রাত ১:০৪, বুধবার, ২৬শে মার্চ, ২০১৯ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / হ্যামিল্টনে বাংলাদেশের ইনিংস পরাজয়
হ্যামিল্টনে বাংলাদেশের ইনিংস পরাজয়
মার্চ ৩, ২০১৯



সৌম্য সরকার আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরির পরও হ্যামিল্টনে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৫২ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো নিউজিল্যান্ড। ৪৮১ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা সফরকারীরা অলআউট হয় ৪২৯ রানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৩৪ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ডের রান ছিলো ৭১৫।

এ যেনো এক রুপকথা। যে গল্পে রাজা দুজন। এটা যেমন ব্যতিক্রম। এ রূপকথায় রাজাদের বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়তে না পারাটাও ব্যতিক্রম। তবু সৌম্য সরকার আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে এতোটা উচ্ছাস কেনো? জানতে একটু ইনিংসে চোখ বুলাতে হচ্ছে। আগের দিন ১২৬ রানে চার উইকেট হারানোর পর কে ভেবেছিলো, এই ইনিংস তৃতীয় সেশনে গড়াবে? কে ভেবেছিলো প্রথম ইনিংসে ৬০ ওভার গুড়িয়ে যাবার পর দ্বিতীয় ইনিংসে টাইগাররা খেলবেন ১০৩ ওভার?

ট্রেন্ট বোল্ট, নেইল ওয়াগনারদের পাঁজর লক্ষ্য করে ছোঁড়া বলগুলো সৌম্য-রিয়াদরা একের পর এক সীমানার বাইরে আঁছড়ে ফেলবেন এমনটাই বা কে ধরে নিয়েছিলেন? সেই সব ভিভীষিকা আর শঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করতে পারাতেই এই টেস্টটা বিশেষ হয়ে থাকছে বাংলাদেশের।

অথচ প্রায় দুই বছর পর ফিফটি আর ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির পরও সৌম্যের উদযাপনে কোন বিশেষত্ব ধরা পড়লোনা। তামিমের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছুয়েও, তিনি যেনো বুঝাতে চাইলেন পুর্ণজম্মের গল্পটা সবে শুরু।

দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া দলকে সৌম্যের সাথে টেনে নিয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও দেখালেন ক্যাপ্টেন্স নক কাকে বলে। এতো সব প্রমাণের দিনে টাইগাররা পায় পঞ্চম উইকেটে তাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৩৫ রানের জুটি। ১৬ রানে শেষ তিন উইকেট হারিয়ে টাইগাররা আর লিড নিতে পারেনি। তাই পরিসংখ্যান বলবে এটি ছিলো ইনিংস পরাজয়। তবে লড়াইয়ের আগেই হেরে না যাবার মানসিকতা দেখানো সৌম্য-রিয়াদদের প্রাপ্য সম্মানটুকু তো দিতেই হবে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :