ভোর ৫:৪৭, সোমবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং

ওয়ালটন জাতীয় কুস্তি প্রতিযোগিতায় পুরুষ ও মেয়েদের উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার। পুরষ বিভাগে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আর নারী বিভাগে রানার্সআপ পয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য জাতীয় দল গঠণের লক্ষ্যেই এবারের জাতীয় কুস্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে দুই দিনের এই প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করেন স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর ইকবাল বিন আনোয়ার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলার উপদেষ্টা প্রশাসন মীর মোতাহার হাসান ও ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান।

প্রথম দিনে লাকী ও শ্রাবণীর স্বর্ণ জয়

দুই দিনের ‘৭ম সার্ভিসেস কুস্তি প্রতিযোগিতার’ উদ্বোধনী দিনে মেয়েদের ৬৫ কেজি ওজন শ্রেণীতে স্বর্ণ জিতেছেন আনসারের লাকী, ৫৯ কেজিতে স্বর্ণ পান সেনাবাহিনীর শারমিন, ৫০ কেজিতে স্বর্ণ পেয়েছেন সেনাবাহিনীর ফরিদা পারভীন এবং ৭৬ কেজিতে স্বর্ণ জিতে নেন আনসারের শ্রাবণী।

শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এবারের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ক্রীড়া সংগঠক মোজাফফর হোসেন পল্টু। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান, যুগ্ম সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদ ও বাংলাদেশ আনসারের ক্রীড়া অফিসার রায়হান উদ্দিন ফকির সহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

পুরুষ ও মহিলা বিভাগে মোট ২০টি ওজন শ্রেণীতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার দল থেকে সব মিলিয়ে ২০০জন কুস্তিগীর অংশ নেন এবারের প্রতিযোগিতায়।

ব্যর্থতার দায় একে অন্যের কাঁধে চাপানোর চেষ্টা

কবিরুল ইসলাম, ইন্দোনেশিয়া থেকে

এশিয়ান গেমস থেকে এবার শূণ্য হাতেই ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ১৪টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়ে একটি ইভেন্টেও কোন পদকের দেখা পায়নি লাল-সবুজরা। প্রত্যাশার ইভেন্ট মহিলা কাবাডি, শ্যূটিং ও গলফ জুড়ে ছিল শুধুই হতাশা। প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। এছাড়া ভারোত্তোলন, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্সের মতো ইভেন্টগুলো থেকে হিটে বাদ পড়ে লজ্জায় মুখ লুকিয়েছেন অ্যাথলেটরা। এমন হতাশাজনক পারফর্ম্যান্সের পর অংশগ্রহনকারীরা দোষারোপ করছেন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অভিবাবক অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে (বিওএ)। আর অলিম্পিক দোষারোপ করছে অ্যাথলেটদের। উভয় পক্ষের এ দোষারোপের মধ্যেই শেষ হয় বাংলাদেশের এবারের এশিয়ান গেমস মিশন। কিন্তু ব্যর্থতার মূল কারন উদঘাটনে কারোই যেনো কোন ভূমিকা নেই। ভুলটা আসলে কোথায়? সে প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন না কেউ। 

আমাদের পাশের দেশ ভারত যখন একের পর এক স্বর্ণ পদক জিতে উৎসবে মাতছে, তখন আমাদের হিসেবের খাতায় প্রাপ্তি একেবারেই শূণ্য। অতিথি হয়েই থাকতে হয়েছে গেমসে। পদক তালিকায় এবারো শীর্ষে আছে চীন। এরইমধ্যে ১০৬ ডিসিপ্লিনের স্বর্ণ পদক জয় করেছে তারা (আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত)। গত আসরের মতো এবারো তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার সিঁড়িতে এক কদম এগিয়ে আছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা জাপানের সংগ্রহ ৫৩টি স্বর্ণসহ ১৬৩টি পদক। দক্ষিণ কোরিয়া ৩৭টি ডিসিপ্লিনে সেরা হয়ে তিন নম্বরে রয়েছে। আর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া ৩০টি স্বর্ণ পদক নিয়ে তালিকার চার নম্বরে আছে।

আমাদের পাশের দেশ ভারত ১১টি স্বর্ণসহ ৫৪টি পদক জিতে নিয়ে সেরা দশে অবস্থান করছে। ইন্দোনেশিয়ার মতো গরীব একটি রাষ্ট্র যদি একের পর এক স্বর্ণ পদক জিততে পারে তাহলে আমরা কেনো পারিনা? পিছিয়ে থাকতে হবে কেনো বাংলাদেশের? ভারত যদি দিন দিন উন্নতি করতে পারে তাহলে আমরা কেনো পারিনা? এমন প্রশ্ন আসলে সবার মনেই। উত্তর নেই কারো কাছে, শুধু প্রশ্নের পাহাড়। আসলেই কি উত্তর নেই? না কি জেনেও আমরা হাঁটছি ভুল পথে?

এবারের আসরে আসার অন্তত সাত মাস আগেই বিওএ অ্যাথলেটদের অনুশীলন শুরু করার কথা জানিয়েছিল। কয়েকটি ইভেন্টে তারা জোড় দিয়ে ক্যাম্প শুরুও করেছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটে মাঝ পথেই ক্যাম্প বন্ধ হয়ে যায়। ক্যাম্প নিয়ে এমন ধোঁয়াশার কারনে মনোকষ্ট ছিল অংশগ্রহনকারীদের মধ্যেও। সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর নিজের ক্ষোভ সামলাতে না পেরে বলেছিলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া আসার মাত্র এক মাস আগে ক্যাম্প শুরু করেছিলাম। যেটা মোটেও পর্যাপ্ত ছিল না আমার জন্য। আরো বেশী করে অনুশীলনের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিওএ সেটা করেনি। ভেবেছিলাম এবার সাত-আট মাস সময় পাচ্ছি। ভালো কিছু করতে পারবো। কিন্তু না, বিওএ’র উদাসীনতার কারনে তা আর হয়নি।’

ক্ষোভ ছিল এসএ গেমসের ভারেত্তোলন ইভেন্টে স্বর্ণজয়ী মাবিয়া আক্তার সীমান্ত’র কণ্ঠেও। চলতি এ আসরের মার্চপাষ্টে বাংলাদেশের পতাকা বহনকারী এ অ্যাথলেট জানান, ‘বিওএ আমার অনুশীলনের ব্যবস্থাই করেনি। যতোটুকু করেছি নিজের চেষ্টাতেই করেছি। বিওএ যদি অনুশীলনের ব্যবস্থা করতো, তাহলে আরো ভালো কিছু করতে পারতাম।’ আসলে কতোটুকু ভালো বা উন্নতি করতেন সাঁতারু সাগর কিংবা মাবিয়ারা, সেটা পরের বিষয়। তার আগে বিওএ’র উচিত ছিল আগে থেকেই ক্যাম্প শুরু করা এবং ইভেন্ট ধরে উন্নতির চেষ্টা করা।

তবে অ্যাথলেটদের এমন অভিযোগ মানতে নারাজ ডেপুটি সেফ দ্যান মিশন একে সরকার, ‘এখানে এককভাবে বিওএ’র দোষ দিলে চলবে না। অ্যাথলেটরও নিজ উদ্যেগে ভালো করার মানসিকতা থাকতে হবে। তারা শুধু অংশগ্রহন করার জন্যই আসে। দেশকে কিছু দেয়ার চিন্তা তাদের মাথায় কাজ করে না। আমাদের যেমন দায়িত্ব আছে, তেমনিভাবে অ্যাথলেটদেরও দায়িত্ব নিয়ে অংশগ্রহন করা উচিত।’

হতাশায় গেমস শেষ বাংলাদেশের

কবিরুল ইসলাম, ইন্দোনেশিয়া থেকে

এশিয়ন গেমসের গত কয়েকটি আসর থেকে পদক নিয়েই দেশে ফিরেছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে কাবাডিতে পদক ছিল নিশ্চিত। কিন্তু এবার শুধুই হতাশা। একরাশ দু:খ নিয়ে শূণ্য হাতেই ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ১৪টি ইভেন্টে অংশ নেয়া লাল-সবুজের পতাকাবাহিরা কোন ইভেন্টেই আশাব্যঞ্জক সাফল্য পায়নি। উল্টো ব্যক্তিগত ইভেন্টগুলোতে ছিল লজ্জাজনক পারফর্ম্যান্স।

ট্র্যাকে কিংবা কোর্টে, সব জায়গাতেই অ্যাথলেটরা ছিলেন বিবর্ণ। পারফরমেন্স মোটেই ছিল না আশা জাগানিয়া। শুধু লজ্জাতেই ফেলেছে দেশকে। বিশেষ করে সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স, শ্যূটিং, ভারোত্তোলন, গলফ, রেসলিং ও রোয়িংয়ের শুরুতেই বাদ পড়েন অ্যাথলেটরা। চূড়ান্ত পর্বে লড়াইয়ে যোগ্যতাও অর্জন করতে পারেননি। তবে, পদক না পেলেও এবার জাকার্তায় এসে নিজেদের উন্নতির গ্রাফটা ঠিকই প্রমান হয়েছে ফুটবল, হকি আর আরচ্যারিতে। আর সম্ভাবনাময় ইভেন্ট কাবাডিতে (মহিলা) গ্রুপ পর্বে বিদায় নিয়ে নিজেদের জাতীয় খেলার অবস্থা যে কোথায় গিয়ে ঠেঁকেছে, সেটাই প্রমান করেছেন মালেকারা।

চলতি এ আসরের ১৪টি ইভেন্টে অংশ নেয় লাল-সবুজ জার্সীধারীরা। অ্যাথলেট, প্রশিক্ষক এবং কর্মকর্তা মিলে বাংলাদেশ ক্রীড়া দলের সদস্য সংখ্যা ছিল ১৪৪ জন। বিশাল এ বহর নিয়ে বেশ কয়েক ধাপে জাকার্তায় এসেছিল তারা। অথচ গেমস শেষ হওয়ার আগেই অধিকাংশ ক্রীড়াবিদ ফিরেছেন দেশে।

ইন্দোনেশিয়ায় এখন হকি দল ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) কর্মকর্তারা ছাড়া আর কেউ নেই। হকি ইভেন্টেও পদকের কোন সম্ভাবনা নেই। জেগে আছে শুধু স্থান নির্ধারনী ম্যাচ জয়ের আশা। সেটাও পঞ্চম কিংবা ৬ষ্ঠ স্থানের জন্য। ১৪টি ইভেন্টে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ একটি পদকও দেশে নিয়ে ফিরতে পারেনি। এটা যে কতোটা লজ্জা আর কষ্টের, সেটা হয়তো অনুধাবন করতে পারেননি বিওএ কর্মকর্তারা।

কাবাডি ইভেন্টে প্রতিবারই একটা পদক জেতে বাংলাদেশ। আগের আসরগুলোতে নিদেনপক্ষে একটি ব্রোঞ্জ এলেও এবার একেবারেই শূণ্য হাতে ফিরতে হয়েছে। তিন খেলার সব ক’টিতে হেরে বিদায় নিয়েছে চার বছর আগের ব্রোঞ্জ জয়ীরা। অন্যদিকে পুরুষ কাবাডি দল কিছুটা সম্ভাবনা জাগালেও শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। সাঁতার থেকে পদকের স্বপ্ন না দেখলেও নিজেদের উন্নতিটা প্রমান করবেন মাহফিজুর রহমান সাগর ও খাদিজা আক্তার বৃষ্টি, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল সবার। কিন্তু হিটেই বাদ পড়েছেন দেশসেরা এই দুই সাঁতারু। সাগরতো ২০০ মিটারে পুলেই নামেননি অনুশীলন করতে না পারার দোহাই দিয়ে।

শ্যূটিং রেঞ্জেও গ্রাস করেছিল হতাশা। দেশসেরা শ্যূটারররা ইন্দোনেশিয়া এসে পদক জয়তো দূরের কথা, নিজেদের সেরাটাও দিতে ব্যর্থ হন। আবদুল্লাহেল বাকী, রিসালাতুল ইসলাম, উম্মে জাকিয়া সুলতানা, শারমিন আক্তার রত্নারা হতাশ করেছেন পালেম্বাংয়ের কাজাবারিং শ্যূটিং কমপ্লেক্সে।

এবারের গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্চপাষ্টে লাল-সবুজের পতাকা ছিল যে অ্যাথলেটের কাঁধে, সেই মাবিয়ার পারফর্ম্যান্স‌ই সবচেয়ে বাজে। নিজেকে ছাড়িয়ে যেতেও পারেননি তিনি। দেশসেরা এ ভারোত্তোলক ব্যর্থ হন স্ন্যাচ আর ক্লিন অ্যান্ড জার্ক ইভেন্টে। বার বার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সামর্থ্যরে অধিক ভার তুলতে ব্যর্থ হন গোহাটি এসএ গেমসে সোনা জেতা এই তারকা ভারোত্তোলক।

বাস্কেটবলের অবস্থা ছিল আরো করুণ। টানা দুই ম্যাচে হেরেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের। কুস্তির শুরুতেই শেষ হয়ে যায় লাল-সবুজদের স্বপ্ন। মোহাম্মদ আলী আমজাদ ও শরৎ চন্দ্র রায়ের পর প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেন শিরিন সুলতানা। বিচ ভলিবলে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ পড়ে যায় লাল-সবুজরা। ট্র্যাক এন্ড ফিল্ডের লড়াইয়ে নামার পর প্রমানিত হয়েছে বাংলাদেশী অ্যাথলেটরা যে দিনদিন কতোটা পিছিয়ে পড়ছে। আবু তালেব ও সুমি আক্তাররা হিটেই বাদ পড়েছেন অ্যাথলেটিক্স থেকে। তাদের পারফর্ম্যান্স ছিল আরো হতাশার।

তবে এতো হতাশার মধ্যেও আশা জাগিয়েছে ফুটবল, হকি ও আরচ্যারি ইভেন্ট। পদক না আসলেও এ তিন ইভেন্টে যে বাংলাদেশ আগের চেয়ে উন্নতি করেছে সেটা প্রমান হয়েছে।

এশিয়াডে ভারতীয় অ্যাথলেটদের প্রেম!

চলতি জাকার্তা এশিয়ান গেমসে ভারতীয় দুই অ্যাথলেট লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম করছেন, এমন গুঞ্জনই ছড়িয়েছে। তাঁরা হলেন জ্যাভলিন থ্রোতে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া ‌ও সোনাজয়ী নারী কুস্তিগীর ভিনেশ ফোগাত। তবে তাদের দু’জনই এই অভিযোগকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন৷

সোমবার এশিয়াডের নবম দিনে জ্যাভলিন থ্রোতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েন ভারতের নীরজ চোপড়া। তাঁর সোনা জয়ের পরই আবেগঘন টুইট করেন আরেক সোনাজয়ী ভারতীয় অ্যাথলেট ভিনেশ ফোগাত। টুইটে সোনাজয়ী কুস্তিগীর লেখেন, ‘কামাল করেছে নীরজ। ফাইনালে পারফরমেন্স করতে হলে নীরজের মতোই করা উচিত৷’ এর আগের টুইটে নীরজের জাতীয় রেকর্ড ভাঙা নিয়ে ভিনেশ লেখেন, ‘ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে পারফরমেন্স করা আর জাতীয় রেকর্ড ভাঙার কায়দা, তোমার থেকে শেখা উচিত৷’

সমবীর রাথি ও ভিনেশ ফোগাত

এদিকে, তৃতীয় প্রচেষ্টায় ৮৮.০৬ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন থ্রো করেন নীরজ। জাতীয় রেকর্ড ভেঙে দেশকে সোনা এনে দেন তিনি। তবে অল্পের জন্য এশিয়াড়ের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি। মাত্র ১.০৯ মিটার থেকে দূরে থেমে যান ভারতীয় এই অ্যাথলেট৷

নীরজের সোনা জয়ের পরই টুইট করে তাঁকে অভিনন্দন জানান ভিনেশ। এই টুইটের পরই জল্পনা-কল্পনা তুঙ্গে ‌ওঠে। সাথে ‌ওঠে তাদের মধ্যে প্রেমের গুঞ্জন‌ও। এর আগে কুস্তিতে ভিনেশের ফাইনাল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন নীরজ। ঠিক এক সপ্তাহ আগে মেয়েদের কুস্তির ফাইনালে জাপানি খেলোয়াড় যুকি ইরে-কে হারিয়ে সোনা জেতেন ভিনেশ। সেই ম্যাচ স্টেডিয়ামে বসে দেখেছিলেন নীরজ। তাতে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জনটি আর‌ও ডালপালা গজায়।

এই সব ঘটনার পরই নিজের এনগেজমেন্টের কথা জানিয়ে দেন ফোগাত। কুস্তির আখড়ায় তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ সমবীর রাথিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন এশিয়াড়ে সোনাজয়ী প্রথম ভারতীয় নারী ফোগাত। এদিকে, জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয়ী কুস্তিগীর সমবীর নর্দান রেলওয়ের ট্রেন টিকিট চেকারের চাকরি করেন৷

রেসলার ‘কেন’ এবার মেয়র

উপরের ছবির এই মানুষটিকে কে না চেনেন- রেসলিং দুনিয়ায় তিনি ‘কেন’ নামে পরিচিত। সেই কেন এবার হলেন টেনিসির নক্স কাউন্ট্রির মেয়র। ৫১ বছর বয়সী গ্লেন জ্যাকব (কেনের আসল নাম) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্র্যাম্পের খুবই আস্থাভাজন।

চারবছর আগে কেন (জ্যাকব) রেসলিংকে গুডবাই জানান। তারপর থেকে তিনি রাজনীতিতে জড়িত হন। পাশাপাশি উত্তর টেনিসিতে একটি ইনস্যুরেন্স কোম্পানিও চালান।

গতকাল শুক্রবার তিনি নক্স কাউন্ট্রির মেয়র র্নিবাচিত হন। সাবেক এই রেসলার নির্বাচনের আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, এলাকাকে তিনি আরো উন্নত করার চেষ্টা করবেন এবং ট্যাক্স কমিয়ে আনবেন। নির্বাচিত হওয়ার পর আবারও সেই কথাই জানান কেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর কেন নতুন মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন।

ইরান যাচ্ছে দুই তরুণ রেসলার

প্রথম এশিয়ান ফ্রিস্টাইল স্কুল বয়েজ রেসলিং চ্যাম্পিয়নশীপে অংশ নিতে আগামীকাল বুধবার ইরান যাচ্ছে বাংলাদেশের দুই তরুণ রেসলার। ইরানের রাজধানী তেহরানে আগামী ২ ও ৩ আগস্ট হবে দুই দিনের এই চ্যাম্পিয়নশীপ।

এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পক্ষে দাউদকান্দির দুই রেসলার অংশ নেবেন। ৫২ কেজি ওজন শ্রেণীতে নবম শ্রেণীর ছাত্র ইমন মিয়া এবং ৫৭ কেজিতে অষ্টম শ্রেণীর মাহাবুব আলম অংশ নেবেন। এই দুই তরুণ রেসলার গত ২০১৭ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম থেকে উঠে এসেছেন।

আগামীকাল বুধবার সকাল ১১টায় কাতার এয়ারওয়েজের বিমানে ইরানের উদ্দেশ্যে রওনা হবে বাংলাদেশ দল। এই দুজনের সাথে অফিসিয়াল হিসেবে যাচ্ছেন বাংলাদেশ এ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন আজাদ।

ব্যর্থ সুরাইয়া ব্যর্থতা কুস্তিতেও

গোল্ড কোস্ট কমনওয়েলথ গেমসের নারীদের শ্যূটিংয়ে ৫০ মিটার রাইফেল প্রোন ইভেন্টে পারলেন না সুরাইয়া আক্তার। এই প্রতিযোগিতায় আব্দুল্লাহ হেল বাকি ও শাকিল আহমেদ বাংলাদেশকে রূপার পদক এনে দিলেও অন্য শ্যূটাররা ব্যর্থ হন। গতকাল বুধবার পুরুষদের ৫০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে শাকিল সাফল্য পেলেও আজ বৃহস্পতিবার মহিলাদের ৫০ মিটার রাইফেল প্রোন ইভেন্টে জ্বলে উঠতে পারলেন না সুরাইয়া আক্তার। তিনি ২০ প্রতিযোগীর মধ্যে ১৪তম হন। এই ইভেন্টে লাল-সবুজদের পক্ষে খেলা আরেক শ্যূটার শারমিন শিল্পার জায়গা হয় ১৭তম স্থানে।

গত ৮ এপ্রিল আব্দুল্লাহ হেল বাকি ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টে খেলতে নেমে স্বর্ণ জয়ের খুব কাছ থেকে ফিরে আসলেও কমনওয়েলথ গেমসে এ ইভেন্টে টানা দ্বিতীয় রৌপ্যপদক জিতে দেশের মান বাড়ান। গেমসের আগের আসরে গ্লাসগোতেও বাকি তার প্রিয় এই ইভেন্টে রূপা জিতেছিলেন। গোল্ড কোস্টে বাকির সাফল্যে উজ্জীবিত ছিলেন বাংলাদেশ দলের শ্যূটাররা। তার রূপা জয়ের চারদিনের মাথায় আরেকটি রৌপ্যপদক বাংলাদেশের ঝুলিতে জমা পড়ে। আর এটা ৫০ মিটার পিস্তল ইভেন্ট থেকে এনে দিলেন তরুণ শ্যূটার শাকিল। পরপর দু’টি সাফল্য পেয়ে আকাশে উড়তে থাকা বাংলাদেশ শ্যূটিং দলের সবারই ধারনা জন্মে মেয়েদের ৫০ মিটার রাইফেল প্রোনেও কিছু একটা করে দেখাবেন সুরাইয়া। কিন্তু না পারলেন না তিনি, ব্যর্থ হন শারমিনও। আজ ব্রিসবেনের বেলমন্ট শ্যূটিং সেন্টারের রেঞ্জে নিজ ইভেন্টে খেলতে নেমে সুরাইয়া স্কোর করেন ৬০৪.৩ পয়েন্ট। আর শারমিন ৫৯৯.২। ফলে দু’জনকেই ছিটকে পরতে হয় গোল্ড কোস্ট কমনওয়েলথ গেমস থেকে। ৬২১.০ পয়েন্ট করে এ ইভেন্টে স্বর্ণ জেতেন সিঙ্গাপুরের মার্টিনা লিন্ডসে। তিনি গেমস রেকর্ড গড়েন। ৬১৮.৯ পয়েন্ট নিয়ে রূপা জিতেন ভারতের তেজস্বনী শ্রাবন্ত। এবং ৬১৪.১ পয়েন্ট পেয়ে ব্রোঞ্জপদক পান স্কটল্যান্ডের শ্যুটার সিয়োনাইড মেসিনটো।

এদিকে শ্যূটিং ডিসিপ্লিনে আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশের সুরাইয়া আক্তার ও শারমিন শিল্পা ফের রেঞ্জে নামবেন। তারা ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশনে খেলবেন।

অন্যদিকে গোল্ড কোস্ট কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের কুস্তি খেলা আজই শুরু হয়েছে। দেশ সেরা পুরুষ কুস্তিগীর আলী আমজাদ ফ্রি-স্টাইল ৭৪ কেজি ওজনশ্রেণীর প্রথম রাউন্ড টপকালেও দ্বিতীয় রাউন্ডে এসে ধরাশায়ি হন। কারারা স্পোর্টস এরিনায় আলী আমজাদ খেলেন কিরিবাতি’র লোয়াবো টিটু’র বিপক্ষে। রিংয়ে নেমে আমজাদ সরাসরি কোন পয়েন্ট না পেলেও ১০ টেকনিক্যাল পয়েন্ট তুলে নেন। লোয়াবো কোন টেকনিক্যাল পয়েন্টই পাননি। ফলে জয় পেয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার সুযোগ পান আমজাদ। দ্বিতীয় রাউন্ডে এসে সেই হতাশাই দেখতে হয় বাংলাদেশ দলকে। খেলতে নেমে আমজাদ দাঁড়াতেই পারেননি নাইজেরিয়ান কুস্তিগীর এবিমিয়েন ফাগে আসিজিকার্ডের সামনে। লড়াইয়ে সরাসরি ধরাশায়ি হয়ে গেমস থেকে ছিটকে পড়েন আমজাদ। আগামীকাল শুক্রবার কারারা স্পোর্টস এরিনায় বাংলাদেশের সেরা নারী কুস্তিগীর শিরিন সুলতানা খেলবেন মহিলাদের ফ্রি-স্টাইল ৬৮ কেজি ওজনশ্রেণীতে।

বিজিবি ও আনসার চ্যাম্পিয়ন

স্বাধীনতা দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মেয়েদের বিভাগে বাংলাদেশ আনসার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার শহীদ ক্যাপ্টেন এম এ মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে বিজিবি ৫টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। আর ৩টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৬টি পদক পেয়ে রানার্স আপ হয়েছে আনসার।

এদিকে, মহিলা বিভাগের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আনসার পেয়েছে ৫টি স্বর্ণ ও ৫টি রৌপ্যসহ মোট ১০টি পদক। আর ৫টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক পেয়ে রানার্স আপ হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

খেলা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করেন আওয়ামী লীগের ক্রীড়া সম্পাদক হারুন অর রশীদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদ। এবারের প্রতিযোগিতায় পুরুষ ও মহিলা ২০টি ওজন শ্রেণীতে শতাধিক খেলোয়াড় অংশ নেন।

জাতীয় পুরুষ ও মহিলা কুস্তিতে বিজিবি ও আনসার চ্যাম্পিয়ন

৩৩ তম জাতীয় সিনিয়র পুরুষ ও ৭ম জাতীয় সিনিয়র মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বাংলাদেশ আনসার।

শহীদ ক্যাপ্টেন এম মুনসর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে, দুইদিনের এই প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ ও ৪টি রৌপ্য সহ মোট ৮টি পদক। রানার আপ বাংলাদেশ আনসার পায় ৩টি স্বর্ণ ও ২টি ব্রোঞ্জ সহ মোট ৫টি পদক। এছাড়া ১টি স্বর্ণ ও ১টি রৌপ্য জিতে তৃতীয় হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এদিকে, প্রতিযোগিতায় মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার। তারা পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ ও ৪টি রৌপ্য সহ মোট ৮টি পদক। রানার আপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পায় ৪টি স্বর্ণ ও ২টি রৌপ্য সহ মোট ৬টি পদক। আর ১টি রৌপ্য ও ৫টি ব্রোঞ্জ সহ মোট ৬টি পদক জিতে তৃতীয় হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশ এ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের সভাপতি ‌ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। এসময় উপস্থিত বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লে: কর্ণেল নজরুল ইসলাম ও কুস্তি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান।

জাতীয় পুরুষ ও মহিলা কুস্তি শুরু

৩৩ তম জাতীয় সিনিয়র পুরুষ ও ৭ম জাতীয় সিনিয়র মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শহীদ ক্যাপ্টেন এম মুনসর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে দুই দিনের এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ক্রীড়া সংগঠক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ক্রীড়া সম্পাদক হারুনুর রশীদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদ।

এবারের প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী দিনে পুরুষ ও মহিলা উভয় বিভাগে মোট ১৬টি ওজন শ্রেণীর প্রথম ও দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা শেষ হয়। পুরুষ ৫৭, ৬১, ৬৫, ৭০, ৭৪, ৮৬, ৯৭ ও ১২৫ কেজি এবং মহিলাদের ৪৮, ৫৩, ৫৫, ৫৮, ৬০, ৬৩, ৬৯ ও ৭৫ কেজি ওজন শ্রেণীতে রাজশাহী, কুমিল্লা, নড়াইল, খুলনা, কিশোরগঞ্জ, বিজিবি, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার দল থেকে মোট ২০০জন কুস্তিগীর অংশ গ্রহন করছে।

আগামীকাল সোমবার প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন বাংলাদেশ এ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের সভাপতি ‌ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।

মধ্য প্রাচ্যের প্রথম নারী রেসলার শাহিদা

মধ্য প্রাচ্যের প্রথম নারী রেসলার হিসেবে বিশ্ব রেসলিংয়ের সবচেয়ে বড় প্লাটফর্ম ডব্লিউডব্লিউই-তে নাম লেখালেন শাহিদা বসেইসু। ৩১ বছর বয়সী এই আরব রেসলারের জন্ম জর্ডানে।

এর আগে তিনি জর্ডান টেলিভিশনের উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করতেন। গত ৮ ডিসেম্বর বিশ্বখ্যাত রেসলার ট্রিপল এইচ এ বিষয়ে তার সঙ্গে চুক্তিও করেন।
১৯৮৬ সালের ২০ জুন শাহিদা আম্মানে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যবসায় প্রশাসনে বৈরুতের আমেরিকান ইউনির্ভাসিটি থেকে তিনি স্ণাতক ডিগ্রি নেন। দুবাইয়ের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে তিনি উপস্থাপক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তবে পরিবারের একমাত্র সদস্য হিসেবে তিনি খেলাধুলার সঙ্গে জড়িত হলেন না। তার বড়বোন আরিফা, জর্ডানের বক্সিং চ্যাম্পিয়ন।

কুস্তি খেলার আগে শাহিদা বসেইসু ব্রাজিলিয়ান জুজুৎসুতেও প্রশিক্ষণ নেন। তবে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে তার রেসলিংয়ে অভিষেক হতে পারে। শাহিদা বসেইসু বলেন, শারিরিক এবং মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। কোচের অধীনে কঠোর পরিশ্রমও করছি। ডব্লিউডব্লিউই পারফরমেন্স সেন্টারে ফুলটাইম অনুশীলন করছি আমি।

কুস্তির বালক বিভাগে খুলনা বালিকা বিভাগে রাজশাহী চ্যাম্পিয়ন

বাংলাদেশ এ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশন আয়োজিত কে.এন হার্বার২৪ তম জাতীয় জুনিয়র কুস্তি প্রতিযোগিতার বালক বিভাগে খুলনা এবং বালিকা বিভাগে রাজশাহী চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বালক বিভাগে খুলনা জেলা পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ পদক। এ বিভাগে রানার্সআপ যশোর পেয়েছে ১টি স্বর্ণ ও ২টি রৌপ্য। একটি স্বর্ণ পেয়ে তৃতীয় হয়েছে রংপুর জেলা।

বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী জেলা পেয়েছে ৩টি স্বর্ণ ও ২টি ব্রোঞ্জ। রানার্স আপ নড়াইল জেলা পেয়েছে ২টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জ। এ বিভাগে তৃতীয় হয়েছে  রাঙ্গামাটি জেলা ২টি স্বর্ণ ও ১টি ব্রোঞ্জ নিয়ে।

সোমবার বিকেলে শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম.এ মুনসর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন কে. এন হার্বার কনসোর্টিয়ামের চেয়ারম্যান রেজাউল হক চৌধুরী মোস্তাক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদ ও  আশ্বেকুর রহমান খান বাচ্চু।

প্রতিযোগিতায় বালক ও বালিকা বিভাগে ১৬ ওজন শ্রেনীতে ২১ জেলার ৯১জন ছেলে ও ৬৩ জন মেয়ে অংশ গ্রহন করেন।

বিজয় দিবস কুস্তিতে চ্যাম্পিয়ন বিজিবি ও সেনাবাহিনী

মার্সেল বিজয় দিবস কুস্তিতে ছেলেদের বিভাগে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মেয়েদের বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
ছেলেদের ৮টি ওজন শ্রেণীতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তার মধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৫টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৮টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। ২টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৮টি পদক নিয়ে রানার্স-আপ হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং ১টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ ৮টি পদক নিয়ে তৃতীয় হয় বাংলাদেশ পুলিশ।
মেয়েদের ৮টি ওজন শ্রেণীর মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪টি করে স্বর্ণ ও রৌপ্য জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি ৪টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য জিতে রানার্স-আপ হয় এবং ৫টি ব্রোঞ্জ জিতে বাংলাদেশ পুলিশ তৃতীয় হয়।
রবিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরাতন ভবনের নিচতলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের স্পোর্টস এন্ড ওয়েলফেয়ার বিভাগের প্রধান এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন)। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান কর্মকর্তা মো. নিয়ামুল হক। এছাড়া বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনে সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন আজাদসহ অন্যরা ছিলেন।

জব্বারের বলি খেলার ১০৭তম আসর আজ

চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলি খেলার ১০৭তম আসর বসছে আজ সোমবার (২৫ এপ্রিল)। প্রতিবছর বৈশাখের ১২ তারিখে এ বলি খেলার আয়োজন করা হয়।

গতকাল শনিবার থেকে লালদীঘি ও আশপাশের এলাকায় তিন দিনব্যাপী মেলা শুরু হলেও বলীদের লড়াই আজ সোমবার। বিকেল সাড়ে ৩টায় লালদীঘি মাঠে শুরু হবে এ বলি খেলা। ইতোমধ্যে ১৫০ জন বলি প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে নাম লিখিয়েছেন।

বলি খেলা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী জানান, ইতোমধ্যে খেলার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বলি খেলায় দর্শকের ভিড় বাড়বে।

এদিকে, বলিখেলায় অংশ নিতে কক্সবাজারের টেকনাফ, রামু, চকরিয়া ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী, পটিয়া, সাতকানিয়া এবং পার্বত্য অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বলীরা লালদীঘি পাড়ে ছুটে আসছেন।

মার্সেল স্বাধীনতা দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতা সমাপ্ত

ওয়ালটন গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল- এর পৃষ্ঠপোষকতায় দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘মার্সেল স্বাধীনতা দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০১৬’ বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) শেষ হয়েছে। এবারের মার্সেল স্বাধীনতা দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), রানারআপ হয়েছে বাংলাদেশ আনসার। আর তৃতীয় হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এদিকে মহিলা বিভাগে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ আনসার। আর রানারআপ হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। পুরুষ বিভাগের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বিজিবির আব্দুর রশিদ। আর মহিলা বিভাগের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফারজানা। তাদের দুজনকে মার্সেল এর পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স দিয়ে উৎসাহিত করা হয়।
পল্টনস্ত কাবাডি স্টেডিয়ামে বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর ও স্পোর্টস অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার বিভাগের প্রধান এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন)। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোশাররফ হোসেন রাজীব, অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর (মার্সেল মার্কেটিং নর্থ)। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন আজাদসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, এবারের মার্সেল স্বাধীনতা দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসারের পুরুষ ও মহিলা দল। সব মিলিয়ে ১২০ জন খেলোয়াড় ১৬টি ওজন শ্রেণিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। পুরুষদের ৮টি ওজন শ্রেণি ছিলো- ৫৭, ৬১, ৬৫, ৭০, ৭৫, ৮৫, ৯৭ ও ১২৫+ কেজি। মেয়েদের ৮টি ওজন শ্রেণি ছিলো- ৪৮, ৫১, ৫৫, ৫৯, ৬৩, ৭০, ৭৫ ও ৮০ কেজি।

সাউথ এশিয়ান রেসলিং ফেডারেশনের সেক্রেটারী নির্বাচিত পালোয়ান

বাংলাদেশ এ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান দ্বিতীয় বারের মত সাউথ এশিয়ান রেসলিং ফেডারেশনের সেক্রেটারী নির্বাচিত হয়েছেন।
গৌহাটির একটি হোটেলে সাউথ এশিয়ান রেসলিং কর্তাদের সাধারণ মিটিংয়ে তাবিউর রহমান পালোয়ান আগামী পাঁচ বছরের জন্য সেক্রেটারী হিসেবে নির্বাচিত হন। প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ভারতের ব্রিজভুশন স্বরণ সিং।
সাউথ এশিয়ান রেসলিং ফেডারেশনের সেক্রেটারী নির্বাচিত হওয়ার পর তাবিউর রহমান জানান, ভালো লাগছে যে ২০০৬ সালের পর আবারও দ্বিতীয় বার সেক্রেটারী হলাম। এবার বাংলাদেশের রেসলাররা অনেক সুযোগ পাবে আশা করি। ভারত আমাকে বলেছে নতুন নতুন ভালো খেলোয়াড় দিলে তারা এক বছরের জন্য প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করবে। আশা করি এই পদে থেকে বাংলাদেশের কুস্তির জন্য কিছু করার চেষ্টা থাকবে সব সময়।

ঢাবিতে তায়কোয়ানদো প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

বাংলাদেশ তায়কোয়ানদো ফেডারেশন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে কোরিয়ান মার্শাল আর্ট তায়কোয়ানদোর ওপর ১০ দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) এবং স্পোর্টস বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তায়কোয়ানদো ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের কর্মকর্তাবৃন্দ।

গত ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ মঙ্গলবার উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। কোরিয়ান প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি হলের ছাত্রীরা অংশ নিয়েছেন।

বিজয় দিবস কুস্তিতে বিজিবি ও সেনাবাহিনী চ্যাম্পিয়ন

দুইদিন ব্যাপী ‘ওয়ালটন বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০১৫’ শুক্রবার (০১ জানুয়ারি) পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আর মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
শুক্রবার সকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরাতন ভবন জিমনেসিয়ামে ‘ওয়ালটন বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতার’ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), ফার্স্ট সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর, ওয়ালটন গ্রুপ। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশিক আল-মামুন, ডেপুটি ডিরেক্টর, ওয়ালটন গ্রুপ। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন আজাদসহ অন্যরা।
বাংলাদেশ রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত ‘ওয়ালটন বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৪টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। আর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জ নিয়ে রার্নাস-আপ হয়। তৃতীয় হয় বাংলাদেশ আনসার।
এদিকে মহিলা বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ৭টি ব্রোঞ্জ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। বাংলাদেশ আনসার ৪টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জ নিয়ে রার্নাস-আপ হয়। তৃতীয় স্থান অধিকার করে বাংলাদেশ পুলিশ।
এবারের ‘ওয়ালটন বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতায়’ ৪টি দলের ১২৮ জন নারী ও পুরুষ কুস্তিগীর অংশ নেন। যার মধ্যে ৬৪ জন পুরুষ ও ৬৪ জন মহিলা। অংশ নেওয়া দল চারটি হচ্ছে-বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার। পুরুষ ও মহিলা বিভাগে ৮টি করে ওজন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ালটন বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতা শুরু

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ‘ওয়ালটন বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০১৫’। বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা শেষ হবে ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি।
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (পুরাতন ভবন) জিমনেসিয়ামে ‘ওয়ালটন বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে kusti1451556543উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), ফার্স্ট সিনিয়র অতিরিক্ত পরিচালক ওয়ালটন গ্রুপ। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজীবুল আনাম, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (সেলুলার ফোন আরএন্ডডি) ওয়ালটন গ্রুপ। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন আজাদসহ অন্যান্যরা।
এবারের ‘ওয়ালটন বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতায়’ ৪টি দলের ১২৮ জন নারী ও পুরুষ কুস্তিগীর অংশ নেবেন। যার মধ্যে ৬৪ জন পুুরুষ ও ৬৪ জন মহিলা। অংশ নিতে যাওয়া দল চারটি হচ্ছে-বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার।
পুরুষ ও মহিলা বিভাগে ৮টি করে ওজন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষদের ওজনশ্রেণীগুলো হল- ৫৫ কেজি, ৬১ কেজি, ৬৫ কেজি, ৭০ কেজি, ৭৪ কেজি, ৮৬ কেজি, ৯৭ কেজি ও ১২৫ কেজি। মহিলাদের ওজনশ্রেণিগুলো হল- ৪৮ কেজি, ৫৩ কেজি, ৫৫ কেজি, ৫৮ কেজি, ৬০ কেজি, ৬৩ কেজি, ৬৯ কেজি ও ৭৫ কেজি। প্রতিটি ওজন শ্রেণির প্রথম তিনজনকে পুরস্কৃত করা হবে।

ওয়ালটন বিজয় দিবস কুস্তি বৃহস্পতিবার শুরু

ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ওয়ালটন বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা শেষ হবে ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় এবারের বিজয় দিবস পুরুষ ও মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতায় ৪টি দলের ১২৮ জন নারী ও পুরুষ কুস্তিগীর অংশ নেবেন। যার মধ্যে ৬৪ জন পুুরুষ ও ৬৪ জন মহিলা। অংশ নিতে যাওয়া দল চারটি হচ্ছে-বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার।
পুরুষ ও মহিলা বিভাগে ৮টি করে ওজন শ্রেণীতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষদের ওজন শ্রেণীগুলো হল- ৫৫ কেজি, ৬১ কেজি, ৬৫ কেজি, ৭০ কেজি, ৭৪ কেজি, ৮৬ কেজি, ৯৭ কেজি ও ১২৫ কেজি। মহিলাদের ওজন শ্রেণীগুলো হল- ৪৮ কেজি, ৫৩ কেজি, ৫৫ কেজি, ৫৮ কেজি, ৬০ কেজি, ৬৩ কেজি, ৬৯ কেজি ও ৭৫ কেজি। প্রতিটি ওজন শ্রেণীর প্রথম তিনজনকে পুরস্কৃত করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের ফার্স্ট সিনিয়র এডিশনাল ডিরেক্টর ও বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র এজিএম মেহরাব হোসেন আসিফ। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন আজাদসহ অন্যান্যরা।