বিকাল ৪:১৮, রবিবার, ২৮শে মে, ২০১৭ ইং

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় গতকাল সোমবার থেকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জিমনেসিয়ামে শুরু হয় ‘ওয়ালটন ১২তম ঢাকা আই.টি.এফ তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতা-২০১৭’।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতা আজ মঙ্গলবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। ঢাকা আইটিএফ তায়কোয়নদোর সিনিয়র মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ওয়ালটন তায়কোয়নদো দল। আর পুরুষ সিনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়নদো দল।

মহিলা সিনিয়র বিভাগে ওয়ালটন তায়কোয়নদো দল ৪টি স্বর্ণ ও ১টি রৌপ্য জিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। আর সেন্ট্রাল তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন ১টি স্বর্ণ ও ৩টি রৌপ্য জিতে রানার্স-আপ হয়। এদিকে পুরুষ সিনিয়র বিভাগে বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়নদো দল ৪টি স্বর্ণ ও ৬টি রৌপ্য জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। আর সেন্ট্রাল তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন ১টি স্বর্ণ জিতে রানার্স-আপ হয়।

পদকজয়ীদের ওয়ালটন গ্রুপের পক্ষ থেকে হোম অ্যাপ্লায়েন্স দিয়ে উৎসাহিত করা হয়।

সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন ওয়ালটন গ্রুপের অপারেটিভ ডিরেক্টর (হেড অব স্পোর্টস এন্ড ওয়েলফেয়ার) এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন)। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ( হেড অব সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) মো. নিয়ামুল হক। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সোলায়মান সিকদারসহ অন্যান্যরা।

ওয়ালটন ১২তম ঢাকা আই.টি.এফ তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতায় চারটি ক্যাটাগোরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সেগুলো হল- শিশু বিভাগ ছেলে (৫-১৬ বছর), শিশু বিভাগ মেয়ে (৫-১৬), পুরুষ সিনিয়র বিভাগ (১৮+) ও মহিলা সিনিয়র বিভাগ (১৮+)। সিনিয়র পুরুষদের ৭টি ওজন শ্রেণি, সিনিয়র মহিলাদের ৫টি ওজন শ্রেণি, শিশু ছেলেদের ১১টি ও মেয়েদের ৪টি ওজন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

সিনিয়র পুরুষদের ওজন শ্রেণিগুলো ছিল- অনূর্ধ্ব-৫০, অনূর্ধ্ব-৫৪, অনূর্ধ্ব-৬৭, অনূর্ধ্ব-৭১, অনূর্ধ্ব-৭৮, অনূর্ধ্ব-৮৫ ও ৮৫+ কেজি। সিনিয়র মহিলাদের ওজন শ্রেণিগুলো ছিল : অনূর্ধ্ব-৪৫, অনূর্ধ্ব-৫১, অনূর্ধ্ব-৫৭, অনূর্ধ্ব-৬৩, অনূর্ধ্ব-৬৯ কেজি। শিশু ছেলেদের ওজন শ্রেনিগুলো ছিল : অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-২০, অনূর্ধ্ব-৩০, অনূর্ধ্ব-৩৫, অনূর্ধ্ব-৪০, অনূর্ধ্ব- অনূর্ধ্ব-৪০ ‘এ’, অনূর্ধ্ব-৪০ ‘বি’, অনূর্ধ্ব-৪৫, অনূর্ধ্ব-৪৫ ‘এ’ ও ৮০ কেজি।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া থানা, সংস্থা এবং দলগুলো হল- লালবাগ, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর, চকবাজার, কেরাণীগঞ্জ, ধানমন্ডি, মিরপুর, সাভার, সেন্ট্রাল তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন, যাত্রাবাড়ি তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন, ওয়ালটন গ্রুপ তায়কোয়নদো দল ও বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়নদো দল।

এই প্রতিযোগিতার সহযোগিতায় ছিল ওয়ালটন গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল। আর অনলাইন পার্টনার হিসেবে ছিল দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপোর্টাল রাইজিংবিডি ডটকম।

 

ওয়ালটন মহিলা দল চ্যাম্পিয়ন

ওয়ালটন ১২তম ঢাকা আই.টি.এফ তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতায় মহিলা সিনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ওয়ালটন তায়কোয়নদো দল। আর পুরুষ সিনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়নদো দল।
মহিলা সিনিয়র বিভাগে ওয়ালটন তায়কোয়নদো দল ৪টি স্বর্ণ ও ১টি রৌপ্য জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। আর সেন্ট্রাল তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন ১টি স্বর্ণ ও ৩টি রৌপ্য জিতে রানার্স-আপ হয়। এদিকে পুরুষ সিনিয়র বিভাগে বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়নদো দল ৪টি স্বর্ণ ও ৬টি রৌপ্য জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। আর সেন্ট্রাল তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন ১টি স্বর্ণ জিতে রানার্স-আপ হয়।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করে ওয়ালটন গ্রুপের অপারেটিভ ডিরেক্টর ইকবাল বিন আনোয়ার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর নিয়ামুল হক ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সোলায়মান সিকদার।

ওয়ালটন তায়কোয়নদো সোমবার শুরু

আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ওয়ালটন ১২তম ঢাকা আই.টি.এফ তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জিমনেসিয়ামে দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা চলবে ২৩ মে পর্যন্ত। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য তায়কোয়নদো বিশ্বকাপের জন্য খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।
এ বিষয়ে জানানোর জন্য রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের অপারেটিভ ডিরেক্টর ইকবাল বিন আনোয়ার ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সোলায়মান সিকদার।
সোলায়মান সিকদার বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে কোরিয়ার অনুষ্ঠিতব্য তায়কোয়নদো বিশ্বকাপের জন্য খেলোয়াড় বাছাই করা হবে। পাঁচজনের একটি দল পাঠানোর চেষ্টা করব।’
এবারের ঢাকা আই.টি.এফ তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতায় চারটি ক্যাটাগোরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

নেপালে তায়কোয়ানদোতে বাংলাদেশের ৪টি স্বর্ণ

নেপালে অনুষ্ঠিত প্রথম কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানদো চ্যাম্পিয়নশিপে ৪টি স্বর্ণসহ ১০টি পদক পেয়ে রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ। নেপাল তায়কোয়ানদো অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনা ও ইউনাইটেড তায়কোয়ানদো ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ চ্যাম্পিয়নশিপ।

৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ চ্যাম্পিয়নশিপে স্বাগতিক নেপালসহ ৯টি দেশের প্রায় ১২০০ তায়কোয়ানদো খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মো. মাসুম খান -৮০ কেজি ফাইটে, পুমসে বিভাগে দিপু চাকমা, নুরুদ্দিন হুসাইন ও সামির খান স্বর্ণ পদক জিতেছেন।

রৌপ্য পদক পেয়েছেন-৬৩ কেজি ফাইটে নুরল আমিন, -৬৪ কেজি ফাইটে কাজী মে. এনায়েতুল্লাহ, -৮৭ কেজি ফাইটে শেখ হুমায়ুন কবির। ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন -৪৬ কেজি ফাইটে লাবিবা ফাইরাজ হাসান, -৫২ কেজি ফাইটে ফ্রিয়ানা কুরাইশি ও -৪২ কেজি ফাইটে রাদিয়াহ রিয়ানা মুশফিক।

বাংলাদেশ দলের কোচ ছিলেন পলাশ মিয়া ও মাসুদ খান। দলনেতা  ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা। তায়কোয়ানদো দল সোমবার দেশে ফিরেছে।

সেলফি তুলতে গিয়ে মৃত্যু অ্যাথলেটের

সেলফি তুলতে গিয়ে এবার মৃত্যু হলো এক ভারতীয় অ্যাথলেটের। ভারতের জাতীয় স্তরের স্টেপলচেজার ছিলেন ওই অ্যাথলেট। ঘটনাটি ঘটেছে ভূপালের সাই সেন্টারে।

ভূপালের স্পোর্টস ডিরেক্টর মিনা ভোরা জানান, গত শনিবার সন্ধ্যায় অনুশীলন শেষে তিন নারী অ্যাথলেট মিলে গল্প করতে করতে সাইয়ের সেন্টার লাগোয়া পুকুরের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। পুকুরে মাছ ভাসতে দেখে তাদের পেছনে রেখে সেলফি তুলতে গিয়েছিলেন সেই তিন অ্যাথলেট। তাতেই ঘটলো যতো বিপত্তি।

অ্যাথলিট পূজা কুমারীর হাতে ছিল মোবাইল। তিন বন্ধুকে ক্যামেরার ফ্রেমে আনতে গিয়ে খেয়াল করেননি পুকুরের পাড় টপকে চলে এসেছেন তিনি। এরপরই হুড়মুড়িয়ে পড়ে যান পুকুরে। সাঁতার জানতেন না পূজা। বাকি দুই বন্ধুর একই অবস্থা। তারাও সাঁতার জানতেন না।

বাধ্য হয়ে পূজাকে উদ্ধার করার জন্য তারা দৌড়ে যান হোস্টেলে অন্য বন্ধুদের ডাকার জন্য। ততক্ষণে পূজা পুকুরের পানিতে ডুবে গেলেন। উদ্ধারে বিলম্ব হওয়ার কারণে সলিল সমাধি ঘটে পূজার।

এ ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা ভুপালের ক্রীড়াঙ্গন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। রোববার বিকেলে মৃত পূজাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর পাঠানো হয় ময়নাতদন্তে।

২৯ মে শুরু হচ্ছে জাতীয় তায়কোয়ন্দো

মোট ১৬০ জন তায়কোয়ন্দো খেলোয়াড়কে নিয়ে আগামী ২৯ মে থেকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ জিমনেসিয়ামে শুরু হচ্ছ তিন দিন ব্যাপী ওয়ালটন অষ্টম জাতীয় তায়কোয়ন্দো।
কিডস (বালক-বালিকা), জুনিয়র (বালক-বালিকা) ও সিনিয়র (নারী-পুরুষ) ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন জেলা, জেলা সংস্থা ও দলের মধ্যে রয়েছে- ঢাকা জেলা, মুন্সিগঞ্জ জেলা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, শরিয়তপুর জেলা, মাদারীপুর জেলা, ফরিদপুর জেলা, লক্ষ্মীপুর জেলা, রংপুর জেলা, চট্টগ্রাম জেলা, কক্সবাজার জেলা, রাজশাহী জেলা, বাংলাদেশ আনসার ও বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়ন্দো দল।
আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সভাকক্ষে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর (মার্কেটিং) কামাল হোসেন, এজিএম মেহরাব হোসেন আসিফ ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়ন্দো অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সোলায়মান সিকদার।

নেপালে তায়কোয়েন্দোতে বাংলাদেশের তিন স্বর্ণ জয়

নেপালের পোখারায় অনুষ্ঠিত দ্য ওয়ার্ল্ড তায়কোয়েন্দো হানমাডাং প্রতিযোগিতায় গতকাল রবিবার তিনটি স্বর্ণ ও দু’টি ব্রোঞ্জপদক জিতেছে বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার পুমসে সিনিয়র-১ ইভেন্টে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর দিপু চাকমা, পুমসে জুনিয়র-১ ইভেন্টে সামির খান এবং জুনিয়র-২ ইভেন্টে বিজেএমসির নুরুদ্দিন হুসাইন স্বর্ণপদক তিনটি জেতেন। এছাড়া পুমসে জুনিয়র-২ ইভেন্টে উসমা রিয়াজ রামিসা এবং পাওয়ার ব্রেকিং ইভেন্টে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মোসলেম মিয়া ব্রোঞ্জ জেতেন। তিনদিন ব্যাপী দ্য ওয়ার্ল্ড তায়কোয়েন্দো হানমাডাং টুর্নামেন্টে আট দেশের প্রায় সাতশ প্রতিযোগী অংশ নেন।

ওয়ালটন ৭ম জাতীয় তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতা সমাপ্ত

দেশের স্বনামধন্য ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস, অটোমোবাইস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রস্তুকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় মঙ্গলবার শুরু হয় ‘ওয়ালটন ৭ম জাতীয় তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতা-২০১৫’। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা বুধবার পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত উত্তর কোরিয়া দূতাবাসের চিফ অব মিশন হান সন আইকে। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের ফার্স্ট সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইন্সপেক্টর জেনারেল (অ্যাডমিন) রকফার সুলতানা খান (পিপিএম, বিপিএম)। উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র এজিএম মেহরাব হোসেন আসিফ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো ফেডারেশনের মহাসচিব মো. সোয়ালমান শিকদার।
এক বক্তব্যে এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, ‘আমরা ওয়ালটন গ্রুপ তায়কোয়নদোতে পৃষ্ঠপোষকতার ধরাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করব। আমরা বিশ্বাস করি সুস্থ্য দেহে সুস্থ্য মন বিরাজ করে। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম মাদকের ছোবল থেকে দূর থাকতে পারে। ওয়ালটন গ্রুপ খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতা করার মাধ্যমে সুস্থ্য জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে সর্বদা সচেষ্ট।’
শিশু বিভাগে অনূর্ধ্ব ৩০ কোজি ওজন শ্রেণিতে প্রথম হয় রুদ্র, দ্বিতীয় হয় সীমান্ত আর তৃতীয় জীসান। অনূর্ধ্ব-৪০ কেজিতে প্রথম হয় দ্রুত ও দ্বিতীয় হয় তূর্য। অনূর্ধ্ব-৪৫ কেজিতে প্রথম হয় আদম মো. ঈসা, দ্বিতীয় আশরাফুল আর তৃতীয় মাজেদ।
মহিলা জুনিয়র বিভাগে অনূর্ধ্ব ৪৫ কোজিতে প্রথম হয় সায়মা আক্তর অর্পা, দ্বিতীয় অদিতি সাহা আর তৃতীয় ইতি আক্তার অজুফা। অনূর্ধ্ব ৫০ কেজিতে প্রথম হয় লামিয়া আলমগীর ও দ্বিতীয় হয় সুমি। অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজিতে প্রথম হন নাইন, দ্বিতীয় সাজিয়া ও তৃতীয় নোভা।
মহিলা সিনিয়র বিভাগে অনূর্ধ্ব ৫০ কেজি ওজন শ্রেণিতে প্রথম হন হিরামনি, দ্বিতীয় হন নাফিসা আর তৃতীয় হন লাকি। অনূর্ধ্ব ৬০ কেজি ওজন শ্রেণিতে প্রথম হন শুভ্র, দ্বিতীয় মারিয়া। অনূর্ধ্ব ৭৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে প্রথম হন সান্ত¦না রাণী রায়, দ্বিতীয় নমিতা কর্মকার ও তৃতীয় দেবশ্রী সাহা।
পুরুষ জুনিয়র বিভাগে অনূর্ধ্ব ৪৫ কোজি ওজন শ্রেণিতে প্রথম হয় বিল্লাল, দ্বিতীয় রিফাত আর তৃতীয় আরাফাত। অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজিতে প্রথম হয় বাবুল, দ্বিতীয় মুসা ও তৃতীয় ইব্রাহিম। অনূর্ধ্ব-৭৫ কেজিতে প্রথম হন রাকিব উদ্দিন, দ্বিতীয় রুবায়েত।
সিনিয়র পুরুষ বিভাগে অনূর্ধ্ব-৫০ কোজিতে প্রথম হন জাহিদুল ইসলাম, দ্বিতীয় জাকির আর তৃতীয় আশিক। অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে প্রথম আল-আমিন শিকদার, দ্বিতীয় তৌহিদুল আলম রাকিব ও তৃতীয় রুবেল। অনূর্ধ্ব-৬০ কেজিতে প্রথম বাবুল, দ্বিতীয় জাহিদ আর তৃতীয় ইমরান। ৭০ কেজিতে প্রথম হন কবির উদ্দিন, দ্বিতীয় রুবেল হাজং এবং তৃতীয় বরিন ও নিশার। ৮০ কেজিতে প্রথম হন রেমো, দ্বিতীয় হিমেল ও তৃতীয় হাসনাত জামান। ৯৫ কেজিতে প্রথম হন আবু সুফিয়ান রাশেদ, দ্বিতীয় জুনায়েদ ও তৃতীয় তানজিল।
দলগত ইভেন্টে পুরুষ সিনিয়রে চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা। রানার আপ হয় বসুন্ধরা গ্রুপ তায়কোয়ানদো আর তৃতীয় হয় নারায়ণগঞ্জ।
এবারের এই প্রতিযোগিতায় ৮টি জেলার মোট ১৫০ জন খেলোয়াড় ১৮টি ওজন শ্রেণিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মোট ৫টি বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগগুলো হল- শিশু বিভাগ, মহিলা বিভাগ জুনিয়র, মহিলা বিভাগ সিনিয়র, পুরুষ বিভাগ জুনিয়র ও পুরুষ বিভাগ সিনিয়র।
এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগে পাঁচজন শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচন করা হয়। তারা হলেন সায়মা আক্তার অর্পা (জুনিয়র মহিলা), সান্ত¦না রানী রায় (সিনিয়র মহিলা), আল-আমিন শিকদার (সিনিয়র পুরুষ), জাহিদুল ইসলাম (সিনিয়র পুরুষ) ও তৌহিদুল ইসলাম রাকীব (সিনিয়র পুরুষ)। তাদের প্রত্যেককে অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়।

ওয়ালটন ৭ম জাতীয় তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতা শুরু

মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে ওয়ালটন ৭ম জাতীয় তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতা-২০১৫। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিযোগিতা চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
সকাল ১১টায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরাতন ভবনের সভাকক্ষে (নিচ তলা) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের ফার্স্ট সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র এজিএম মেহরাব হোসেন আসিফ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো ফেডারেশনের মহাসচিব মো. সোয়ালমান শিকদার।
এবারের এই প্রতিযোগিতায় ৮টি জেলার মোট ১৫০ জন খেলোয়াড় ১৮টি ওজন শ্রেণিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোট ৫টি বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগগুলো হল- শিশু বিভাগ, মহিলা বিভাগ জুনিয়র, মহিলা বিভাগ সিনিয়র, পুরুষ বিভাগ জুনিয়র ও পুরুষ বিভাগ সিনিয়র।
শিশু বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো হল- অনূর্ধ্ব ৩০ কোজি, অনূর্ধ্ব-৪০ কেজি ও অনূর্ধ্ব-৪৫ কেজি। মহিলা জুনিয়র বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো হল- অনূর্ধ্ব ৪৫ কোজি, ৫০-৬০ কেজি ও ৭০-৭৫ কেজি। পুরুষ জুনিয়র বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো হল- অনূর্ধ্ব ৪৫ কোজি, অনূর্ধ্ব-৫০ কেজি ও অনূর্ধ্ব-৭৫ কেজি। সিনিয়র পুরুষ বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো হল- অনূর্ধ্ব-৫০ কোজি, অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজি, অনূর্ধ্ব-৬০ কেজি, ৬১-৭০ কেজি, ৭১-৮০ কেজি ও ৯০-৯৫ কেজি।

আট জেলার খেলোয়াড় নিয়ে জাতীয় তায়কোয়নদো

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো ফেডারেশনের আয়োজনে ও দেশের স্বনামধন্য ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস, অটোমোবাইস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রস্তুকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ওয়ালটন সপ্তম জাতীয় তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতা-২০১৫’। যা চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এ বিষয়ে সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের ফার্স্ট সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো ফেডারেশনের মহাসচিব মো. সোয়ালমান শিকদার, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য চঞ্চল মাহমুদ ও বিচারক কমিটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আনুসহ অন্যান্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের প্রতিযোগিতায় ৮টি জেলার মোট ১৫০ জন খেলোয়াড় ১৮টি ওজন শ্রেণিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। মোট ৫টি বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগগুলো হল- শিশু বিভাগ, মহিলা বিভাগ জুনিয়র, মহিলা বিভাগ সিনিয়র, পুরুষ বিভাগ জুনিয়র ও পুরুষ বিভাগ সিনিয়র।
সংবাদ সম্মেলনে এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, ‘ওয়ালটন গ্রুপ সব ধরনের খেলাধুলার সঙ্গেই সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করে। এর আগেও আমরা তায়কোয়নদো ফেডারেশনের সঙ্গে কাজ করেছি। কাজ করেছি জুডো, কারাতের সঙ্গেও। আশা করছি ক্রিকেট ফুটবলের মতো এই ছোট ছোট ফেডারশনগুলোও এগিয়ে যাবে। এই ধরনের খেলাধুলার মাধ্যমেও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। তারা দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবে। আমি ওয়ালটন সপ্তম জাতীয় তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতার সাফল্য কামনা করছি।’
শিশু বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো হলো- অনূর্ধ্ব ৩০ কোজি, অনূর্ধ্ব-৪০ কেজি ও অনূর্ধ্ব-৪৫ কেজি। মহিলা জুনিয়র বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো হলো- অনূর্ধ্ব ৪৫ কোজি, ৫০-৬০ কেজি ও ৭০-৭৫ কেজি। পুরুষ জুনিয়র বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো হলো- অনূর্ধ্ব ৪৫ কোজি, অনূর্ধ্ব-৫০ কেজি ও অনূর্ধ্ব-৭৫ কেজি। সিনিয়র পুরুষ বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো হলো- অনূর্ধ্ব-৫০ কোজি, অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজি, অনূর্ধ্ব-৬০ কেজি, ৬১-৭০ কেজি, ৭১-৮০ কেজি ও ৯০-৯৫ কেজি।

বিজয় দিবসে তায়কোয়ান্ডো অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিযোগিতা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে তায়কোয়ান্ডো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে ফৌজদারহাট তায়কোয়ান্ডো দো অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে প্রশিক্ষক মো. আলী আকবরের সভাপতিত্বে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজী ক্যাম্প সোতোকান কারাতে স্কুলের প্রশিক্ষক এম এ হান্নান কাজল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। ‌এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজসেবক মো. আইয়ুব আলী, ডা. আব্দুর রহিম, সমাজসেবক মুক্তা আক্তার।
প্রতিযোগিতায় মামুন, মনির, আলী আব্বাস, শারমিন, ঈশিতা, আসিফ, শাহাদাত, সাজ্জাদ, মিন্টু, টিপু, সাকিব, সোহাগ, রহিম, ফাহিম প্রমুখ উত্তীর্ণ হন। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।