ভোর ৫:১৩, মঙ্গলবার, ২২শে মে, ২০১৭ ইং

কিছুদিন ধরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত নাম আলিদা শিকদার। না, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এ অ্যাথলেট লাল-সবুজের দেশকে কোনো সাফল্য এনে দিয়ে আলোচনায় আসেননি। দেশের সম্মানহানি করে তিনি এখন নেতিবাচক আলোচনায়। ইসলামী সলিডারিটি গেমসের জন্য তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আজারবাইজানের বাকুতে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ); কিন্তু আলিদা কোনো খেলায়ই অংশ গ্রহণ করেননি। দেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তারকে বঞ্চিত করে বিনা ট্রায়ালে আলিদা ঢুকে পড়েছিলেন বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টে। ১০০ মিটার স্প্রিন্ট ও লংজাম্পে অংশ না নিয়েই কেন আলিদা বাকু থেকে যুক্তরাষ্ট্র ফিরে গেলেন তার কোনো জবাব নেই। গেমস থেকে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের শেফ দ্য মিশন নুরুল ফজল বুলবুল দেশে ফিরলেই আলিদার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবে বিওএ। তবে বিওএর উপমহাসচিব আশিকুর রহমান মিকু অকপটে স্বীকার করেন গেমসের জন্য আলিদাকে নির্বাচন করা ছিল তাদের ভুল সিদ্ধান্ত। শনিবার রাতে হোটেল পূর্বানীতে জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল সংগঠকদের মতবিনিময় সভা শেষে আশিকুর রহমান মিকু বলেন, আমি এ নিয়ে শাহেদ ভাইয়ের (বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা) সঙ্গে কথা বলেছি। তিনিও বলেন, আলিদাকে নির্বাচন ঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। আলিদার জন্য আমার দেশের মেয়েটি (শিরিন) বঞ্চিত হলো। বিওএর উপমহাসচিব মিকুর কথায় একটা ইঙ্গিত মিললো- আলিদার কারণে আগামীতে প্রবাসী ক্রীড়াবিদদের আর বিবেচনায় নাও আনতে পারে বিওএ। কিছু গেমস আছে যেখানে পদক পাওয়ার সম্ভাবনা নেই আমাদের। তাহলে দেশে যারা সারা বছর খেলে তাদেরই সুযোগ পাওয়া উচিত। আগামীতে এমন আর হবে না। আমাদের ঘরের ছেলে-মেয়েরা যতটুকু পারে ততটুকুই ভালো- বলেন বিওএর উপমহাসচিব আশিকুর রহমান মিকু।

ইসিনবায়েভা অপসারিত

রাশিয়ার অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির প্রধানের পদ থেকে অপসারন করা হলো পোল্টভল্টের রানী ইয়েলেনা ইসিনবায়েভাকে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন বিবৃতি না আসলেও, বিশ্ব মাদক বিরোধী সংস্থাÑওয়াডা খবরটি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, সরকারী মদদে রাশিয়ার অ্যাথলেটদের নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণের পেছনে দুইবারের অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী পোলভোল্টারেরও ভূমিকা ছিলো। আর সে বিষয়টি অনুধাবন করেই দুইবারের অলিম্পিক স্বর্নজয়ীকে তার পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় রাশিয়া। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ব্রাজিলের রিও অলিম্পিকে রাশিয়ার নিষিদ্ধ অ্যাথলেটদের মধ্যে ৩৪ বছর বয়সী ইসিনবায়েভাও ছিলেন। এ বছর নভেম্বরের মধ্যে রাশিয়াকে ওয়াডার নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করে জিততে হবে। তা না হলে তাদের অ্যাথলেটরা নিষিদ্ধই থাকবেন।

ঢাকা বিভাগীয় দ্রুততম মানবী সাহিদা

ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়ায় দ্রুততম মানবী হয়েছেন টাঙ্গাইলের সাহিদা সরকার। ওয়ালটন ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া উৎসবে ধানমন্ডির সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী দিনে, অ্যাথলেটিক্সের ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হন টাঙ্গাইলের সাহিদা সরকার। দ্বিতীয় হয়েছেন রাজবাড়ীর শাহনাজ আক্তার। তৃতীয় হয়েছেন ঢাকা জেলার সুরাইয়া আক্তার। ৪০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হয়েছেন ফরিদপুরের চায়না। দ্বিতীয় হয়েছেন ঢাকার উর্মি আক্তার। আর তৃতীয় হয়েছেন টাঙ্গাইলের মিতু।
প্রতিযোগিতার হাইজাম্পে প্রথম হয়েছেন টাঙ্গাইলের নীপা। দ্বিতীয় হন ঢাকার বিথী আক্তার। আর তৃতীয় হয়েছেন রাজবাড়ীর শাহনাজ। বর্ষা নিক্ষেপে প্রথম হয়েছেন মাদারীপুরের শিউলি। দ্বিতীয় হয়েছেন ঢাকার সেলিনা ও শামসুন্নাহার।
এবারের এই ওয়ালটন ঢাকা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া উৎসবে ঢাকার চারটি জোনের (ময়মনসিংহ, জামালপুর, ফরিদপুর ও ঢাকা) প্রায় দুই শতাধিক প্রতিযোগি অংশ নিয়েছেন। অ্যাথলেটিকস, হ্যান্ডবল, ভলিবল ও কাবাডি- এই চারটি ডিসিপ্লিনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিশেষ শিশু-কিশোর ক্রীড়া সমাপ্ত

জাতীয় প্রতিবন্ধী ক্রীড়া সমিতির (এনএনএসপিডি) বিশেষ শিশু-কিশোরদের গ্রীষ্মকালিন ক্রীড়া উৎসব শেষ হয়েছে। ধানমন্ডির সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে, দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা মঙ্গলবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বধির হাইস্কুল। আর রানার্স-আপ হয়েছে প্রয়াস। ঢাকা শহরের ২৪টি সংস্থার ৩ শতাধিক বিশেষ শিশু-কিশোর এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ১৮টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সবাইকে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের পক্ষ থেকে জার্সি ও ক্যাপ দেওয়া হয়।
সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের অপারেটিভ ডিরেক্টর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী ক্রীড়া সমিতির নির্বাচিত সভাপতি ইকবাল বিন আনোয়ার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রতিবন্ধী ক্রীড়া সমিতির মহাসচিব ড. সেলিনা আক্তার ও জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মেজর (অব:) মোহাম্মদ ইয়াদ আলী ফকির।

জাতীয় অ্যাথলেটিকে চ্যাম্পিয়ন সেনাবাহিনী

জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন ৪০তম জাতীয় অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ১৯ স্বর্ণ, ১৯ রৌপ্য ও ১৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৫১টি পদক জিতে তারা চ্যাম্পিয়নের গৌরভ লাভ করেছে।
সেনাবাহিনীর চাইতে ৮ স্বর্ণ কম জিতে অর্থাৎ ১১ স্বর্ণ, ১১ রৌপ্য ও ৪ ব্রোঞ্জসহ ২৬টি পদক নিয়ে রানারআপ হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। আর ২ স্বর্ণ, ২ রৌপ্য ও ২ ব্রোঞ্জসহ ৬টি পদক জিতে তৃতীয় হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।
শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সভাপতি এ এসএম আলী কবির। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন জয়যাত্রা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হেলেনা জাহাঙ্গীর।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহীম চেঙ্গিস সহ অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের শুরুতেই জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন ৪০তম জাতীয় অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতার দ্রুততম মানব মেজবাহ আহমেদ ও মানবী শিরিন আক্তারের হাতে ১০ হাজার টাকা প্রাইজমানি তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি। পরে চ্যাম্পিয়ন সেনাবাহিনী ও রানার্সআপ নৌবাহিনীরহাতে দলীয় ট্রফি তুলে দেয়া হয়।
প্রতিযোগিতায় ৬৪ জেলা, ৮ বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয়, শিাবোর্ড, বিকেএসপি ও সকল বাহিনীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬০০ জন (পুরুষ ও মহিলা) অ্যাথলেট অংশ নেন। প্রতিযোগিরা দুই গ্রুপে ৩৬ টি ইভেন্টে খেলেন, যার মধ্যে পুরুষদের ২২টি ও মহিলাদের ১৪টি ইভেন্ট ছিল।

সেনাবাহিনীর পতাকার জন্য লড়লেন শরিফুল

রণাঙ্গনে নয়, অ্যাথলেটিক্সের ট্র্যাকে সেনাবাহিনীর পতাকা উঁচুতে রাখার জন্য লড়ে সফল হলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্প্রিন্টার শরিফুল ইসলাম। জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার শরিফুল ২১.৫১ সেকেন্ড সময় নিয়ে অুণ্ন রাখেন তার ২০০ মিটার স্প্রিন্টের জাতীয় শিরোপা।
প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে শরিফুল ১০০ মিটার স্প্রিন্টে তৃতীয় হয়েছিলেন, পেরে উঠেননি মেজবাহ আহমেদ ও আব্দুর রউফের সঙ্গে। সেই দুঃখ প্রশমিত করতেই কি এবার নিজের সেরা নৈপুণ্য প্রদর্শন করলেন শরিফুল? এমন প্রশ্নে তার জবাবটা এরকম, ‘না, এবারের আসরের শুরু থেকেই সেনাবাহিনী ও নৌ বাহিনীর মাঝে একটা অঘোষিত লড়াই চলছে। বৃহস্পতিবার নৌ বাহিনীর মেজবাহ ও রউফ যখন ১০০ মিটারের প্রথম দুটি স্থান নিয়ে নিল। তখন স্টেডিয়ামে একটা রব ছিল যে সেনাবাহিনী-নৌবাহিনীর সঙ্গে পারে না। তখন থেকেই আমি পণ করি যে ২০০ মিটারের শিরোপা আমার নিজের ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য জিততেই হবে। আর আমি সেটাই করে দেখিয়েছি।’
শরিফুল এসময় দুঃখ করে বলেন, ‘বছরের শুরুতে গৌহাটিতে এসএ গেমসের সময় পায়ে ব্যথা থাকার কারণে নিজের সেরাটা দিতে পারিনি। আমার বয়স ২৪, তাই আমি পরবর্তী এসএ গেমসের দিকে তাকিয়ে আছি। কঠোর অনুশীলন করে এসএ গেমসে সেরা হওয়াই আমার একমাত্র ল্য।’
শরিফুল শিরোপা জিতলেও তাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ করেছিলেন বিকেএসপির সাইফুল ইসলাম সানি। ২১.৬৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে তিনি হন দ্বিতীয়। আর আনসার ভিডিপির আল-আমিন ২১.৭০ সেকেন্ড সময় নিয়ে হন তৃতীয়।

আবারও দ্রুততম মানবী শিরিন

স্প্রিন্ট ট্র্যাকে তার ধারে কাছে যে কেউ নেই-তার প্রমাণ রেখে সহজেই দেশের দ্রুততম মানবীর খেতাব অুণ্ন রেখেছেন বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর শিরিন আকতার।
শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন ৪০তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে মহিলাদের ১০০ মিটার ফাইনালে ১২.০১ সেকেন্ড সময় নিয়ে শিরিন তার শিরোপা অুণ্ন রাখেন। গত বছর শিরিন ১২.২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিতেছিলেন এই শিরোপা।
শিরিন শেষ ২০ মিটারে তার সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করেন আর সেখানেই তার টিমমেট সোহাগী আকতারের সঙ্গে তার ব্যবধান বেড়ে যায়। ১২.২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোহাগী হন দ্বিতীয় আর সেনাবাহিনীর বর্ষা খাতুন ১২.৩৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে হন তৃতীয়।
সাফল্যে উদ্বেলিত শিরিন শিরোপা জেতার পর বলেন, ‘পরীার জন্য ঠিক মতো অনুশীলন করতে পারিনি, সপ্তাহ খানেক আগে বিকেএসপি-তে গিয়ে অনুশীলন করে মাঠে নেমে গেছি। সোহাগী আমাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ করবে জানতাম, তাই শেষ দিকে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়েছি। সাফল্যে আমি আনন্দিত।’
এনিয়ে টানা তিনটি দ্রুততম মানবীর শিরোপা জিতলেন শিরিন। একটি সামার অ্যাথলেটিক্সে বাকি দুটি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে।

বোল্টকে দেখেই দ্রুততম মানব মেজবাহ

দেশের দ্রুততম মানবের শিরোপা অক্ষুণ্ন রেখেছেন মেজবাহ আহমেদ। জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের প্রথম দিনে বৃহম্পতিবার ১০.৬৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে তিনি জিতেছেন ১০০ মিটার স্প্রিন্টের শিরোপা।
কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েও শেষ পর্যন্ত দেশের দ্রুততম মানবের শিরোপা অক্ষুণ্ন রেখেছেন মেজবাহ আহমেদ। জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের প্রথম দিনে বৃহম্পতিবার ১০.৬৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে তিনি জিতে নেন ১০০ মিটার স্প্রিন্টের শিরোপা। আর ১০.৭০ সেকেন্ডে দ্বিতীয় হন নৌবাহিনীর আব্দুর রউফ, ১০.৮০ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন সেনাবাহিনীর শরিফুল ইসলাম।
ইভেন্টের শেষে মিজবাহ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন উসাইন বোল্টকে অনুসরণ করেই এমন সাফল্য পেয়েছেন, ‘উসাইন বোল্টকে দেখে যে শিক্ষা নিয়েছি তা প্রয়োগ করেই সাফল্য পেলাম। আজ আমাকে যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সামনে পড়তে হলো তা আমি আশা করিনি। বোল্ট সব সময়ই শেষ প্রান্তে এসে বাড়তি গতি দিয়ে শরীর ছেড়ে দেন, আমিও তাই করেছি এবং সাফল্য ধরে রেখেছি।’
১০০ মিটারে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এই স্প্রিন্টারের এটি টানা তৃতীয় জাতীয় শিরোপা। গত তিনটি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি দ্রততম মানব, মাঝে একটি সামার অ্যাথলেটিকস ও বাংলাদেশ গেমসের দ্রুততম মানব হন। ২০১১ সালে বিকেএসপির হয়ে জুনিয়র অ্যাথলেটিক্সে দ্রুততম মানব হয়ে সবার চোখে পড়েন।

রেকর্ড ষষ্ঠবার বর্ষসেরা অ্যাথলেট বোল্ট

নয়বারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন উসাইন বোল্ট রেকর্ড ষষ্ঠবার আইএএএফ বর্ষসেরা পুরুষ অ্যাথলেটের মর্যাদা পেলেন।
রিও অলিম্পিকে ১০ হাজার মিটারে ১৪ সেকেন্ডের ব্যবধানে রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণজয়ী আলমাজা আয়ানা হয়েছেন বর্ষসেরা মেয়ে অ্যাথলেট। ১৯৯৩ সালে চীনের ওয়াং জুনজিয়ার গড়া রেকর্ডকে পেছনে ফেলেন এই ইথিওপিয়ান।
রিওতে ১০০ মিটার, ২০০ মিটার ও ৪*১০০ মিটারে তৃতীয়বার অলিম্পিক স্বর্ণ জিতে ‘ট্রিপল ট্রিপল’ নিশ্চিত করেন ৩০ বছর বয়সী বোল্ট। ষষ্ঠবার পুরস্কার হাতে ২০০৮, ২০০৯, ২০১১, ২০১২ ও ২০১৩ সালের বর্ষসেরা অ্যাওয়ার্ডজয়ী জ্যামাইকান বলেছেন, ‘এটা অবশ্যই একটা বিশাল পাওয়া।’ আগামী বছর লন্ডনে বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের পর অবসর নিতে যাওয়া বোল্ট আরও যোগ করেন, ‘বর্ষসেরা অ্যাথলেট হওয়ার মানে হলো আপনার পরিশ্রম ফলপ্রসূ হচ্ছে। ছয় বছর এটা জেতা মানে আরও বড় কিছু।’
গত অলিম্পিকে ২৯ মিনিট ১৭.৪৫ সেকেন্ডে ফিনিশিং লাইন ছুঁয়ে ২৩ বছর আগের রেকর্ড ভাঙেন আয়ানা। ২৫ বছর বয়সী এই দূরপাল্লার দৌড়বিদ ৫ হাজার মিটারেও জেতেন ব্রোঞ্জ। ডায়মন্ট রেসটাও নিজের করে নেন তিনি।
পুরুষ বিভাগের বর্ষসেরা উদীয়মান তারকার মর্যাদা পেয়েছেন কানাডার আন্দ্রে ডি গ্রাসে। রিওতে ২০০ মিটারে রৌপ্য ও ১০০ মিটারে ব্রোঞ্জ জেতেন এই ২২ বছর বয়সী। উদীয়মান নারী তারকার পুরস্কারটি হাতে পেয়েছেন অলিম্পিক হেপটাথলনের চ্যাম্পিয়ন নাফিসাতু থিয়াম।

জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে দু’টি জাতীয় রেকর্ড

হাজী নুরুল ইসলাম মুন্সি স্মৃতি ৩২তম জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী দিনে শুক্রবার দু’টি নতুন জাতীয় জুনিয়র রেকর্ড হয়েছে। কিশোরীদের শটপুটে বিকেএসপির তাহমিনা আক্তার ১০.৪২ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে নতুন এই জাতীয় রেকর্ড গড়েন। আগের রেকর্ডটি ছিল ১০ মিটারের। এছাড়া বালক ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৬০ সেকেন্ড সময় নিয়ে নতুন জাতীয় জুনিয়র রেকর্ড গড়েন বিকেএসপির হাসান মিয়া। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ১০.৬৫ সেকেন্ডে।
index
বালক ও বালিকা এবং কিশোর ও কিশোরী এই চারটি বিভাগে ৩৪টি ইভেন্ট নিয়ে ২৭ মে শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে হাজী নুরুল ইসলাম মুন্সি স্মৃতি জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা। যেখানে বালক ও বালিকাদের ১৪টি এবং কিশোর ও কিশোরীদের ২০টি ইভেন্ট রয়েছে। বিকেল চারটায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি। এ সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ফতুল্লা এনায়েতনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের মহাসচিব আশিকুর রহমান মিকু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ টিটু ও ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস উপস্থিত ছিলেন।

খেলা রূপা-ব্রোঞ্জের ট্র্যাকেই অ্যাথলেটিকসের দৌড়

দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে (এসএ গেমস) সবচেয়ে বেশি সোনার পদকের লড়াই হয় অ্যাথলেটিকসে। কিন্তু মর্যাদার এই ডিসিপ্লিনের ৩৮ ইভেন্ট থেকে এবার বাংলাদেশের সোনার চাওয়া নেই সে অর্থে। রূপা আর ব্রোঞ্জকেই ঘিরেই চলছে যত হিসেব, নিকেষ।
নয়টি সোনা, ১৭টি রূপা, ৩১টি ব্রোঞ্জ-দক্ষিণ এশিয়ান গেমসের (এসএ গেমস) গত এগারোটি আসরে বাংলাদেশের প্রাপ্তি। সর্বশেষ ২০০৬ সালে এই ইভেন্ট থেকে সোনার পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ। মাঝে ২০১০ সালে নিজেদের ট্র্যাকে সোনার পদক অধরা থেকে গেছে। এবারও তা হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। কেননা, যাদের হাতে স্বপ্ন পূরণের ভার, সেই মেজবাহ, শিরিনরাও জোর গলায় বলতে পারছেন না-আমরা পারবই। টাইমিংয়েও মিলছে না তার আভাস।
আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের গুয়াহাটি ও শিলংয়ে শুরু হবে এসএ গেমসের দ্বাদশ আসর। অ্যাথলেটিকসে ছেলেদের ২০টি, মেয়েদের ১৮টি ইভেন্টে পদকের লড়াই হবে। মেজবাহ, শিরিনদের কথায় এই ৩৮টি সোনার পদক প্রতিপক্ষের দিয়ে রেখে রূপা আর ব্রোঞ্জের ছকে থাকার ইঙ্গিতই মিলেছে!
গত বছর অক্টোবর থেকে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) চলছে অ্যাথলেটদের প্রস্তুতি। কোচ আব্দুল্লাহেল কাফির পর্যবেক্ষণও বলছে না, ২০০৬ সালের কলম্বো গেমসের ১১০ মিটার হার্ডলসে মাহফুজুর রহমান মিঠুর সর্বশেষ সোনা জয়ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার সামর্থ্য তার বর্তমান ২৬ শিষ্যের কারো আছে। যা একটু সোনা জয়ের আশ্বাস শুনিয়েছেন, তা লং জাম্পার আল আমিন।
হালের অ্যাথলেটিকস এগিয়ে অনেক; বাংলাদেশ রয়েছে সেই হাতঘড়ির (হ্যান্ড টাইমিং) যুগে! তাতে মেজবাহ, শিরিন, সোহাগী, চুমকিরা ঠিক কত সেকেন্ড দৌড় শেষ করলেন, তা-ই জানা যায় না। এর সঙ্গে এবার প্রস্তুতির সময়ের স্বল্পতা যোগ হওয়ার কথা জানালেন কোচ কাফি।
“প্রস্তুতি মোটামুটি। যতটুকু সময় পেয়েছি, তাতে প্রস্তুতি খুব একটা ভালোও না, মন্দও না। সোনার পদকের স্বপ্নটা আমরা ওভাবে দেখাচ্ছি না। তবে রূপা আর ব্রোঞ্জ আগের তুলনায় ভালোই হবে।”
১০০ মিটার, ২০০ মিটার, ১০০ মিটার রিলে ও লং জাম্প-এই চার ইভেন্ট থেকে পদকের আশা বেশি জানিয়ে কাফি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে নিজেদের ব্যবধানটাও জানান।
“(১০০ মিটার) শ্রীলঙ্কা আর মালদ্বীপের ছেলেরা ভালো। জেনেছি, ভারতের একটা মেয়ে গত ডিসেম্বরে ১১.৪০ সেকেন্ডে দৌড়াছে, আমাদের শিরিনের হ্যান্ড টাইমে সেরা ১১.৮৪। পদকের খুব কাছাকাছি কিন্তু গোল্ড পাওয়ার জন্য তা যথেষ্ঠ নয়।”

তবু স্বপ্ন দেখাচ্ছেন যারা

এসএ গেমসের সবচেয়ে মর্যাদার ইভেন্ট ১০০ মিটার দৌড়ে বাংলাদেশের সর্বশেষ সোনা জয় বিমল চন্দ্র তরফদারের হাত ধরে; সেটা ১৯৯৩ সালের আসরে। ১০.৬০ সেকেন্ড সময় নিয়ে দেশের দ্রুততম মানব হওয়া মেজবাহ ‘বিমল’ হয়ে ওঠার স্বপ্নটা দেখাচ্ছেন না।
“এটা আমার প্রথম এসএ গেমস। প্রস্তুতি ভালো। টাইমিংও ভালো। সবাই গোল্ড জেতার জন্য নামে। আমি গোল্ড দিতে পারব কিনা জানি না, তবে এতটুকু বলতে পারি, ভালো একটা ফাইট হবে।”
এসএ গেমসের গত আসরে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সোনা জিতেছিলেন শ্রীলঙ্কার শেহান সায়েরুয়ানের আবেয়িপের (১০.৪৬ সেকেন্ড)। এই ইভেন্টে এসএ গেমসের রেকর্ড ১৯৯৯ সালের কাঠমান্ডুর আসরে ভারতের অনিল কুমারের (১০.৩৭ সেকেন্ড)। এসব তথ্য শুনে বাস্তবের মাটিতে নেমে আসেন মেজবাহ। “এত কম প্রস্তুতিতে তো আর অত কিছু আশা করা যায় না। তবে খালি হাতে ফিরব না; এটা নিশ্চিত।”
১২.২০ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে দেশের দ্রুততম মানবী হওয়া শিরিনও রূপা-ব্রোঞ্জের ছকে থাকছেন। তবে প্রথমবারের মতো এসএ গেমসে খেলা বলে একটু বেশিই রোমাঞ্চিত তিনি, “পদক পাওয়ার আশা আছে। ইচ্ছা সোনার কিন্তু অতটকু তো সম্ভব নয়।”
১০০ মিটার রিলেতে ভালো কিছুর স্বপ্ন দেখাচ্ছে মেয়েরা। শিরিন ছাড়াও রিলে দলে আছেন জাতীয় অ্যাথলেটিকসে ৪০০ মিটারে সেরা হওয়া সোহাগী। গতবারের রূপাকে এবার তাই সোনায় রূপ দেওয়ার প্রত্যয় শামসুন্নাহার চুমকির, “গত গেমসের চেয়ে এবার প্রস্তুতির জন্য কম সময় পেয়েছি। তবে আমাদের রিলে দলটা ভালো। আমরা রিলেতে জোর দিচ্ছি, যেন আমরা দেশকে এখান থেকে গোল্ড দিতে পারি।”
গত আসরে ব্যক্তিগত ইভেন্টে ১০০ মিটার হার্ডলসে ফটো ফিনিশিংয়ে সুমিতা রানী দাসের রূপা পাওয়া ছিল উল্লেখ করার মতো প্রাপ্তি। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট এবার তাকে ভোগাচ্ছে। ছিটকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে সুমিতাকে নিয়ে।
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট এরই মধ্যে ছিটকে দিয়েছে হাই জাম্পে আট বার জাতীয় রেকর্ড ভাঙা নৌবাহিনীর সজীব হোসেনকে। সজীবের জায়গায় সুযোগ পাওয়া মাহফুজুর রহমান ট্রায়ালে ১.৯৫ মিটার লাফিয়ে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ভালো কিছুর।
ঘরের মাঠে গত এসএ গেমসে চাকতি নিক্ষেপে আজহারুল ইসলাম, মেয়েদের ১০০ মিটার হার্ডলসে জেসমিন আক্তার, মেয়েদের ৪০০ মিটার রিলে এবং লং জাম্পে আল আমিন পেয়েছিলেন ব্রোঞ্জ। ২০০৪ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত মোট ১৪বার জাতীয় পর্যায়ে লং জাম্পে সেরা আল আমিন এবার সোনার খরা দূর করতে উন্মুখ। ২০১৩ সালে লং জাম্পের সেরার পদকটি যার কাছে হারিয়েছিলেন, সেই ইসমাইলও ভারতে যাচ্ছেন বলে আরও আত্মবিশ্বাসী আল আমিন।
“প্রতিবারই ভালো করতে চাই কিন্তু কেন যে হয় না। গতবার তো আমার সামনে থেকে গোল্ড নিয়ে গেল। এবার আমি আর ইসমাইল গোল্ডের জন্য যাব।”

ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের বার্ষিক অ্যাথলেটিকস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের বার্ষিক অ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বুধবার সকাল ৯টায় জগন্নাথ হল খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হল প্রভোস্ট অধ্যাপক মো: মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এসময় কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
পরে অপরাহ্নে জগন্নাথ হল খেলার মাঠে হলের বার্ষিক অ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন। এ সময় হল প্রভোস্ট অধ্যাপক মো: মফিজুর রহমান, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, হাউজ টিউটর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম বাংলাদেশ মাস্টার্স অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু শুক্রবার

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ভাষাভাষী সাবেক তারকা অ্যাথলেটদের নিয়ে আগামী ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রথম বাংলাদেশ মাস্টার্স অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপ। বাংলাদেশ মাস্টার্স অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ আসর বসছে বাংলাদেশে।
প্রতিযোগিতায় ৩৫-৬০ বছর ঊর্ধ্ব মোট ৬টি গ্রুপে ১৪০টি ইভেন্টে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষ ও মহিলা দুই বিভাগে বিভিন্ন বয়স ক্যাটাগরিতে কলকাতার ৫০ এবং বাংলাদেশের প্রায় ২৫০ জন সাবেক অ্যাথলেট এই আসরে অংশ নিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ মাস্টার্স অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস।
সভাপতি ইব্রাহিম চেঙ্গিস জানিয়েছেন, ‘মাস্টার্স অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বহু বছর আগে থেকেই শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ দল গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত ৩টি ও ফ্রান্সে ওয়ার্ল্ড মাস্টার্স অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো সাবেক তারকা অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণে আমরা এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করছি। যেখানে বাংলাদেশের সাবেক তারকা অ্যাথলেটদের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক অ্যাথলেটরাও অংশ নেবেন।’
শুক্রবার বিকালে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস।