টি-টোয়েন্টির নতুন চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

টি-টোয়েন্টির নতুন চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া। দুবাইয়ে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ১৭২ রান তোলে কিউইরা। জবাবে ডেভিড ওয়ার্নার আর মিচেল মার্শের ফিফটিতে ৭ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় অজিরা। ম্যাচ সেরা হন মিচেল  মার্শ। আর টুর্নামেন্ট সেরা ডেভিড ওয়ার্নার।

আরো একটি বিশ্বকাপ। আরো একটি বছর। ফলাফল একই। জয়ী দলের নাম অস্ট্রেলিয়া। গত ৪০ বছর কোন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বেই অজিদের হারাতে না পারা নিউজিল্যান্ড আরো একবার মাঠ ছাড়লো রানার্সআপের বেদনায়। আতশবাজির ঝলকানিতে দুবাই বরন করলো টি-টোয়েন্টির নতুন চ্যাম্পিয়নদের।

ডেভিড ওয়ার্নারের মস্তিস্ক যেনো কম্পিউটার চালিত। ১৪০ কিমি বেগে ধেয়ে আসা অ্যাডাম মিলনে, ট্রেন্ট বোল্টদের বলগুলো আছড়ে ফেললেন সীমানার বাইরে। তাইতো এক ওভারের জন্যও অস্ট্রেলিয়ার আস্কিং রেটটা নাগালের বাইরে যায়নি। ৩৮ বলে ৫৩ রান করে ওয়ার্নার যখন প্যাভিলিয়নে ফেরেন অজিদের রান ১০৭।

ওয়ার্নারের চালু করে দেয়া গাড়ির গতিটা আরো বাড়িয়ে দেন মিচেল মার্শ। তার ফিফটি ৩১ বলে। দলকে জিতিয়ে যখন মাঠ ছাড়েন তাঁর নামের পাশে ৫০ বলে হার না মানা ৭৭ রান।  

দুবাইয়ে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জয়ের পথে এগিয়ে যায় মূলত টস জিতেই। এই মাঠে শেষ ১৭  ম্যাচের ১৬ টিতেই রান তাড়া করা দল মাঠ ছাড়ে বিজয়ীর বেশে। তার উপর নিউজিল্যান্ডের শুরুটা কচ্ছপ গতিতে। প্রথম ৬ ওভারে ৩২। ১০ ওভারে সংগ্রহ মাত্র ৫৭ রান।

অজিদের ম্যাচ জয়ের স্বাভাবিক গল্পটা ক্ষণিকের জন্য ভিন্নমাত্রা পেয়েছিলো। যখন নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের ক্যাচ ২১ রানে ছাড়েন হ্যাজেলউড। চারদিকে গুঞ্জন অস্ট্রেলিয়া কি বিশ্বকাপটাই ফেলে দিলো কিনা।

উইলিয়ামসনের ৪৮ বলে ৮৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংসেই নিউজিল্যান্ড শেষ ১০ ওভারে যোগ করে ১১৫ রান। তাতে দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ১৭২। কিন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোর গড়েও পরাজিতদের কাঁতারে কিউইরা। অস্ট্রেলিয়া দেখালো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে যাই খেলুক না কেনো। বিশ্বকাপের বিশ্বমঞ্চে তারাই সেরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




bangladesherkhela.com 2019
Developed by RKR BD