালি জুটি হারিয়েছে রেহানা-বৃষ্টি জুটিকে। এলিনা-নাবিলা জুটি হারিয়েছে ইরিনা পারভীন রতœা-লাকী বিশ্বাস জুটিকে।

শেষ হলো তিন দিনের ওয়ালটন মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টন

জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ওয়ালটন মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টন ২০১৬। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টনের দ্বিতীয় আসরে ২৩টি সংবাদ মাধ্যমের ৬৫টি জন সংবাদকর্মী অংশগ্রহণ করেন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকবোর্ডের উদ্যোগে, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে ও সার্বিক সহযোগিতায় ৩-দিনের এই ব্যাডমিন্টন আয়োজনের সমাপনী দিনে মেন-ওমেন সিঙ্গলস, ডাবলস এবং মিক্সড ডাবলস এই তিন ক্যাটাগরির ৫টি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
মেন’স সিঙ্গেলস ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন যমুনা টেলিভিশনের শাফিক পাহাড়ি। এই ক্যাটাগরিতে দিনের সর্ব্বোচ্চ উত্তেজনার ম্যাচে রানার আপ চ্যানেল একাত্তুরের আব্দুলাহ রাহি। ম্যান ডাবলস ক্যাটাগরিতে শরিফুল- আশরাফুল জুটিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জণ করেন যমুনা টেলিভিশনের পাহাড়ি-মনজুর জুটি।
ওমেন’স সিঙ্গেলস ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শার্লি জাহান শিশির। টানটান উত্তেজনার এই ফাইনাল ম্যাচে রানার আপ হয়েছেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ফারহানা ইয়াসমিন লোপা। ওমেন’স ডাবলস ক্যাটাগরিতে যমুনার টেলিভিশনের সুজানা ও শিশির জুটিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের লোপা ও প্রিমা জুটি। চ্যানেল একাত্তুরের রাহি- দিপা জুটিকে হারিয়ে মিক্সড ডাবল ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন যমুনার পাহাড়ি-শার্লি জুটি।
দেশের সংবাদকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এই ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের সমাপনী দিনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জনাব এফএম ইকবাল-বিন আনোয়ার (ডন)। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি রানা হাসান এবং স্পনন্সর প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য অতিথিবর্গ।
পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের শুরুতে ছিলো থিয়েটার দল প্রাচ্যনাটের অংশগ্রহণে এক মনোমুগ্ধকার সঙ্গীত পরিবেশনা। পুরষ্কার বিতরণী অন্ঠুান শেষে ছিলো অভি, বিবেক ও মেহেদীর অ্যাকোয়েস্টিক পরিবেশনা।

পর্দা নামছে ওয়ালটন মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টনের

পর্দা নামছে সংবাদকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত ওয়লটন মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টনের দ্বিতীয় আসর। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত ওয়ালটন মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টন-২০১৬’ শেষ হবে। এর পাওয়ার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ওয়ালটন গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল।
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ব্লাকবোর্ডের উদ্যোগে, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে ও সার্বিক সহযোগিতায় তিনদিন ব্যাপী এ টুর্নামেন্টে দেশের প্রথম সারির ২৩টি প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন হাউস অংশগ্রহণ করে। যেখানে প্রায় শতাধিক সংবাদকর্মী সিঙ্গেলস, ডাবলস এবং মিক্সড ডাবলস তিন ক্যাটাগরির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেন।
শুক্রবার বিকেলে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই প্রতিযোগিতার সমাপণি ঘোষনা করবেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার ডন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সাবেক সভাপতি রানা হাসান, পেপসি এর ব্র্যান্ড ম্যানেজার মোহাম্মদ সুলতান আফজাল, সেইলর এর হেড অব বিজনেস ডেভলপমেন্ট মোহাম্মদ রেজাউল কবির।
সমাপণি ঘোষণার পাশাপাশি আয়োজনের শেষ দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং রানার-আপ সহ বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে।

শুরু হলো মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট

যারা প্রতিনিয়ত সংবাদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, সেই মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে শুরু হলো ‘মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০১৬’ পাওয়ার্ড বাই ওয়ালটন’। বুধবার মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন দৈনিক সমকাল পত্রিকার সম্পাদক গোলাম সারওয়ার।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস বিভাগের প্রধান ও সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের যুগ্ম সচিব মো: গোলাম আজম জিলানি, জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও মডেল নুসরাত ফারিয়া, ভারতীয় অভিনেতা ও মডেল ওম।
টুর্নামেন্টটি চলবে ১৯ ফেরুয়ারি পর্যন্ত। সকালে উদ্বোধনকালে সমকাল পত্রিকার সম্পাদক গোলাম সারওয়ার বলেন, ‘এক সাথে এত সংখ্যক সংবাদ কর্মীদের ব্যাডমিন্টন এর মাঠে দেখে নিজেকে অনেক বেশি তরুণ মনে হচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন অবশ্যই ক্রীড়া জগতে মহতি ভূমিকা পালন করবে। পাশপাশি তরুণদের খেলাধুলায় অনুপ্রাণিত করবে। এ ধরনের আয়োজন বারবার হওয়া উচিত।’
ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, ‘গেল বছর এই টুর্নামেন্টের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আমরা ওয়ালটন গ্রুপ পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলাম। এবারও ওয়ালটন গ্রুপ এই টুর্নামেন্টের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে। যারা মানুষকে প্রতিনিয়ত সংবাদ সরবরাহ করে সেই মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে এই আয়োজনে ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করবে ওয়ালটন গ্রুপ। আমি টুর্নামেন্টের সার্বিক সফলতা কামনা করছি।’
‘মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টন-২০১৬’ এ দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রথম সারির ২১টি প্রতিষ্ঠানের সংবাদকর্মীরা অংশ নিয়েছে। উদ্বোধনী দিনে গড়ায় মেনস সিঙ্গেল ও মেনস ডাবল ইভেন্টের প্রথম রাউন্ডের খেলা। প্রথম দিন ১৮টি প্রতিষ্ঠানের সংবাদকর্মীরা অংশ নেয়। প্রথম দিনের বিজয়ীরা আগামীকাল (১৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় রাউন্ডে ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবেন।