রাত ৮:১৭, সোমবার, ২৭শে মে, ২০১৯ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / বাংলাদেশ-লা‌ওস যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন
বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনাল বাতিল
বাংলাদেশ-লা‌ওস যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন
মে ৩, ২০১৯



অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়ে শেষ মুহুর্তেই বাতিল করা হলো বঙ্গমাতা অনুর্ধ্ব-১৯ নারী আন্তর্জাতিক ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ। শিরোপা লড়াইয়ে স্বাগতিকদের প্রতিপক্ষ ছিল লাওস। ফাইনালে শেষে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণের কথা‌ও ছিল।

খেলা শুরুর নির্ধারিত সময়ের (সন্ধ্যা ছয়টা) ১৫ মিনিট পরে প্রেসবক্সে আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী সংবাদ সম্মেলনে জানান, ফাইনাল বাতিল এবং দু’দল যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন। প্রাইজমনির অর্থ (চাম্পিয়ন ২৫ হাজার ও রানার্স-আপ ১৫ হাজার ডলার) দু’দলকে সমান ভাগ করে দেয়া হবে। মাঠ খেলার উপয়োগী থকলেও, দেশের অন্যত্র ঘুর্নিঝড়ের ব্যাপকতার কারণেই ফাইনাল বাতিল বলে জানান তিনি। চ্যাম্পিয়ন ট্রফি লাওসকে প্রদান করা হবে। এ ঘটনায় টুনামেন্টর আয়োজন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকলেও তা মানতে নারাজ মুর্শেদী। তিনি জানান তারা শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন। অনিশ্চয়তা সত্বেও মাঠে উপস্থিত ছিলেন প্রচুর দর্শক। তাদের অবস্থা বিবেচনায় এনে প্রদর্শিত টিকিটের মূল্য বাফুফে অফিস থেকে নিতে পারবেন দর্শকরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত টুর্নামেন্টের স্বত্ব লাভকারী প্রতিষ্টান কে স্পোর্টসের সিইও ফাহাদ করিম জানান, তিনি অন্যান্য স্টেক হোল্ডার ও পৃষ্ঠপোষকদের সঙ্গে আলেচনা করেছেন, সকলেই একমত হয়েছেন ফাইনাল বাতিলের বিষয়ে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে তারা আরও সতর্ক হবেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত লাওসের ম্যানেজার জানান, ফাইনাল না হওয়ায় তারা হতাশ হলেও (মাঠ সম্পূর্নরূপে খেলার উপযোগী ছিল বলে তার মন্তব্য) তারা আয়োজকদের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখাবেন।

গত এক সপ্তাহ ধরেই দেশজুড়ে আলোচনায় ঘুর্নিঝড় ’ফণি’। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। এমনকি আগামীকাল শনিবারের নির্ধারিত এইচএসসি পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল থেকেই (ম্যাচ শুরুর দু’ঘন্টা পূর্বে) সর্বত্র ফিসফাস খেলা বাতিল হচ্ছে বলে। বিকেল পাঁচটার দিকে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য কড়াকড়ি অবস্থা শিথিল করা হলে বিষয়টা আরো ঘনীভুত হয়। এমনকি দু’দলের খেলোয়ড়রা মাঠে এলেও অনুশীলনে অংশ নেয়নি। এরপর মাঠের বলবয়রাও স্থান ত্যাগ করে। তবে ম্যাচের রেফারী ও মাচ কমিশনার হংকংয়ের চান কা চুং মাঠ পরিদর্শনে আসেননি। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে খেলা দেখতে আসা দর্শকরা হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়েন।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :