সকাল ৯:৫৩, রবিবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৭ ইং

গিনেস রেকর্ড গড়ায় হ্যাটট্রিক করলেন আব্দুল হালিম।
ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১২ ও ২০১৬ সালে দুটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েন আব্দুল হালিম। এবার আরো একটি রেকর্ড গড়লেন বাংলাদেশের এই খ্যাতিমান ফুটবল প্রদর্শক। বল মাথায় নিয়ে সাইকেল চালিয়ে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার রেকর্ড গড়েছেন তিনি (Greatest distance travelled on a bicycle balancing a football on the head)। গতকাল বৃহস্পতিবার তার সেই রেকর্ডের স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে হ্যাটট্রিক রেকর্ড গড়লেন মাগুরার এই কৃতি সন্তান।
চলতি বছরের জুন মাসের ৮ তারিখ শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে বল মাথায় নিয়ে সাইকেল চালিয়ে ১৩.৭৪ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে নতুন এই রেকর্ড গড়ার প্রচেষ্টা চালান হালিম। সেদিন সকাল ১১.৫৩ মিনিটে তিনি বল মাথায় নিয়ে সাইকেল চালানো শুরু করেন। প্রবল বাতাসের ঝাপটায় দুপুর ১টা ১২ মিনিটে তার মাথা থেকে বল পড়ে যায়। ততক্ষণে ৯১ ল্যাপে ১৩.৭৪ কিলোমিটার অতিক্রম করে ফেলেন তিনি। যা নতুন রেকর্ড। ২০১৬ সালে এই রেকর্ড গড়ার জন্য হালিম যখন গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন তখন তারা কমপক্ষে ৫ কিলোমিটার অতিক্রম করার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। তাদের বেধে দেওয়া সেই সীমা ১ ঘণ্টা ১৯ মিনিটে অতিক্রম করে হালিম ১৩.৭৪ কিলোমিটার করেন।
এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে তার রেকর্ড গড়ার প্রচেষ্টার পুরো ভিডিও, স্থিরচিত্র এবং এ নিয়ে ইলেট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রমাণাদি গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়। সেটি বিচার-বিশ্লেষণ করে আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় আব্দুল হালিমকে নতুন এই রেকর্ডের স্বীকৃতি দেয় গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ।
রেকর্ডের স্বীকৃতি পেয়ে আব্দুল হালিম যারপরনাই খুশি ও কৃতজ্ঞ, ‘আসলে অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আবেগে আমার কান্না আসতেছে। এটা আমার তৃতীয় রেকর্ড। এই রেকর্ড গড়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই আমি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাব ওয়ালটন গ্রুপকে। তারা পৃষ্ঠপোষকতা না করলে হয়তো সবকিছু এত দ্রুত হত না।’ তিনি আরো বলেন, ‘সবার সহযোগিতা পেলে ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতে দেশবাসীকে আরো রেকর্ড উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব। আমার আরো দুটি রেকর্ড প্রক্রিয়াধীন আছে।’
উল্লেখ্য, গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সৃষ্টিকারী আব্দুল হালিম ২০১২ সালে বল মাথায় রেখে হেঁটে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন। এরপর বল মাথায় নিয়ে রোলার স্কেটিং জুতা পরে দ্রুততম সময়ে (২৭.৬৬ সেকেন্ড) ১০০ মিটার অতিক্রম করে ২০১৬ সালে নতুন একটি রেকর্ড গড়েন।

স্কেটিংয়ে সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশ রোলার স্কেটিং ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। প্রতিটি পদে একজন করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আগামী ৯ আগস্ট নির্ধারিত ছিল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন। ২১ সদস্যের কমিটির ২০ জনের জন্য ছিল নির্বাচনী প্রক্রিয়া। সভাপতি মনোনয়ন দেয় সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ এই ফেডারেশনের সরকার মনোনীত সভাপতি।
১ আগস্ট ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন। কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় এবং কোনো পদে একাধিক প্রার্থী না থাকায় বুধবার নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশন সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে।
দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আহমেদ আসিফুল হাসান। তিন সহ-সভাপতি সালমান ওবায়দুল করিম, মো. শহিদুল্লাহ ও মো. কামাল হোসেন। দুই যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল আলম মাসুম ও জুম্মন রাজ, কোষাধ্যক্ষ ফিরোজুল ইসলাম।
সদস্যরা হলেন : শমসের আলী খান, মো. নিরব, সাহিদুর রহমান, কাজী মুশফিকুর রহমান, মিনান আরা, আসিফ ইকবাল, ইমরান হাসান সোহাগ, মো. আরিফ-উল-ইসলাম, আহাদ হোসেন, হাবিবুর রহমান শেখ, শফিকুর রহমান, নুরুল ইসলাম ও নওসিফ হোসেন।

পুরুষ বিভাগে পিডিবি ও নারী বিভাগে আনসার চ্যাম্পিয়ন

জাতীয় ভলিবল প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও নারী বিভাগে বাংলাদেশ আনসার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে, পুরুষ বিভাগের ফাইনালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ৩-১ সেটে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীকে পরাজিত করে। তারা জয় পায় ১২-২৫, ২৫-২০, ২৫-২১ ও ২৫-২৩ পয়েন্টে। স্থান নির্ধারনী খেলায় পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী ৩-১ সেটে তিতাস গ্যাসকে পরাজিত করে তৃতীয় হয়।
এদিকে, মহিলা বিভাগের ফাইনালে বাংলাদেশ আনসার ৩-০ সেটে বিজেএমসিকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। তারা জেতে ২৫-১৬, ২৫-২০, ২৫-২২ পয়েন্টে। মহিলা বিভাগে রাজশাহী জেলা ৩-১ সেটে চট্টগ্রাম জেলাকে পরাজিত করে প্রতিযোগিতার ৩য় স্থান অধিকার করে।
ফাইনাল খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলকে পুরস্কৃত করেন কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্পন্সর প্রতিষ্ঠান শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের এমডি ও সিইও ফরমান আর চৌধুরী, ভলিবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান ভুইয়া (মানিক) ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকু।

হকির নির্বাচন ২৭ আগস্ট

একটি পক্ষ আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের নির্বাচন এশিয়া কাপের পরে নিয়ে যেতে। আরেক পক্ষ চাইছিল মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই যেন নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। দুই পক্ষের দুই রকম চাওয়াতে ক্রীড়া প্রশাসনও পড়েছিল দোটানায়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুত থাকলেও তফসিল ঘোষণা করতে পারেননি উপর মহলের সবুজ সংকেত না পাওয়ায়।
উপর মহল মানে- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার। অবশেষে সেই সবুজ সংকেত পেয়ে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। ২৭ আগস্ট ভোটের দিন ধার্য করে রবিবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে হকির নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশন।
তফসিল অনুযায়ী সোমবার প্রকাশ করা হবে খসড়া ভোটার তালিকা। মনোনয়নপত্র বিতরণ ১০ ও ১৩ আগস্ট, দাখিল ১৭ আগস্ট এবং বাছাই ২০ আগস্ট। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ২৩ আগস্ট। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরাতন ভবনের নিচ তলার সভা কক্ষে ২৭ আগস্ট সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে।
২৯ সদস্যের হকি ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির ভোট হবে ২৮ টি পদে (৫টি সহসভাপতি, ১টি সাধারণ সম্পাদক, ২টি যুগ্ম সম্পাদক, ১টি কোষাধ্যক্ষ এবং ১৯ টি সদস্য)। সভাপতি মনোনয়ন দেবে সরকার।

আন্তর্জাতিক রেটিং দাবার পুরস্কার

সাইফ পাওয়ারটেক আন্তর্জাতিক রেটিং দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন ও রানার-আপ গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। আজ সোমবার এনএসসি-র সভাকক্ষে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়।
চ্যাম্পিয়ন আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন ও রানার-আপ গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমানকে সাড়ে ৮৭ হাজার টাকা করে অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়। প্রতিযোগিতার তৃতীয়, আন্তর্জাতিক মাস্টার আবু সুফিয়ান শাকিল ও চতুর্থ ফিদে মাস্টার তৈয়বুর রহমানকে চল্লিশ হাজার টাকা করে অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়।
পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিরেন র‌্যাব-এর মহাপরিচালক ও দাবা ফেডারেশনের সভাপতি বেনজীর আহমেদ। এ সময় স্পন্সর প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেকের এমডি তরফদার রুহুল সাইফ, টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান কে এম শহিদউল্যা উপস্থি ছিলেন।

সামার অ্যাথলেটিক্সে সেরা সেনাবাহিনী

জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্সের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন সেনাবাহিনীর দুই অ্যাথলেট আল আমিন ও সুমি আক্তার।
১৫০০ মিটার ও পাঁচ হাজার মিটার দৌড়ে র্স্বন পদক ও ৮০০ মিটারে ব্রোঞ্জ জেতা সেনাবাহিনীর আল আমিনকে পুরুষ বিভাগের সেরা নির্বাচিত করেছেন বিচারকরা। আর মেয়েদের বিভাগে সেরা র্নিবাচিত সেনাবাহিনীর সুমি আক্তার ৮০০ মিটার, ১৫০০ মিটার ও ৩ হাজার মিটারে র্স্বন পদক ও ৪০০ মিটারে রূপা জিতেছেন।
এবারের প্রতিযোগিতায় সেনাবাহিনী ১৮টি সোনা, ১৭টি রূপা ও ১৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৪৮টি পদক নিয়ে সেরা হয়েছে। দ্বিতীয় নৌবাহিনী জিতেছে ১২টি সোনা, ১১টি রূপা ও ১০টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৩৩টি পদক। আর ৪টি সোনা, ৩টি রূপা ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১১টি পদক নিয়ে তৃতীয় হয়েছে বাংলাদেশ জেল।
শনিবার প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ও শেষ দিনে ছেলেদের ৫ হাজার মিটারে আল আমিন সোনা জিততে সময় নেন ১৬ মিনিট ৩ দশমিক ১০ সেকেন্ড।
১০০ মিটার রিলেতে মেজবাহ আহমেদ-আব্দুর রউফ-এম ইসমাইল-কাজী শাহ ইমরান ৪১ দশমিক ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে নৌবাহিনীকে সোনা এনে দিয়েছেন। ১০০ মিটারে মেয়েদের বিভাগে সুস্মিতা-শরিফা-বর্ষা-কনা সেনাবাহিনীকে সোনা জেতান, ৪৯ দশমিক ৪০ সেকেন্ডে।
ছেলেদের পোল ভোল্টে শরিফুল ইসলাম (৩ দশমিক ৮০ মিটার), জ্যাভলিন থ্রোয়ে পাপিয়া আক্তার (৩৮ দশমিক ৯৭ মিটার), শটপুটে মামুন সিকদার (১৩ দশমিক ৭৬ মিটার) সোনা জিতেছেন।
মেয়েদের হাইজাম্পে রত্না খাতুন (১ দশমিক ৬০ মিটার), ৩ হাজার মিটার স্প্রিন্টে সুমী আক্তার (১২ মিনিট ৮ দশমিক ৭০ সেকেন্ড) সোনা জিতেছেন। ২০ কিলোমিটার হাঁটায় আব্দুর রহিম (১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড), ১০০ মিঃ হার্ডলস সুমিতা রানী দাস (১৫ দশমিক ৩০ সেকেন্ড) সেরা হয়েছেন।
আয়েশা আক্তার আয়েশা আক্তার ৪০০ মিটারে ছেলেদের বিভাগে সাইফুল ইসমাইল খান (৪৯ দশমিক ১০ সেকেন্ড) ও মেয়েদের বিভাগে আয়েশা আক্তার (৫৯ দশমিক ৩০ সেকেন্ড) সোনা জিতেছেন।
ডিসকাস থ্রোয়ে জাফরিন আক্তার (৩৪ দশমিক ৬৫ মিটার), ৩০০০ মিটারে সোহেল রানা (১০ মিনিট ২৯ সেকেন্ড), ট্রিপল জাম্পে এম মনজুরুল মোল্লা (১৪ দশমিক ৮৩ মিটার), ৮০০ মিটারে সুমি আক্তার (২ মিনিট ২৯ দশমিক ৭০ সেকেন্ড), ডিসকাস থ্রোয়ে (পুরুষ) মামুন সিকদার (৪৩ দশমিক ৭০মিটার), হ্যামার থ্রোয়ে লিটন রহমান (৪৬ দশমিক ৮৮ মিটার), ১১০ মিটার হার্ডলসে মির্জা হাসান (১৪ দশমিক ৮০ সেকেন্ড), ৮০০ মিটার দৌড় (পুরুষ) খোন্দকার কিবরিয়া (১ মিনিট ৫৭ দশমিক ৪০ মিনিট) সেরা হয়েছেন।

এদিকে, লং জাম্পে এম আল আমিন (৭ দশমিক ৩৬ মিটার), জ্যাভলিন থ্রোয়ে নাজমুল হাসান (৬২ দশমিক ৫৬ মিটার), ১০ হাজার মিটার দৌড়ে সোহেল রানা (৩৬ মিনিট ৭ দশমিক ১০ সেকেন্ড), ৪০০ মিটার রিলের পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (৩ মিনিট ১৮ দশমিক ৮০ সেকেন্ড) ও মহিলা বিভাগে নৌবাহিনী ৪ মিনিট ০ দশমিক ১০ সেকেন্ড) সেরা হয়।

সিনথিয়ার ডাবল ক্রাউন

স্বাধীনতা দিবস ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় একক ও দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ডাবল ক্রাউন লাভ করে সিনথিয়া ফাহারিয়া।
ধানমন্ডিস্থ সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স চূড়ান্ত খেলায় একক – এ সিনথিয়া ফাহারিয়া ৩০-২৬ পয়েন্টে আদৃতা সাহা শ্রেয়াকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় এবং দ্বৈতে সিনথিয়া ফাহারিয়া ও মরিয়ম আক্তার সুইটি ৩০-২২ পয়েন্টে সানজিদা তামান্না ঐশী ও জাহিন বিনতে রেজাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। ফাইনাল খেলা শেষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আসাদুল ইসলাম বিজয়ী ও বিজিত খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন। এ সময় বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী মাহাবুব আরা বেগম গিনি, সাধারণ সম্পাদিকা হামিদা বেগম, ব্যাডমিন্টন সাব-কমিটির আহবায়ক কামরুন্নেছা আশরাফ দীনা এবং সদস্য সচিব সৈয়দা মরিয়ম তারেক উপস্থিত ছিলেন।

সামার অ্যাথলেটিক্সে ২০০ মিটারে সাইফুলের বাজিমাত

জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্সে ২০০ মিটারে সেরা হয়েছেন সাইফুল ইসলাম ও সোহাগী আক্তার।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার ২১.৬০ সেকেন্ড সময় নিয়ে গতবারের সেরা শরীফুল ইসলামকে পেছনে ফেলেন বাংলাদেশ জেলের সাইফুল। শরীফুল ২১.৮০ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় ও মেজবাহ আহমেদ ২২.০০ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন।
মেয়েদের ২০০ মিটারে দ্বিতীয়বারের মতো সেরা হওয়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সোহাগী ২৫.১০ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করেন। বাংলাদেশ জেলের জাকিয়া সুলতানা (২৫.৬০ সেকেন্ড) দ্বিতীয় ও আয়শা আক্তার (২৫.৯০ সেকেন্ড) তৃতীয় হয়েছেন।
২০১৫ সালে জুনিয়র অ্যাথলেটিক্সে ১০০ মিটার (১০.৫৩ সেকেন্ড) ও ২০০ মিটারে (২১.৬০) রেকর্ড গড়ে সোনা জেতা সাইফুল মনে করেন, শুরুটা ভালো হওয়ায় সেরা হতে পেরেছেন তিনি। শনিবার হতে যাওয়া ১০০ মিটার স্প্রিন্টে গতবারের সেরা মেজবাহকেও হারানোর লক্ষ্য ১৮ বছর বয়সী এই অ্যাথলেটের।

বিশ্ব যুব অ্যাথলেটিক্সের সেমিফাইনালে জহির রায়হান

লক্ষ্যই ছিলো তার বিশ্ব যুব অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনালে উঠার। কথা রাখলেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) -র ছাত্র মোহাম্মদ জহির রায়হান। বুধবার দুপুরে নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত ৪০০ মিটার দৌড়ের হিটে তিনি ৪৮.০০ সেকেন্ড সময় নিয়ে উঠে যান সেমিফাইনালে। অ্যাথলেটিকের যেকোনো পর্যায়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে এটাই বাংলাদেশের কোনো অ্যাথলেটের প্রথম সেমিফাইনালে ওঠা। এবং সেরা সাফল্য। বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকে নতুন ইতিহাস গড়লেন শেরপুরের এ যুবক।
যুব হোক কিংবা সিনিয়র- বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের কোনো অ্যাথলেটের পদকের স্বপ্ন দেখা বাড়াবাড়ি। জহিরও সেটা দেখছেন না। তবে সেমিতে ওঠার লক্ষ্য নিয়েই তিনি নাইরোবি গিয়েছিলেন। গত মে মাসে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এশিয়ান যুব অ্যাথলেটিকের সেমিফাইনালে জহির সময় নিয়েছিলেন ৪৯.১২ সেকেন্ড। নাইরোবিতে তিনি টাইমিং কমিয়েছেন ১.১২ সেকেন্ড।

কিশোরগঞ্জে অটিস্টিক ক্রীড়া সমাপ্ত

আনন্দমুখর একটি দিন কাটালো কিশোরগঞ্জের অটিস্টিক শিশুরা। কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে শেষ হলো অটিস্টিক ক্রীড়া উৎসব। জেলার চারটি বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী স্কুলের ২৫ জন খেলোয়াড় অংশ নেয় এই উৎসবে।
ফুটবল ও ক্রিকেটের পাশাপাশি এই আয়োজনে ছিলো প্রতিবন্ধী বালক এবং বালিকাদের দৌড়। তবে মূল আকর্ষণ ছিলো ঢাকা থেকে আগত স্পেশাল অলিম্পিকস কমিটির প্রতিনিধি দলের ‘ইয়ং অ্যাথলেট প্রোগ্রাম’। অনূর্ধ্ব-৯ বৎসর বয়সী অটিস্টিক খেলোয়াড় এবং তাদের অভিভাবকদের নিয়ে এই প্রোগ্রামের নেতৃত্ব দেন স্পেশাল অলিম্পিকস্ কমিটির জাতীয় পরিচালক ফারুকুল ইসলাম।

বিশেষ এই শিশুদের খেলাধুলার সুযোগ করে দেয়ার আহবান জানান তিনি। স্পেশাল অলিম্পিকে বাংলাদেশের সুনাম আরো ছড়িয়ে দিতে কিশোরগঞ্জের প্রতিভাবান খেলায়োড়দের উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেয়ার ঘোষণাও দেন ফারুকুল ইসলাম।
শেষে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করেন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক আজিমুদ্দিন বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রবিউল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এবং জেলা ক্রীড়া অফিসার আল-আমিন সবুজ।

বাংলাদেশে আসছেন মার্গারিটা মামুন

এ বছরই বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা করেছেন রিও অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী জিমন্যাস্ট বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্গারিটা মামুন। বাবা বাংলাদেশি হওয়ায় পিতৃভূমির টানে এদেশে আসার কথা জানিয়েছেন এ অ্যাথলেট। চলতি বছরের অক্টোবর কিংবা নভেম্বরে বাংলাদেশে আসতে পারেন বলে জানিয়েছেন জিমন্যাস্ট মার্গারিটা মামুন। তার মা রাশিয়ান হলেও বাবা বাংলাদেশী।

বাবা মারা যাওয়ার পর পৈতৃক ভূমি ভ্রমণের কথা জানিয়েছেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশে আসলে বাবার মৃত্যর পর এটাই হবে তার এ দেশ সফর। রিও অলিম্পিক-২০১৬ তে রিদমিক জিমন্যাস্টে সেরাটার জন্য স্বর্ণপদক জেতেন মার্গারিটা মামুন। স্বর্ণ জয়ের পাশাপাশি অলিম্পিকে নতুন রেকর্ড গড়ে তার পারফরম্যান্স। রিও অলিম্পিকে ৭৬.৪৮৩ স্কোর নিয়ে রেকর্ড গড়েন ২১ বছর বয়সি এ অ্যাথলেট।

তার এ এম কৃতির মাত্র ছয় দিন পর মস্কোতে মারা যান বাবা আবদুল্লাহ আল মামুন। পাকস্থলির ক্যান্সারের আক্রান্ত হয়ে ৫২ বছর বয়সে মৃত্যবরণ করেন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আবদুল্লাহ আল মামুন। বাংলাদেশ সফর নিয়ে গালফ নিউজকে মার্গারিটা মামুন বলেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেখানে (বাংলাদেশ) গিয়ে বাবার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। তার মৃত্যর পর সেখানে এটাই আমার প্রথম সফর হতে পারে।

কমনওয়েলথ দাবায় বাংলাদেশ

কমনওয়েলথ দাবায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নতুন নয়। তবে ৩ জুলাই রোববার ভারতের নয়া দিল্লিতে শুরু হতে যাওয়া এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে বড় একটি দল। ২১ সদস্যের দলে আছেন ৪ জন গ্র্যান্ডমাস্টার, ২ জন মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার, ২ জন ফিদেমাস্টার এবং ১ জন মহিলা ফিদেমাস্টার। দাবাড়–রা রোববার ৮টায় দিল্লির উদ্দেশে রওনা হবে।
এর আগে কখনো কমনওয়েলথ দাবায় এত বড় দল পাঠায়নি ফেডারেশন। এমনকি ফেডারেশনের খরচে আগে কখনো কমনওয়েলথ দাবায় দল পাঠানো হয়নি। বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের বর্তমান নির্বাচিত কমিটির এ উদ্যোগকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। তিনিও যাচ্ছেন এ প্রতিযোগিতায়। সঙ্গে জিয়ার পুত্র তাহসিন তাজওয়ার জিয়াও। সে অংশ নেবে অনূর্ধ্ব-১২ বিভাগে।
দেশের চার গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান, মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব ও নিয়াজ মোরশেদ, দুই মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার শামীমা আক্তার লিজা ও রানী হামিদ, ফিদে মাস্টার তৈয়বুর রহমান ও মহিলা ফিদে মাস্টার শারমীন সুলতানা শিরিন ওপেন বিভাগে অংশ নিচ্ছেন।
বয়স ভিত্তিক ক্যাটাগরিতে অনুর্ধ্ব-২০ ওপেন বিভাগে আকিব জাওয়াদ, অনুর্ধ্ব-২০ বালিকা বিভাগে উম্মে তাসলিমা প্রতিভা তালুকদার, অনুর্ধ্ব-১৮ ওপেন বিভাগে অনত চৌধুরী, অনুর্ধ্ব-১৬ ওপেন বিভাগে নাইম হক, অনুর্ধ্ব-১৬ বালিকা বিভাগে কাজী জেরিন তাসনিম, অনুর্ধ্ব-১৪ ওপেন বিভাগে ফিদে মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান, অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা বিভাগে নোশিন আঞ্জুম, অনুর্ধ্ব-১২ ওপেন বিভাগে তাহসিন তাজওয়ার জিয়া, অনুর্ধ্ব-১২ বালিকা বিভাগে জান্নাতুল ফেরদৌস, অনুর্ধ্ব-১০ ওপেন বিভাগে সাজিদুল হক ও সৈয়দ রিদওয়ান, অনুর্ধ্ব-৮ ওপেন বিভাগে মনোন রেজা নীড় এবং সিনিয়র বিভাগে উর্ধ্ব-৬০ এ হানিফ মোল্লা অংশ নিচ্ছেন।
এ উপলক্ষে ১ জুলাই শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য দেন দাবা ফেডারেশন কর্মকতর্দারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহ সভাপতি কে এম শহিদউল্যা, যুগ্ম সম্পাদক মনিরুজ্জামান পলাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য আঞ্জুমান আরা আকসির ও রফিকুল ইসলাম, ন্যাশনাল ইন্সট্রাক্টর মাহমুদা হক চৌধুরী মলি ও আন্তর্জাতিক দাবা বিচারক মো. হারুন অর রশিদ।

আগামীকাল রোববার বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস

আগামীকাল রোববার ২ জুলাই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এই দিবসটি উদযাপিত হবে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থার (এআইপিএস) অনুমোদিত সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি দিবসটি পালন করবে। বিশ্বের দুই শতাধিক দেশে একযোগে উদযাপিত হবে দিবসটি।
১৯২৪ সালের ২ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থার (এআইপিএস) আত্মপ্রকাশ ঘটে। ওইদিনটিকেই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।
বিশেষ এই দিনে, দেশের সব ক্রীড়া সাংবাদিক ও ক্রীড়ালেখকদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি। রোববার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ক্রীড়ালেখক সমিতি কার্যালয়ে রাত আটটায় কেক কেটে ঘরোয়া পরিবেশে দিবসটি উদযাপন করা হবে।
পরর্বতীতে বিএসপিএ নাইট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের কাজের স্বীকৃতি যেমন দেয়া হবে ঠিক তেমনি প্রথা মেনে এআইপিএস ডে সংবর্ধনাও জানানো হবে দেশের প্রবীন ক্রীড়া সাংবাদিক ও লেখকদের।

মেজবাহ যাবেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপে

অ্যাথলেটিক্সের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব মেজবাহ আহমেদ। মস্কো, বেইজিংয়ের পর এবার তিনি অংশ নেবেন আগামী ৪ থেকে ১৩ আগস্ট লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য আইএএএফ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের ১৬তম আসরে।
ট্র্যাকের রাজার আসনে প্রথম বসেছিলেন ২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমসে। সেই থেকে মেজবাহ আহমেদের কাছ থেকে শ্রেষ্ঠত্বের এই মুকুট কেউ কেড়ে নিতে পারেননি। এক এক করে ৫ বার ১০০ মিটারে দেশসেরা হন নৌবাহিনীর এই অ্যাথলেট।
আগামী ২০ জুলাই শুরু হবে সামার অ্যাথলেটিক মিট। সেখানে মেজবাহর লক্ষ্য ডাবল হ্যাটট্রিক। দ্রুততম মানবের খেতাব ধরে রাখতে পারলে অনন্য এক রেকর্ড গড়াও হবে বাগেরহাটের এই তরুণের।

ঘরের ট্র্যাকে রাজত্ব করা মেজবাহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বড় আসর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও করতে যাচ্ছেন। মস্কো, বেইজিংয়ের পর এবার তিনি অংশ নেবেন আগামী ৪ থেকে ১৩ আগস্ট লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য আইএএএফ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের ১৬তম আসরে।
ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের কোনো অ্যাথলেট প্রাথমিক পর্ব অতিক্রমের স্বপ্নই দেখেন না। চোখ থাকে নিজের সেরা টাইমিং করা।
মেজবাহসহ ১৮ অ্যাথলেট এখন ভারতের ভুবনেশ্বর শহরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য। বাংলাদেশ অ্যামেচার অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের উদ্যোগ এবং ইন্ডিয়া অ্যামেচার অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সহযোগিতায় বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা এ সুযোগ পেয়েছেন প্রতিযোগিতার আগে। ৬ থেকে ৯ জুলাই ভুবনেশ্বরেই অনুষ্ঠিত হবে এই চ্যাম্পিয়নশিপ।
মেজবাহ আহমেদ ২০১৩ সালে রাশিয়ার মস্কোয় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে দৌড়েছিলেন ১১.২৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে। ২০১৫ সালে চীনের বেইজিংয়ে সময় নিয়েছিলেন ১১.১৩ সেকেন্ড। সবশেষ রিও অলিম্পিকে মেজবাহ সময় নিয়েছিলেন ১১.৩৪ সেকেন্ড। এসএ গেমসে মেজবাহর সময় ছিল ১০.৭২ সেকেন্ড। দ্রুততম মানবের খেতাব ধরে রাখতে সবশেষ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে মেজবাহর টাইমিং ছিল ১০.৬৩ সেকেন্ড।

মহিলা বেসবলের এন্ট্রি আহ্বান

বাংলাদেশ বেসবল-সফটবল এসোসিয়েশনের উদ্যোগে আগামী ১২-১৪ জুলাই (বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার) আন্ত:কলেজ মহিলা বেসবল চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার ধানমন্ডিস্থ সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিতব্য তিনদিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য কলেজগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আগ্রহী কলেজগুলোকে ১০ জুনের মধ্যে মাওলানা ভাষানী হকি স্টেডিয়ামে বেসবল-সফটবলের অফিস ২৩৯ কক্ষে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে ১৫ জন খেলোয়াড় ও একজন কর্মকর্তার নাম সহ এন্ট্রি পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আন্ত:কলেজ মহিলা বেসবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে প্রশিক্ষণ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে বলে জানায়, বাংলাদেশ বেসবল-সফটবল এসোসিয়েশন।

নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন আনসার

নারী বিভাগে স্যান্ড সাওলো ইভেন্টে ১০টি সোনা, ১টি সিলভার ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৪টি পদক নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার। আর রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তারা ৫টি স্বর্ণ, ৭টি সিলভার ও ৫টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৭টি পদক জয় করে। আর ২টি স্বর্ণ, ২টি সিলভার ও ৫টি ব্রোঞ্জ নিয়ে তৃতীয় হয়েছে যশোর জেলা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে বিজয়ী দল ও খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ উশু এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। এ সময় যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় উপস্থিত ছিলেন। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ উশু এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন। এবারের চ্যাম্পিয়নশীপে ৮টি সার্ভিসেস টিম ও ২৮টি জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ ৩৫টি উশু দলের প্রায় ৩৫০ জন প্রতিযোগি অংশ নেয়।

কারাতে প্রশিণ কর্মশালা

মান উন্নয়ন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভাল ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার (২৫মে) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জিমন্যাশিয়ামে দিনব্যাপী কারাতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ হয়। দুপুরে এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব ও ফেডারেশনের সভাপতি ড. মো: মোজাম্মেল হক খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শেখ আলী আহসান বাদলসহ অন্যান্যরা। প্রশিক্ষণ কর্মশালাতে ফেডারেশনের অন্তভুক্ত প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষনার্থী (ছেলে ও মেয়ে) প্রায় ২৫০জন অংশ গ্রহন করে। প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন মজিবর রহমান খান, হুমায়ুন কবির ব্ল্যাক বেল্ট ৬ষ্ঠ ডান ওয়ার্ল্ড কারাতে ফেডারেশন, ব্ল্যাক বেল্ট ৫ম ডান মোজাম্মেল হক মিলন ও শেখ ইছানুর রহমান এহসান।

তাউলু ইভেন্টে সেরা যশোর

শেখ রাসেল জাতীয় উশুর তাউলু ইভেন্টে সেরা হয়েছে যশোর। বুধবার শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনে তাউলু ইভেন্টে যশোর দু’টি স্বর্ণ ও একটি রুপা, বিজেএমসি একটি করে সোনা ও রুপা এবং বিকেএসপি একটি স্বর্ণপদক জয় করেছে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি। উশু অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. আবদুস সোবহান গোলাপের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় এমপি, চায়না বাংলা সিরাক্সি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ও উশু এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো: আলমগীর শাহ ভূইয়া । এবারের চ্যাম্পিয়নশীপে ৩৫টি উশু দলের প্রায় সাড়ে তিনশ’ প্রতিযোগি অংশ নিচ্ছেন।

ওয়ালটন মহিলা দল চ্যাম্পিয়ন

ওয়ালটন ১২তম ঢাকা আই.টি.এফ তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতায় মহিলা সিনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ওয়ালটন তায়কোয়নদো দল। আর পুরুষ সিনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়নদো দল।
মহিলা সিনিয়র বিভাগে ওয়ালটন তায়কোয়নদো দল ৪টি স্বর্ণ ও ১টি রৌপ্য জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। আর সেন্ট্রাল তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন ১টি স্বর্ণ ও ৩টি রৌপ্য জিতে রানার্স-আপ হয়। এদিকে পুরুষ সিনিয়র বিভাগে বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়নদো দল ৪টি স্বর্ণ ও ৬টি রৌপ্য জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। আর সেন্ট্রাল তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন ১টি স্বর্ণ জিতে রানার্স-আপ হয়।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করে ওয়ালটন গ্রুপের অপারেটিভ ডিরেক্টর ইকবাল বিন আনোয়ার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর নিয়ামুল হক ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সোলায়মান সিকদার।

শেখ রাসেল ১২তম জাতীয় উশু শুরু

৩৫টি দল নিয়ে শুরু হয়েছে শেখ রাসেল ১২তম জাতীয় উশু চ্যাম্পিয়নশীপ। মঙ্গলবার সকালে শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে তিনদিনের এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, বাংলাদেশ উশু এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠান চায়না বাংলা সিরামিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। এবারের চ্যাম্পিয়নশীপে ৮টি সার্ভিসেস টিম ও ২৮টি জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ ৩৫টি উশু দলের প্রায় ৩৫০ জন প্রতিযোগি অংশ নিচ্ছেন।

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান রোববার

রোববার প্রদান করা হবে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। ক্রীড়ােেত্র অনন্য অবদানের জন্য ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন ৩২ জন কৃতি খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠক। সকাল ১০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. জাহিদ আহসান রাসেল।
২০১০ সালের জন্য পুরষ্কার পাচ্ছেন হারুন-অর-রশিদ (সাঁতার), আতিকুর রহমান (শুটিং), মাহমুদা বেগম (অ্যাথলেটিকস), দেওয়ান নজরুল হোসেন (জিমন্যাস্টিকস), মিজানুর রহমান মানু (সংগঠক), এ এস এম আলী কবীর (সংগঠক), মরহুম তকবির হোসেন (সাঁতার), ফরিদ খান চৌধুরী (অ্যাথলেটিকস), নেলী জেসমিন (অ্যাথলেটিকস), নিপা বোস (অ্যাথলেটিকস, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী)।
২০১১ সালের জন্য পুরষ্কার পাচ্ছেন, রওশন আরা ছবি (জিমন্যাস্টিকস), কাঞ্চন আলী (বক্সিং), আশরাফ আলী (কুস্তি), হেলেনা খান ইভা (ভলিবল), খালেদ মাসুদ পাইলট (ক্রিকেট), রবিউল ইসলাম (ফটিক দত্ত) (শরীর গঠন), জুম্মন লুসাই (মরণোত্তর) (হকি), কুতুবউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (আকসির) (সংগঠক), আশিকুর রহমান মিকু (সংগঠক), শহীদ শেখ কামাল (মরণোত্তর) (ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক)।
এ ছাড়া ২০১২ সালের জন্য পুরষ্কার পাচ্ছেন, সাকিব আল হাসান (ক্রিকেট), মোহাম্মদ মহসীন, খুরশিদ আলম বাবুল, আবদুল গাফ্ফার, আশীষ ভদ্র, সত্যজিৎ দাশ রুপু (ফুটবল), ফিরোজা খাতুন (অ্যাথলেটিকস), নাজিয়া আক্তার যুথী (ব্যাডমিন্টন), রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল (সংগঠক), মামুন উর রশিদ (হকি), নুরুল আলম চৌধুরী (সংগঠক)।

ক্রীড়াখাতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন গুরুত্ব পেয়েছে

২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে ক্রীড়াখাতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন গুরুত্ব পেয়েছে। বেশ কয়েকটি স্টেডিয়াম উন্নয়ন, নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ ও সুইমিং পুল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বরাদ্দ কমানো হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ব্যয় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ছিল ১১৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এবারে তা কমে নেমে এসেছে ৮১ কোটি ৮২ লাখ টাকায়।

তবে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপির জন্য বরাদ্দ বেড়েছে। উন্নয়ন খাতে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বিকেএসপির জন্য বরাদ্দ ছিল ৪১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, সেটি বেড়ে এবার ৭২ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় দাাঁড়িয়েছে।

উন্নয়ন খাতে গত অর্থবছরে বাজেট ছিল ১৫৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। সেটি এবার বেড়ে ১৫৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকায় পৌঁছেছে।

যেসব নতুন প্রকল্প নতুন অর্থ বছরের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সেগুলো হলো:

১. নীলফামারি, নেত্রকোনা জেলা স্টেডিয়াম উন্নয়ন ও রংপুরে মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ (২১ কোটি ও ৪৫ কোটি টাকার প্রকল্প)।

২. কিশোরগঞ্জ জেলায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্টেডিয়াম উন্নয়ন (১৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার প্রকল্প)।

৩. ভৈরবে আইভি রহমান স্টেডিয়াম নির্মাণ (৯ কোটি ১৮ লাখ টাকার প্রকল্প)।

৪. নাটোর ও গাইবান্ধায় ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ (৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার প্রকল্প)।

৫. কুমিল্লা ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম উন্নয়ন ও সুইমিং পুল নির্মাণ (১৬ কোটি টাকার প্রকল্প)।

৬. চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর সুইমিং পুল নির্মাণ (১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার প্রকল্প)।

৭. সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ (১৬ কোটি ২২ লাখ টাকার প্রকল্প)।

৮. দেশের বিদ্যমান জেলা স্টেডিয়ামগুলো সংস্কার ও উন্নয়ন (৪৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার প্রকল্প)।

জেলা পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে বিকেএসপি

তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে জেলা পর্যায়ে বাছাই কার্যক্রম আগামীকাল (১৮ মে) থেকে শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। এ জন্য দেশের ৬৪টি জেলাকে চারটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। মোট ১৭টি ডিসিপ্লিনে খেলোয়াড় বাছাই করা হবে।

প্রথম দিনে পঞ্চগড়, ভোলা, মানিকগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জেলা ক্রীড়া অফিসার ও জেলার সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষকদের সহযোগিতায় ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের বাছাই সম্পন্ন হবে। এটি চলবে ৪ জুন পর্যন্ত।

শুধুমাত্র ঢাকা জেলার বাছাই পরীক্ষা সাভার বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত হবে। অনূর্ধ্ব-১২ থেকে ১৪ বছর বয়সের ছেলে-মেয়েরা ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, আরচ্যারি, অ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, জুডো, শুটিং, টেবিল টেনিস, কারাতে, তায়কোয়ানদো, উশু ও ভলিবল এবং অনুর্ধ্ব-৮ থেকে ১২ বছর বয়সের ছেলে-মেয়েরা বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অংশ নিতে পারবে।

বাছাইকৃতদের প্রথমে এক মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে ৪ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে আগামী ৩ বছরে সর্বমোট ৩৬০০ খেলোয়াড়দেরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে বিজয়ীদের ৪ মাস ৬ থেকে ৮ বছর মেয়াদী প্রশিক্ষনের জন্য বিকেএসপিতে ভর্তিতে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

কবে কোন জেলায় বাছাই:

১৮ মে: পঞ্চগড়, ভোলা, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী
১৯ মে: ঢাকুরগাঁও, বরিশাল, রাজবাড়ী, সুনামগঞ্জ।
২০ মে: দিনাজপুর, ঝালকাঠি, ফরিদপুর, সিলেট।
২১ মে: নীলফামারি, পটুয়াখালি, গোপালগঞ্জ, মৌলভিবাজার।
২২ মে: রংপুর, বরগুনা, মাদারীপুর, মন্সিগঞ্জ।
২৪ মে: লালমনিরহাট, পিরোজপুর, শরিয়তপুর, হবিগঞ্জ।
২৫ মে: কুড়িগ্রাম, বাগেরহাট, নারায়নগঞ্জ, ব্রাক্ষনবাড়িয়া।
২৬ মে: গাইবান্ধা, খুলনা, নারায়নগঞ্জ, চাদপুর।
২৮ মে: বগুড়া, সাতক্ষীরা, ঢাকা, লক্ষীপুর।
২৯ মে: জয়পুরহাট, যশোর, গাজীপুর, নোয়াখালী।
৩০ মে: নওগাঁ, নড়াইল, টাঙ্গাইল, ফেনী।
৩১ মে: চাপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, জামালপুর, খাগড়াছড়ি
০১ জুন: রাজশাহী, ঝিনাইদাহ, শেরপুর, রাঙ্গামাটি।
০২ জুন: নাটোর, চুয়াডাঙ্গা, ময়মংসিংহ, চট্টগ্রাম।
০৩ জুন: পাবনা, মেহেরপুর, কিশোরগঞ্জ, বান্দরবান।
০৪ জুন: সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, নেত্রকোনা, কক্সবাজার।

মাহফুজার দ্বিতীয় স্বর্ণ, বাংলাদেশের তৃতীয়

আগের দিন ১০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন মাহফুজা খাতুন শিলা। সাঁতারের দীর্ঘ ১০ বছর পর দেশকে স্বর্ণজয়ের আনন্দে ভাসিয়েছেন তিনি। এবার দেশের হয়ে তৃতীয় এবং ব্যক্তিগত দ্বিতীয় স্বর্ণপদক জিতলেন এই সাঁতারু।
সোমবার ভারতের গুয়াহাটির ডক্টর জাকির হোসেন অ্যাকুয়াটিক কমপ্লেক্সে ৫০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে নতুন রেকর্ড গড়ে স্বর্ণপদক জিতেছেন মাহফুজা। এই পদক জিততে তিনি সময় নিয়েছেন ৩৪ দশমিক ৮৮ সেকেন্ড।
Mahfuja-33মাহফুজা ২০০৬ সালে কলম্বো এসএ গেমসে শ্রীলঙ্কার রাহিম মাইয়ুমির রেকর্ড ভেঙেছেন। ওই লঙ্কান সাঁতারু সেবার ৩৪ দশমিক ৯৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণপদক জিতেছেলেন।
এর আগে ভারোত্তোলনে মাবিয়া আক্তারের হাত ধরে বাংলাদেশ প্রথম স্বর্ণপদক জিতেছিল। নারীদের ৬৩ কেজি ওজনশ্রেণিতে সোনালি সাফল্যের আনন্দে দেশকে ভাসিয়েছেন এবং নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
এরপর সাঁতার থেকে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্বর্ণ উপহার দিয়েছেন মাহফুজা। নারীদের ১০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে সবাইকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন মাহফুজা। দীর্ঘ ১০ বছর পর এসএ গেমসের সাঁতার থেকে স্বর্ণ জিতেছে বাংলাদেশ।
গত রোববার ব্যক্তিগত প্রথম স্বর্ণ জিততে মাহফুজার সময় লাগে এক মিনিট ১৭ দশমিক ৮৬ সেকেন্ড। এই ইভেন্টে দ্বিতীয় হওয়া পাকিস্তানের লিয়ানা ক্যাথরিন সোয়ানের টাইমিং ছিল এক মিনিট ১৮ দশমিক ৫৮ সেকেন্ড। এক মিনিট ১৮ দশমিক ৭৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জপদক পান ভারতের চাহাত অরোরা।